কুদৃষ্টির ভয়াবহ শাস্তি
এখন আমি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোকপাত করতে চাচ্ছি । তা এই যে, বর্তমান যমানায় দ্বীনদার, নেককার, মোত্তাকী-পরহেযগার ও তরীকতের সমস্ত ছালেকীনের জন্য নারীর ফেতনার চেয়ে দাড়ি-মোচ বিহীন সুশ্রী বালক- তরুণের ফেতনা বেশী মারাত্মক ও বেশী ধ্বংসাত্মক । যেহেতু সুশ্রী বালক-তরুণদের ফেতনার পথে অর্থাৎ তাদের সাথে কোন পাপাত্নক কাজে লিপ্ত হওয়ার পথে বাহ্যিক বাধা-বিঘ্ন কম, তাই শয়তান মানুষকে সহজ ও দ্রুততর এই ফেতনায় (পাপের ফাঁদে) লিপ্ত করে দেয় । এর বিপরীতে না-মাহরাম ভিন নারীদের ক্ষেত্রে সাধারণতঃ বেশী থেকে বেশী কুদৃষ্টির অপরাধই সংঘটিত হয় । এর কুফল সম্পর্কে হাকীমুল-উম্মত, মুজাদ্দিদুল-মিল্লাত হযরত মাওলানা শাহ আশরাফ আলী থানবী (রহঃ) বলেন যেঃ ১। না-মাহরাম নারী ও সুদর্শন বালক-তরুণের সাথে যে কোন ধরনের সম্পর্ক রাখা, যেমন তার দিকে দৃষ্টি করা, মনে আনন্দ লাভের জন্য তার সাথে কথা বলা, নির্জনে তার সাথে বসা বা অবস্থান করা অথবা তার মনতুষ্টির জন্য সাজগোজ করে পোশাক পরিধান করা, মোলায়েম ভাষায়, মিষ্টি সুরে কথা বলা ইত্যাদি - এ ধরনের সম্পর্কের দরুণ যে সকল ক্ষতি ও খারাবী পয়দা হয় এবং যে সকল মুসীবতের সম্মুখীন হতে হয় তা লিখে শেষ করার ম...