Posts

Showing posts with the label নেক সন্তান

ইসলামে নারীর অবদান

সলামে নারীর অবদান * সর্বপ্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন খাদিজা (রাযিঃ)। * সর্বপ্রথম নারী শহীদ সুমাইয়া (রাযিঃ)। * দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সর্বপ্রথম বেশি ধন-সম্পদ দান করেন খাদিজা (রাযিঃ)। * সবচেয়ে বড় মুহাদ্দিস আয়শা সিদ্দীকা (রাযিঃ)। । * দ্বীনের জন্য সিমাহীন কষ্ট সহ্য করেন ফেরাউনের স্ত্রী। পুরুষ্কারঃ * এক জন নেককার নারী ৭০ জন ওলীর চেয়ে উত্তম। * এক জন বদকার নারী ১০০০ জন বদকার পুরুষের চেয়েও নিকৃষ্ট। * এক জন গর্ভবতী মহিলার ২ রাকাত নামাজ একজন গর্ভহীন মহিলার ৮০ রাকাত নামাজের চেয়েও উত্তম। * যখন স্বামী বাইরে থেকে পেরেসান হয়ে বাড়ী ফিরে তখন যদি তারা স্ত্রী স্বামীকে সান্তনা দেয়,ঐ স্ত্রীকে জিহাদের অর্ধেক নেকী দান করা হয়। * যে মহিলার সন্তানের কারনে রাতে ঘুমাতে পারেনা,তাকে ২০টি গোলাম আজাদ করার নেকি দানকরা হয়। * যে মহিলা যিকিরের সাথে ঘর ঝাড়ু দেয়,আল্লাহ তার আমল নামায় খানায়ে কাবা ঝাড়ু দেওয়ার ছোয়াব দান করেন। * যে মহিলা নামাজ রোজার পাবন্দী করে,পবিত্রতা রক্খা করে চলে,স্বামীর তাবেদারী করে চলে তাকে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। * ২ব্যক্তির নামাজ মাথার উপর উঠেনা,১_যে গোলাম মালিক থেকে প...

ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায়ঃ দারসুল কোরআন

Image
দারসুল কুরআন সূরা আল-আসর (ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায়) ﻭَﺍﻟْﻌَﺼْﺮِ ‏( 1 ‏) ﺇِﻥَّ ﺍﻟْﺈِﻧْﺴَﺎﻥَ ﻟَﻔِﻲ ﺧُﺴْﺮٍ ‏(2 ‏) ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ ﺍﻟﺼَّﺎﻟِﺤَﺎﺕِ ﻭَﺗَﻮَﺍﺻَﻮْﺍ ﺑِﺎﻟْﺤَﻖِّ ﻭَﺗَﻮَﺍﺻَﻮْﺍ ﺑِﺎﻟﺼَّﺒْﺮِ ‏(3 ) অর্থঃ সময়ের কসম। মানুষ আসলে খুবই ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। তবে তারা ছাড়া যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করতে থেকেছে এবং পরস্পরকে হক কথার ও সবর করার উপদেশ দিতে থেকেছে। নামকরণঃ প্রথম আয়াতের “আল আছর” শব্দটিকে এর নাম হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। নাযিল হবার সময়কালঃ মুজাহিদ, কাতাদাহ ও মুকাতিল একে মাদানী বলেছেন। কিন্তু বিপুল সংখ্যক মুফাস্সির একে মাক্কী বলেছেন। এর বিষয়বস্তু থেকে বোঝা যায় মাক্কী যুগের প্রথম অংশে অবতীর্ণ। এর আকার মাক্কী সুরার বৈশিষ্ট্য বহন করে। বিষয়বস্তু ও মূল বক্তব্যঃ এর মধ্যে স্পষ্ট ভাষায়, মানুষের সাফল্য ও কল্যাণ এবং ধ্বংসের পথ বর্ণনা করা হয়েছে। ইমাম শাফেয়ী বলেন- মানুষ যদি এই একটি সুরা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করে তাহলে এটিই তাদের হেদায়েতের জন্য যথেষ্ট। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হিসন দারেমী আবু মাদীনা- ﻛَﺎﻥَ ﺍﻟﺮَّﺟُﻠَﺎﻥِ ﻣِﻦْ ﺃَﺻْﺤَﺎﺏِ ﺭَﺳُﻮْﻝِ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺇِﺫَﺍ ﺍﻟْﺘَﻘَﻴَﺎ...

বিয়ে কী শুধু আনন্দ- বিনোদনের জন্য? না পড়লে মিস করবেন

Image
বিবাহ শুধুই কি আনন্দ-বিনোদনের জন্য ? আমরা কি এমন করে কখনো চিন্তা করেছি বা চেয়েছি ? যুবক ভাই-বোনদের বিবাহর উদ্দেশ্য যেন আরেকজন সুলতান সালাহুদ্দিন জন্মের জন্য হয় । আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন । আমীন atik ullah atik এর ওয়াল থেকে   “লেখাটি না পড়লে জীবনের অনেক বড় একটি বিষয়ের শিক্ষা গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন!   এক: নাজমুদ্দীন আইয়ুব (রহ.)। সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর (রা.) পিতা। তার হাতে তিকরীতের শাসনভারের গুরুদায়িত্ব। কিন্তু বিয়ের বয়েস পেরিয়ে যাচ্ছে, তবুও বিয়ের নামগন্ধ নেই। এটা দেখে ভাই আসাদুদ্দীন শিরকূহ চিন্তিত হয়ে পড়লেন: -কী ব্যাপার! তুমি বিয়ে করবে না? -আমার মনমতো পাত্রী পাচ্ছি না তো। -আমি পাত্রী দেখবো তোমার জন্যে? -পাত্রীটা কে শুনি? -মালিক শাহের মেয়ে অথবা নিযামুল মুলকের মেয়ে? -নাহ, তারা আমার কাঙ্খিত পাত্রী নয়। -তোমার কাঙ্খিত পাত্রীর বৈশিষ্ট্য কী বলো তো শুনি! -আমি চাই একজন সুশীলা স্ত্রী, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। যে আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দিবে। সে সন্তানকে যথাযথ লালন-পালন করে বড় করবে। বড় হয়ে সে ছেলে হবে একজন দুর্দান্ত ঘোড়সওয়ার, সাহসী ম...

ইমানের মুল পূর্ণতা অর্জনের ৬ টি বিষয়

Image
আল -কুরআনে মুমিনদের আদেশ -নিষেধ(৪৩- ৪৭) ★মুল পুর্ন হলো পাঁচটি বিষয়ের প্রতি ঈমান আনার সাথে সমাজে ছয় শ্রেনীর ব্যক্তিদের আর্থিক প্রয়োজন মিটানো। যে ছয় শ্রেনীর ব্যক্তি সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ﻭﺍﺗﻲ ﺍﻟﻤﺎﻝ ﻋﻠﻲ ﺣﺒﻪ ﺫﻭﻱ ﺍﻟﻘﺮﺑﻲ ﻭﺍﻟﻴﺘﻤﻲ ﻭﺍﻟﻤﺴﺎﻛﻴﻦ ﻭﺍﺑﻦ ﺍﻟﺴﺒﻴﻞ ﻭﺍﻟﺴﺎﻳﻠﻴﻦ ﻭﻓﻲ ﺍﻟﺮﻗﺎﺏ অর্থ আর সে সম্পদের ভালবাসা সত্বেও (১)নিকট আত্মীয়দের, (২)ইয়াতীমদের, (৩)মিসকীনদের, (৪)মুসাফির -মেহমানকে, (৫)প্রার্থীদের ও (৬)গোলাম আযাদ করার ক্ষেত্রে সম্পদ দান করে। ★মানুষ সামাজিক জীব। সমাজ ছাড়া মানুষ বসবাস করতে পারে না। সমাজবদ্ধ বসবাস করতে পরস্পরের মধ্যে সহযোগীতা, সহমর্মিতা ও ভালবাসা থাকা আবশ্যক। এটা না থাকলে সীমাবদ্ধ জীবন যাপন করা যায়না। (১)প্রথম নিকটাত্মীয়দের প্রতি খেয়াল রাখা। তাদের সাথে সম্পর্ক গভীর করা। তাদের প্রয়োজন দেখা, তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করা, তাদের প্রতি সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয়া। (ক) আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার গুরুত্ব অনেক। তাই আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেছেন, ﻻ ﻳﺪﺧﻞ ﺍﻟﺠﻨﺔ ﻗﺎﻃﻊ ﺍﻟﺮﺣﻢ ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ অর্থ আত্মীয়তার সম্পর্ক নষ্টকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (সহীহ আল বুখারী) (খ) সাধারনত সমাজের ধার্মিক শ্রেনী...

ইমানের মুল পূর্ণতা অর্জন করা ।

Image
ঈমান ছাড়া কোন কল্যান বা পুর্নের কাজ মহান আল্লাহর কাছে গ্রহনযোগ্য নয়। কেহ কেবলার দিক ফেরাকে মুল পুর্ন মনে করে। কেহ শুধু জিহাদ করাকে মুল পুর্ন মনে করে। কেহ তাবলীগ করাকে মুল পুর্ন মনে করে। কেহ পীর মরীদীর কার্যকলাপকে মুল পুর্ন মনে করে। কিন্তু মুলত মুল পুর্ন হলো ঈমান ও ঈমান ভিত্তিক আমল বা সৎকাজ। ইয়াহুদী ও খৃষ্টানরা বাইতুল মুকাদ্দাসের পুর্ব বা পশ্চিম দিকে ফিরে ইবাদাত করাকে মুল পু্র্নের কাজ মনে করতো। আল্লাহ বলেন, পুর্ব বা পশ্চিম দিকে মুখ ফিরানো মুল পু্র্ন নয়। মুল পু্র্ন হলো ঈমান ও আনুগত্য। ঈমান না থাকলে ও সর্বক্ষেত্রে আনুগত্য না থাকলে বাহ্যিক কর্মের কোন মুল্য নেই। ★ ঈমান সম্পর্কিত আলোচনা : ﻭﻟﻜﻦ ﺍﻟﺒﺮ ﻣﻦ ﺍﻣﻦ ﺑﺎﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﻴﻮﻡ ﺍﻻﺧﺮ ﻭﺍﻟﻤﻼﻳﻜﺔ ﻭﺍﻟﻜﺘﺎﺏ ﻭﺍﻟﻨﺒﻴﻦ অর্থ কিন্তু মুল পুর্ন হলো আল্লাহ, শেষ দিন, ফেরেস্তামন্ডলী, আসমানী কিতাব ও নাবীউ - রাসুলগনের প্রতি ঈমানদারের পুর্ন। ★পুর্ব বা পশ্চিম দিক ফিরে নামাজ পড়া মুল পুর্ন নয়। কুরবানীর গোস্ত ও রক্ত কাবা শারীফের গাত্রে মাখানো আল্লাহর দরবারে পৌছে না।বরং তোমাদের ঈমান ও তাকওয়া পৌছে। (ক)মুল পুর্ন আল্লাহর প্রতি ঈমান। শুধু আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নয়। আল্লাহ বিশ্বে...

আল্লাহর উদ্দেশ্যে কাউকে ভালোবাসা এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে কাউকে ঘৃণা করা

Image
★আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই ভালবাসবে এবং ঘৃনা করবে। সাধারনত দেখা যায় মানুষ নিজের স্বার্থের প্রতি খেয়াল করে কাউকে ভালবাসে এবং কাউকে ঘৃনা করে। স্বার্থ পাওয়া যাবে না, সেখানে ভালবাসা থাকবে না এবং স্বার্থ পাওয়া যাবে, সেখানে ভালোবাসাও পাওয়া যাবে। স্বার্থহানী ঘটবে, সেখানে ঘৃনা করবে, যদিও সেটা ভাল কাজ। ★ তাই আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেন, ﻣﻦ ﺍﺣﺐ ﻟﻠﻪ ﻭﺍﺑﻐﺾ ﻟﻠﻪ ﻭﺍﻋﻄﻲ ﻟﻠﻪ ﻭﻣﻨﻊ ﻟﻠﻪ ﻓﻘﺪ ﺍﺳﺘﻜﻤﻞ ﺍﻻﻳﻤﺎﻥ ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻓﻲ ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻻﻳﻤﺎﻥ অর্থ যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে ভালবাসবে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে ঘৃনা করবে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে দেবে এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে দেবেনা, তার ঈমান পরিপুর্ন হলো। (সহীহ আল - বুখারী ঈমান অধ্যায়ে) ★আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ভালবাসা কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের ছায়া পাওয়ার কারন। আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেন, ﺳﺒﻌﺔ ﻳﻈﻠﻬﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﻓﻲ ﻇﻠﻪ ﻳﻮﻡ ﻻﻇﻞ ﺍﻻ ﻇﻠﻪ ﺍﻣﺎﻡ ﻋﺎﺩﻝ ﻭﺭﺟﻞ ﻧﺸﺄ ﻓﻲ ﻋﺒﺎﺩﺓ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺭﺟﻞ ﻗﻠﺒﻪ ﻣﻌﻠﻖ ﺑﺎﻟﻤﺴﺠﺪ ﻭﺭﺟﻼﻥ ﺗﺤﺎﺑﺎ ﻓﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﺟﺘﻤﻌﺎ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺗﻔﺮﻗﺎ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺭﺟﻞ ﺩﻋﺘﻪ ﺍﻣﺮﺃﺓ ﺫﺍﺕ ﺣﺴﺐ ﻭﺟﻤﺎﻝ ﻓﻘﺎﻝ ﺍﻧﻲ ﺍﺧﺎﻑ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺭﺟﻞ ﺗﺼﺪﻕ ﺑﺼﺪﻗﺔ ﻓﺎﺧﻔﺎﻫﺎ ﺣﺘﻲ ﻻﺗﻌﻠﻢ ﺷﻤﺎﻟﻪ ﻣﺎﺗﻨﻔﻖ ﻳﻤﻴﻨﻪ ﻭﺭﺟﻞ ﺫﻛﺮﺍﻟﻠﻪ ﺧﺎﻟﻴﺎ ﻓﻔﺎﺿﺖ ﻋﻴﻨﺎﻩ ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ★অর্থ সাতশ্রেন...

কেমন রোগাক্রান্ত হলে রোযা ভঙ্গ করা যায়?

Image
আল -কুরআনে মুমিনদের আদেশ -নিষেধ(৭০) মুহাদ্দিস রবিউল বাশার  -------------------------------------------------------------- সুরা আল বাকারার ১৮৪ নং আয়াতের বাকী ব্যাখ্যা : ★কেমন রোগে রোযা ভঙ্গ করা যায়? রোগের দুটি অবস্থা।যথা (১)যে রোগে কোন অবস্থায় রোযা রাখতে সক্ষম হবে না। এমন রোগে রোযা ভঙ্গ করা ওয়াজিব। (২)যে রোগে ক্ষতি ও কষ্টসহকারে রোযা রাখতে সক্ষম। এমন রোগে রোযা ভঙ্গ করা মুস্তাহাব। এ অবস্থায় মুর্খ ব্যক্তি ছাড়া কেউ রোযা রাখে না। (তাফসীরে কুরতুবী) ★ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) বলেন,রোযাদার ব্যক্তি রোযা রেখে যখন আশংকা করবে যে, যদি রোযা ভঙ্গ না করে, তাহলে তার চোখের বেদনা বেড়ে যাবে এবং তার জ্বর কঠিন আকার ধারন করবে, তখন রোযা ভঙ্গ করা যাবে। নইলে রোযা ভঙ্গ করা যাবে না। ★অধিকাংশ আলিমদের অভিমত হলো, যখন রোযাদার ব্যক্তির এমন রোগ হবে, যা ব্যাথা, যন্ত্রনা ও কষ্টদায়ক, রোগ দীর্ঘায়িত বা রোগ বৃদ্ধি পাওয়ার আশংকা হবে, তখন রোযা ভঙ্গ করা শুদ্ধ। ইবনে আতিয়্যা বলেন, ইমাম মালিক (রহঃ) এর দুরদৃষ্ট সম্পন্ন সাথীদের ইহাই মাযহাব। তারা এইমত নিয়ে বিতর্ক করতেন। ইমাম মালিক (রহঃ ) এর ভাষা হলো, রোযা ভঙ্গ করা শুদ্ধ হয় এমন রোগে, যাতে ...

মুসাফিরের জন্য কখন রোযা ভঙ্গ করা জায়েয?

Image
আল -কুরআনে মুমিনদের আদেশ -নিষেধ(৭৩) মুহাদ্দিস  রবিউল বাশার  -------------------------------------------------------------- ★মুসাফিরের জন্য কখন রোযা ভঙ্গ করা জাইয? জবাব : মুসাফিরের জন্য রোযা ভঙ্গ করার দুটি শর্ত আছে। যথা (১)সফরের দুরত্ব এমন হতে হবে, যাতে নামায কসর করা জাইয বা ওয়াজিব হয়। (২)ফাযরের সময় হওয়ার পুর্বে সফর শুরু করে ফাযরের সময় হওয়ার পুর্বে এমন স্থানে পৌছাতে হবে, যে স্থানে নামায কসর শুরু করতে হবে। তবে সফর যদি নামায কসর করাকে জাইয বা আবশ্যক না করে, তাহলে রমাদানের রোযা ভঙ্গ করা জাইয নয়। যেহেতু আল্লাহ বলেন, ﻓﻤﻦ ﻛﺎﻥ ﻣﻨﻜﻢ ﻣﺮﻳﻀﺎ ﺍﻭ ﻋﻠﻲ ﺳﻔﺮ ﻓﻌﺪﺓ ﻣﻦ ﺍﻳﺎﻡ ﺍﺧﺮ অর্থ অতএব তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অসুস্থ্য থাকলে বা সফরের উপর থাকলে, তারপর (রোযা ভঙ্গ করলে )অন্যদিন গননা করে রোযা রাখা উচিৎ। ★"সফরের উপর থাকলে "শব্দের মাধ্যমে দুটি বিষয় জানা যায়। যথা (1)দীর্ঘ সফর বুঝায়, যা নামায কসর করাকে মুবাহ বা ওয়াজিব করে দেয়।( 2)সফর শুরু করার পুর্বে রোযা ভঙ্গ করার অনুমতি দেয়া হয়নি। মুসাফিরের জন্য রোযা ভঙ্গ করা বৈধ হওয়ার জন্য এই দুটি শর্ত সম্পর্কে হানাফী, মালিকী ও শাফিয়ী মাযহাবের আলিমগন ঐক্যমত পোষন করে...

রোগাক্রান্ত ব্যক্তি বা মুসাফির যদি কাযা রোযা আদায় করার আগো মার যায়!

Image
আল -কুরআনে মুমিনদের আদেশ -নিষেধ(৭৬) মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ------------------------------------------------------------- ★যে রোগের বা সফরের কারনে রমাদান মাসের রোযা ভঙ্গ করেছে, ঐ রোগে বা সফরে মারা গেলে,ঐ রোযার হুকুম কি? ------------------------------------------------------------ ---------------------------------------- ★জামহুরে (অধিকাংশ) আলিমগনের অভিমত হলো, কোন ব্যক্তি যে রোগের কারনে বা যে সফরের কারনে রমাদান মাসের রোযা রাখেনি, সে ব্যক্তি যদি সে রোগেই বা সে সফরেই মৃত্যুবরন করে, তার উপর কোন দায়িত্ব থাকেনা। কেননা সে মৃত্যবরন করার কারনে,তার জন্য কাযা করা সম্ভব না এবং একজন মিসকীনের ফিদইয়া দেয়া জরুরী না। কেননা আল্লাহ বলেছেন, ﻓﻤﻦ ﻛﺎﻥ ﻣﻨﻜﻢ ﻣﺮﻳﻀﺎ ﺍﻭ ﻋﻠﻲ ﺳﻔﺮ ﻓﻌﺪﺓ ﻣﻦ ﺍﻳﺎﻡ ﺍﺧﺮ অর্থ তারপর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অসুস্থ্য হবে বা সফরের উপরে থাকবে, (তারপর সে রোযা ভঙ্গ করবে) তার উপর অন্যদিন গননা করে রোযা রাখা আবশ্যক। ★এই আয়াত অনুযায়ী অন্যদিন বেঁচে থাকলে রোগের বা সফরের কারনে যে কয়দিন রোযা রাখেনি, সে কয়দিন গননা করে রোযা রাখা জরুরী। কিন্তু যেহেতু মৃত্যবরন করার কারনে অন্যদিন রোযা রাখার সুযোগ পায়নি, সেজন্য ...

দ্বীন কায়েমে আলেমদের ভূমিকা

Image
দ্বীন কায়েমে আলিমদের ভুমিকা: মুহাদ্দিস রবিউল বাশার   ★সৎকাজের আদেশ ও অন্যায় কাজের নিষেধ করা  দ্বীন কায়েমের জন্য আলিমদের বিশেষ দায়িত্ব ★সমাজের বিভিন্ন স্তরে ইসলাম বিরুধী কার্যকলাপ হয়। সমাজকে এবং নিজের মহলকে পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য এ দায়িত্ব পালন করার মুসলিম জাতির আবির্ভাব। ইসলাম কায়েম করার ও কায়েম রাখার জন্য "আমরে বিল মারুফ এবং নাহয়ি আনিল মুনকার "এর দায়িত্ব পালন আবশ্যক। আল্লাহ বলেন, ﻛﻨﺘﻢ ﺧﻴﺮ ﺍﻣﺔ ﺍﺧﺮﺟﺖ ﻟﻠﻨﺎﺱ ﺗﺎﻣﺮﻭﻥ ﺑﺎﻟﻤﻌﺮﻭﻑ ﻭﺗﻨﻬﻮﻥ ﻋﻦ ﺍﻟﻤﻨﻜﺮ، ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻝ ﻋﻤﺮﺍﻥ অর্থ তোমরা শ্রেষ্ঠজাতি, বিশ্বমানবতার কল্যানের জন্য তোমাদের আবির্ভাব করা হয়েছে। তোমরা সৎকাজের আদেশ করবে এবং অসৎকাজের নিষেধ করবে।  (সুরা আলে ইমরান, আয়াত নং ১১০) ﺍﻟﺬﻳﻦ ﺍﻥ ﻣﻜﻨﺎﻫﻢ ﻓﻲ ﺍﻻﺭﺽ ﺍﻗﺎﻣﻮﺍﺍﻟﺼﻠﻮﺓ ﻭﺍﺗﻮﺍﺍﻟﺰﻛﻮﺓ ﻭﺍﻣﺮﻭﺍ ﺑﺎﻟﻤﻌﺮﻭﻑ ﻭﻧﻬﻮﺍ ﻋﻦ ﺍﻟﻤﻨﻜﺮ ،ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﺤﺞ অর্থ (নির্যাতিত মুমিনগন)যাদের আমি যদি পৃথীবিতে প্রতিষ্ঠিত করি, তাহলে তারা নামায কায়েম করবে, যাকাত আদায় করবে, সৎকাজের আদেশ করবে এবং অন্যায় কাজের নিষেধ করবে। ( সুরা আল -হাজ্জ, আয়াত নং৪১) এ দায়িত্ব পালন না করায় আলিমদেরকে কঠিন তিরস্কার ও ভৎসনাও আল্লাহ করেছেন। অন্য দুনিয়াতেই শাস্তির কথা উ...

আলে কোরআন বর্নিত মুমিনদের আদেশ নিষেধ (২৭)

Image
আল-কুরআনে মুমিনদের আদেশ-নিষেধ২৭ মুহাদ্দিস  রবিউল বাশার  ★সুরা আল বাকারার ১৭৩ নং আয়াতে চারটি বিষয় হারাম করা হয়েছে ,তার ব্যাখ্যার বাকী অংশ : ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﻤﺮ ﺭﺽ ﻗﺎﻝ ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻌﻢ ﺍﺣﻠﺖ ﻟﻨﺎ ﻣﻴﺘﺘﺎﻥ ﻭﺩﻣﺎﻥ ﺍﻣﺎ ﺍﻟﻤﻴﺘﺘﺎﻥ ﻓﺎﻟﺤﻮﺕ ﻭﺍﻟﺠﺮﺍﺩ ﻭﺍﻣﺎﺍﻟﺪﻣﺎﻥ ﻓﺎﻟﻜﺒﺪ ﻭﺍﻟﻄﺤﺎﻝ ﺭﻭﺍﻩ ﺍﺣﻤﺪ ﻭﺍﺑﻦ ﻣﺎﺟﺔ অনু বাদ হযরত ইবনে ওমার (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ)ইরশাদ করেন, আমাদের জন্য দুটি মৃত জীব এবং দুটি রক্ত হালাল করা হয়েছে। দুটি মৃত জীব হলো মাছ ও টিড্ডি (পঙ্গপাল) আর দুটি রক্ত হলো কলিজা ও প্লীহা। (মুসনাদে আহমাদ ও সুনানে ইবনে মাযাহ)   ★মৃতজীবের গোস্ত ও রক্ত খেতে কোন সুস্থ মন -মনজ চায়না। পবিত্র কুরআন ও তার পুর্ববর্তী তাওরাত কিতাবে এদুটি জিনিষকে হারাম ঘোষনা করেছে। তার হাজার হাজার বৎসর পরে সাস্থ্য বিজ্ঞানীদের কাছে উহা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর প্রমানিত হয়েছে। আরো ক্ষতিকর উপাদান ভবিষ্যতে স্পষ্ট হওয়া অসম্ভব নয়। আল্লাহ হলেন স্রষ্টা, তার কাছে সকল জিনিষের ভাল -মন্দ স্পষ্ট। তিনি যা হারাম করেন, মানবের দৈহিক ও মানষিক কল্যানের জন্যই হারাম করেন। তাই মেনে চলাই তার সৃষ্টির জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য। নইলে তার ক্ষতি শুধু দু...

আল কোরআনে বর্নিত মুমিনদের আদেশ নিষেধ ২১

Image
আল কুরআনে মুমিনদের আদেশ -নিষেধ২১ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার♣ ১)ইসলাম কায়েম করতে সর্বাত্মক সংগ্রাম করা মুমিনদের দায়িত্ব, আল্লাহ বলেন, ﻭﺟﺎﻫﺪﻭﺍ ﻓﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﺣﻖ ﺟﻬﺎﺩﻩ ﻫﻮ ﺍﺟﺘﺒﺎﻛﻢ অনুবাদ :আর তোমরা আল্লাহর ব্যাপারে জিহাদ কর যেমন জিহাদ করার হক আছে। তিনি তোমাদেরকে(জিহাদের জন্য) মনোনীত করেছেন। (সুরা আল -হাজ্জ, শেষ আয়াত) (২)বিশ্ব মানবতাকে সৎকাজের আদেশ করা এবং অন্যায় কাজের নিষেধ করার দায়িত্ব মুসলিম জাতির। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ﻛﻨﺘﻢ ﺧﻴﺮ ﺍﻣﺔ ﺍﺧﺮﺟﺖ ﻟﻠﻨﺎﺱ ﺗﺎﻣﺮﻭﻥ ﺑﺎﻟﻤﻌﺮﻭﻑ ﻭﺗﻨﻬﻮﻥ ﻋﻦ ﺍﻟﻤﻨﻜﺮ ﻭﺗﻮﻣﻨﻮﻥ ﺑﺎﻟﻠﻪ অনুবাদ : তোমরা শ্রেষ্ঠ জাতি, বিশ্বমানবতার কল্যানের জন্য আবির্ভাব ঘটানো হয়েছে, তোমরা ন্যায় কাজের আদেশ করবে এবং অন্যায় কাজে নিষেধ করবে, তোমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখ। (সুরা আলে ইমরান, আয়াত, নং১১০) (৩)বিশ্বমানবতার কাছে সত্যের সাক্ষ্য দেয়ার দায়িত্ব মুমিনদের। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ﻭﻛﺬﺍﻟﻚ ﺟﻌﻠﻨﺎﻛﻢ ﺍﻣﺔ ﻭﺳﻄﺎ ﻟﺘﻜﻮﻧﻮﺍ ﺷﻬﺪﺍﺀ ﻋﻠﻲ ﺍﻟﻨﺎﺱ ﻭﻳﻜﻮﻥ ﺍﻟﺮﺳﻮﻝ ﻋﻠﻴﻜﻢ ﺷﻬﻴﺪﺍ،ﺳﻮﺭﺓﺍﻟﺒﻘﺮﺓ অনুবাদ :আদ অনুরুপভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যমপন্থী বা উত্তম ন্যায়বিচারক জাতি বানিয়েছি, যাতে তোমরা মানবজাতির কাছে সাক্ষ্যদাতা হতে পার আর রাসুলও তোমাদের কাছে সাক্ষ্যদ...

আল্লাহর পথে খরচ করার ফজিলত ।

Image
আল্লাহর পথে খরচ করার ফাদ্বীলাত : মুহাদ্দিস রবিউল বাশার  (১)আল্লাহর পথে এক খরচ করলে সাতশতগুন সাওয়াব পাওয়া যাবে। আল্লাহ বলেন, ﻣﺜﻞ ﺍﻟﺬﻳﻦ ﻳﻨﻔﻘﻮﻥ ﺍﻣﻮﺍﻟﻬﻢ ﻓﻲ ﺳﺒﻴﻞ ﺍﻟﻠﻪ ﻛﻤﺜﻞ ﺣﺒﺔ ﺍﻧﺒﺘﺖ ﺳﺒﻊ ﺳﻨﺎﺑﻞ ﻓﻲ ﻛﻞ ﺳﻨﺒﻠﺔ ﻣﺌﺎﺓ ﺣﺒﺔ ﻭﺍﻟﻠﻪ ﻳﻀﺎﻋﻒ ﻟﻤﻦ ﻳﺸﺎﺀ ﻭﺍﻟﻠﻪ ﻭﺍﺳﻊ ﻋﻠﻴﻢ، ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ، ٢٦١ (২)আল্লাহর পথে দান করা যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি থেকে মুক্তির উপায়। আল্লাহ বলেন, ﻫﻞ ﺍﺩﻟﻜﻢ ﻋﻠﻲ ﺗﺠﺎﺭﺓ ﺗﻨﺠﻴﻜﻢ ﻣﻦ ﻋﺬﺍﺏ ﺍﻟﻴﻢ 0 ﺗﻮﻣﻨﻮﻥ ﺑﺎﻟﻠﻪ ﻭﺭﺳﻮﻟﻪ ﻭﺗﺠﺎﻫﺪﻭﻥ ﻓﻲ ﺳﺒﻴﻞ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﺎﻣﻮﺍﻟﻜﻢ ﻭﺍﻧﻔﺴﻜﻢ ﺫﺍﻟﻜﻢ ﺧﻴﺮﻟﻜﻢ ﺍﻧﺘﻢ ﺗﻌﻠﻤﻮﻥ0 ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﺼﻒ، ١١،١٢ (৩)মুমিন তো নিজের জান ও মাল বিক্রি করে দিয়েছে আল্লাহর পথে ব্যয় করার জন্য। আল্লাহ বলেন, ﺍﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﺷﺘﺮﻱ ﻣﻦ ﺍﻟﻤﻮﻣﻨﻴﻦ ﺍﻧﻔﺴﻬﻢ ﻭﺍﻣﻮﺍﻟﻬﻢ ﺑﺎﻥ ﻟﻬﻢ ﺍﻟﺠﻨﺔ،ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﺘﻮﺑﺔ، ١١١ (৪)আল্লাহর পথে দান করা অর্থ আল্লাহ সে সম্পদকে আল্লাহ ঋন হিসাবে গ্রহন করেন, আল্লাহ তা কয়েকগুন বেশী ফেরৎ দেবেন। আল্লাহ বলেন, ﻣﻦ ﺫﺍﻟﺬﻱ ﻳﻘﺮﺽ ﺍﻟﻠﻪ ﻗﺮﺿﺎ ﺣﺴﻨﺎ ﻓﻴﻀﺎﻋﻔﻪ ﻟﻪ ﻭﻟﻪ ﺍﺟﺮﻛﺮﻳﻢ ،ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﺤﺪﻳﺪ، ١١ (৫) বিজয়ের পুর্বে দান করা আর বিজয়ের পরের দান করার মধ্যে মার্যাদার অনেক পার্থক্য আছে। বিজয়ের পুর্বে দানের মার্যাদা অনেক বেশী। আল্লাহ বলেন, ﻻﻳﺴﺘﻮﻱ ﻣﻨﻜﻢ ﻣﻦ ﺍﻧﻔﻖ ﻣﻦ ﻗﺒﻞ ﺍﻟ...

রাসুলুল্লাহ সাঃ সর্বদা নিজের কাজ নিজে করতেন

Image
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম সর্বদা নিজের কাজ নিজে করতেন মুহাদ্দিস রবিউল বাশার    আদর্শ আত্মনির্ভরশীল অন্যতম মানুষ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)।তিনি নিজের কাজ নিজে করতে লজ্জা করতেন না। আধুনিকতার ছোঁয়ায় নিজের কাজ নিজে করতে লজ্জায় মাথা নীচু হয়ে যায়। যে জাতির লোকেরা নিজের নিজে করে আনন্দ অনুভব করে, সে জাতি উন্নত। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নিজের উম্মাহকে আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসাবে গড়ে তোলার জন্য চেষ্টা করেছেন।তিনি বলেছেন ,তোমার ছড়ি যদি ঘোড়ার পিঠে থাকতে পড়ে যায় ,তবে কারো নিকট চেয়ে তুলে নেবে না ! নিজেও আত্মনির্ভরশীলতার আদর্শ রেখেছেন। (ক) ﻋﻦ ﻋﺎﺋﺸﺔ ﺭﺽ ﻗﺎﻟﺖ ﻛﺎﻥ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻌﻢ ﻳﺨﺼﻒ ﻧﻌﻠﻪ ﻭﻳﺨﻴﻂ ﺛﻮﺑﻪ ﻭﻳﻌﻤﻞ ﻓﻲ ﺑﻴﺘﻪ ﻛﻤﺎﻳﻌﻤﻞ ﺍﺣﺪﻛﻢ ﻓﻲ ﺑﻴﺘﻪ ﻭﻗﺎﻟﺖ ﻛﺎﻥ ﺑﺸﺮﺍ ﻣﻦ ﺍﻟﺒﺸﺮ ﻳﻔﻠﻲ ﺛﻮﺑﻪ ﻭﻳﺤﻠﺐ ﺷﺎﺗﻪ ﻭﻳﺨﺪﻡ ﻧﻔﺴﻪ ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ অর্থ হযরত আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নিজের জুতা নিজে সিলাই করতেন, পট্টি লাগাতেন। নিজের কাপড় সিলাই করতেন। তোমাদের কেহ যেমন নিজের ঘরে করে, তেমনি তিনি নিজের ঘরে কাজ করতেন। হযরত আয়েশা (রাঃ) আরো বলেন, তিনি মানুষের মধ্যকার একজন মানুষ ছিলেন। তিনি নিজের কাপড়ে পোকা -মাকড় লেগেছে কিনা নজর ...

আচার -ব্যবহারে রাসুলুল্লাহঃ সা ছিলেন শ্রেষ্ঠ আদর্শ

Image
রাসুলুল্লাহ সাঃ ছিলেন উত্তম আচার -ব্যবহার কারী। মুহাদ্দিস রবিউল বাশার    আদর্শ মানব বিশ্বনাবী ও শ্রেষ্ঠরাসূল মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মানববিক গুন, আচরন ও ব্যবহার মানুষের মন আকর্ষন করে। এমনকি শত্রুহনন মনও জয় করতে পারে। মানুষকে যেমন দৈহিক কাঠামো ও আকল-বিবেক দিয়ে সৃষ্টির সেরা করা হয়েছে, অনুরুপ মানবিক আচরন ও ব্যবহার না থাকলে পশুর চেয়েও অধম হয়ে যায়। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আচরন ওও বব্যবহারে শ্রেষ্ঠ আদর্শ ব্যক্তিত্ব। নিম্মে আদর্শ স্থানীয় আচরন ও ব্যবহার তুলে ধরা হলো। (ক) মুচকি হাসিতে মানুষের মন কেড়ে নেয়। গম্ভীর মেজায মানুষের মনে ক্ষতের সৃষ্টি করে। গুরু -গম্ভীর মেজায রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর ছিল না। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নিজেই বলেছেন, ﺍﻥ ﺗﻠﻘﻲ ﺍﺧﺎﻙ ﺑﻮﺟﻪ ﻃﻠﻴﻖ ﺻﺪﻗة অর্থ : তুমি তোমার  ভাইয়ের সাথে হাস্যোজ্জল মুখে সাক্ষাত করা সাজদাকারীকে তুল্য। (মিশকাত) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ব্যপারে হাদীসে আছে, ﻋﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻦ ﺍﻟﺤﺎﺭﺙ ﺑﻦ ﺟﺰﺀ ﻗﺎﻝ ﻣﺎ ﺭﺍﻳﺖ ﺍﺣﺪﺍ ﺍﻛﺜﺮ ﺗﺒﺴﻤﺎ ﻣﻦ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻌﻢ ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ অর্থ আবদুল্লাহ বিন আল -হারিস বিন জুয (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) চেয়ে অধিক মুচকি হাসতে আর কাউকে দেখিনি। (তিরমিযী) (খ...

শ্রেষ্ঠতম দানশীল ব্যাক্তি ছিলেন মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ

Image
শ্রেষ্ঠতম দানশীল ব্যাক্তি ছিলেন  মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম লেখকঃ মুহাদ্দিস বরিউল বাশার    *** আল্লাহ তায়ালা অধিক দানশীল। তাঁর শ্রেষ্ঠতম প্রতিনিধি প্রিয়নাবী মুহাম্মাদ (সাঃ)সম্পর্কে বর্নিত আছে " ﻛﺎﻥ ﺍﺟﻮﺩ ﺍﻟﻨﺎﺱ "অর্থাৎ তিনি (রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মানুষের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দানশীল ছিলেন। (সহীহ আল -বুখারী, ওহী অধ্যায়) আরবীতে দানশীল বুঝাতে দুটি শব্দ ব্যবহৃত হয়। যথা(১)সাখাওয়াত (২)যূদ। প্রয়োজনে ও অপ্রয়জনে সম্পদ দান করাকে সাখাওয়াত (দানশীলতা) বলে। পক্ষান্তরে যার যে পরিমান যে জিনিষ দরকার, তাকে সে পরিমান সে জিনিষ দেয়াকে আরবীতে"যূদ" বলে। শুধু সম্পদ নয়। কারো একটি নিদ্দিষ্ট পরিমান সম্পদ দরকার, কারো নিদ্দিষ্ট পরিমান ইলম বা জ্ঞান দরকার, কারো পোষাক দরকার, কারো খাদ্য দরকার, যার যা দরকার তাই দেয়া, যে পরিমান দরকার যার, সে পরিমান দিতেন তার। এইজন্য তাকে "আযওয়াদ " (অধিক দানশীল)বলা হয়েছে। *** ﻋﻦ ﺍﻧﺲ ﺭﺽ ﺍﻥ ﺭﺟﻼ ﺳﺎﻝ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻌﻢ ﻏﻨﻤﺎ ﺑﻴﻦ ﺟﺒﻠﻴﻦ ﻓﺎﻋﻄﺎﻩ ﺍﻳﺎﻩ ﻓﺎﺗﻲ ﻗﻮﻣﻪ ﻓﻘﺎﻝ ﺍﻯ ﻗﻮﻡ ﺍﺳﻠﻤﻮﺍ ﻓﻮﺍﻟﻠﻪ ﺍﻥ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﻟﻴﻌﻄﻲ ﻋﻄﺎﺀ ﻣﺎﻳﺨﺎﻑ ﺍﻟﻔﻘﺮ ﺭﻭﺍﻩ ﻣﺴﻠﻢ অর্থ হযরত আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিত...

গীবত করার কুফল ( একটি শিক্ষনীয় ঘটনা)

Image
একটি শিক্ষনীয় ঘটনা রাসুল সাঃ এর যুগের ঘটনা। দুজন মহিলা রোযা রেখেছিলো, রোযা অবস্থায় তারা পরস্পর গল্প গুজবে লিপ্ত হলো, এক পর্যায়ে তারা গীবত (পরনিন্দা) করা শুরু করে দিলো। কিছুক্ষণ পরে এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাঃ খেদমতে এসে আরজ করলো, হে আল্লাহর রাসুল সাঃ দুজন মহিলা রোযা রেখেছিলো, তাদের অবস্থা খুবই খারাপ, তারা পিপাসায় ছটফট করছে, মনে হয় এখনই মারা যাবে । রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন তাদের কে আমার কাছে নিয়ে আসো। ইতোমধ্যে আল্লাহর পক্ষ থেকে অহীর মাধ্যমে জানতে পারলেন মহিলা দুজন গীবতে লিপ্ত ছিলো। মহিলা দুজন কে রাসুল সাঃ এর দরবারে হাজির করা হলো। রাসুল সাঃ দেখলেন তাদের অবস্থা সত্যিই খুব খারাপ । রাসুল সাঃ বললেন, একটি বড় পাত্র নিয়ে আসো,পাত্র আনা হলো । রাসুল সাঃ মহিলা দুজনের একজন কে আদেশ দিলেন পাত্রটিতে বমি করতে। মহিলা যখন বমি করলো, দেখা গেলো অবাক কান্ড!!!! বমির সাথে রক্ত, পুজ এবং গোশতের টুকরা উগলে পড়ছে । এরপর দ্বিতীয় মহিলাকে একই নির্দেশ দেওয়া হলো, সে ও রক্ত, পুজ ও দুর্গন্ধ যুক্ত গোশত বমি করছে। এক পর্যায়ে পাত্র টি ভরে গেলো। এবার রাসুল সাঃ তাদের কে লক্ষ্য করে বললেন এসব তোমাদের ভাই_বোনের গোশত যা তোমরা রোযা অবস্থ...

আল্লাহ কেন এমন করলো? আল্লাহ থাকলে এসব কী করে হয়?

Image
“আল্লাহ আমাকে কেন বানিয়েছে? আমি কি আল্লাহকে বলেছিলাম আমাকে বানাতে? আল্লাহ আমাকে পৃথিবীতে পাঠাবার আগে আমাকে জিজ্ঞেস করল না কেন আমি এরকম জীবন চাই কিনা?“ যারা এধরনের প্রশ্ন করে তাদেরকে আপনি যদি একটা যুক্তিযুক্ত উত্তর দেনও, সাথে সাথে তারা প্রশ্ন করবেঃ “আল্লাহ কেন আমাকে এতো কষ্টের জীবন দিল, যেখানে অন্যরা কত শান্তিতে আছে? আমি কি বলেছিলাম আমাকে এতো কষ্ট দিতে?” আপনি যদি ব্যাখ্যা করেন কিভাবে ক্যাপিটালিস্ট অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এমন ভাবে বানানো হয়েছে যে, কেউ ধনী হলে সে অন্য অনেক মানুষকে গরীব বানিয়ে ছাড়বেই, তখন তারা এই ধরণের প্রশ্ন করা শুরু করবেঃ “আল্লাহ আমাকে মেয়ে বানালো কেন, আমিতো মেয়ে হতে চাইনি? আল্লাহ আমাকে কালো কিন্তু অন্যদেরকে ফর্সা বানাল কেন, এটা তো ঠিক হল না? আমি খাট কেন, লম্বা না কেন? আমার কপালে এরকম শয়তান স্বামী পড়ল কেন? আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ি, রোযা রাখি, কোনদিন ঘুষ খাইনি, কিন্তু তারপরেও আমার ক্যান্সার হল কেন?” এই ধরনের “আমি, আমার, আমাকে” প্রশ্নগুলোর উত্তর পাবার পর তারা চলে যাবে আরও জটিল সব ঘটনায়ঃ “সত্যিই যদি আল্লাহ থাকে তাহলে পৃথিবীতে এতো দুঃখ, কষ্ট কেন? মুসলমানরা কেন আজকে সবচেয়ে দুর...