একটু দয়া আর ভালবাসা ( শিক্ষনীয় ঘটনা)
বিয়ের পর একুশ বছর কেটে গিয়েছে। তিন সন্তানের বাবা এখন আমি। ব্যবসা আর ঘর-সংসার এই নিয়েই নিত্য ব্যস্ততা। বন্ধুদেরও এখন আর খুব একটা সময় দেওয়া হয় না। শত ব্যস্ততার পরেও নিয়মমত আমার মাকে আমি সময় দিতাম। স্ত্রী- সন্তানদের নিয়ে মাকে দেখতে যাওয়া, ফোন করে নিয়মিত খোঁজ-খবর নেওয়া, এসবে ভুল হত খুব কমই। সৃষ্টিকর্তা এ পৃথিবীটাকে ঘিরে দিয়েছেন মমতা আর সৌন্দর্যের এক সুবিশাল মোড়কে। আমাদের উপহার দিয়েছেন মমতাময় সুন্দর এক জীবন আর ভালবাসার প্রচন্ড ক্ষমতা। এই প্রচন্ড সৌন্দর্যের শ্রেষ্ঠ উদাহরণ --মা। আর ভালোবাসার ক্ষমতার সবটুকু উজাড় করে দেবার সবচাইতে বেশি হকদারও এই ‘মা’। ব্যাপারটা আমি বেশ ভালো করেই বুঝতাম। তবুও আমি ব্যবসা-বানিজ্য নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরলাম। মায়ের সাথে যোগাযোগ কমে গেল। দেখা হয় না অনেকদিন। ফোন করি। তবে আগের মতো নিয়মিত না। সপ্তাহে একবার কি দুবার। হঠাৎ একদিন মনে হলো মায়ের প্রতি অবহেলা করে ফেলছি না তো? সাথে সাথে মাকে ফোন করলাম -- মা! চলো রাতে দুজনে একসাথে খেতে যাই। আকস্মিক ফোন পেয়ে মা চমকে উঠলেন। এভাবে কখনো তাকে নিয়ে বাইরে খেতে যাইনি। তিনি ভাবলেন, হয়তো কোনো বিপদে পড়েছি। স্মিত হেসে আশ্বস্ত করলাম-- আল্লাহর রহ...