Posts

Showing posts with the label পর্ণোগ্রাফি

বিপদে দোয়া কবুল ঘটনা ১

একদা হযরত ওমর ফারুক (রা:) একদা হযরত ওমর ফারুক (রা:) মদীনার কোন এক গলিপথ দিয়ে হেঁটে চলছিলেন। হঠাৎ একটি যুবকের প্রতি তাঁর দৃষ্টি পড়ে গেল। সে তার পরিহিত বস্ত্রের নীচে একটি বোতল লুকিয়ে রেখেছিল। হযরত ওমর (রা:) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে যুবক! তুমি তোমার বস্ত্রের নীচে কি ঢেকে রেখেছ ? বোতলটি মদ ভর্তি ছিল; সুতরাং যুবকটি জবাব দিতে ইতস্তত: করছিল; কিন্তু সে তখন আত্ম অনুশোচনায় ও ভয়-ভীতিতে বিহবল অবস্থায় আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করল: হে মাবুদ ! আমাকে তুমি খলিফা ওমর (রা:) এর সামনে লজ্জিত করো না।তাঁর কাছ থেকে ত্রুটি ও অপরাধ গোপন রাখ। আমি তোমার নিকট খাঁটি তওবাহ করছি এবং এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, জীবনে আর কোনদিনই আমি মদ স্পর্শ করবো না। এরুপ তওবাহ করার পরক্ষণেই যুবক হযরত ওমর (রা:) এর প্রশ্নের জবাব দিল যে, হে খলিফা! আমার কাছে এটি একটি সিরকার বোতল; কিন্তু খলিফা তার কথায় পূর্ণ আস্থা না এনে বোতলটি দেখতে চাইলেন। তাঁর ইচ্ছানুযায়ী তখন বোতলটি তার সামনে পেশ করা হল।দেখা গেল যে, বোতলটি মধ্যে সত্যিই সিরকা ভর্তি রয়েছে। কেউ এভাবে ভীত মনে কোন লজ্জাজনক ও পাপকাজ থেকে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানালে এবং খাঁটি তাওবাহ করে নিলে আল্...

ডাক্তার যদি রোযা রাখতে নিষেধ করে!!

প্রশ্নঃ (৪০১) জনৈক মহিলা কঠিন রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে ডাক্তারগণ তাকে রোযা রাখতে নিষেধ করেছে। এর বিধান কি? উত্তরঃ আল্লাহ্ বলেন, ] ﺷَﻬْﺮُ ﺭَﻣَﻀَﺎﻥَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﻓِﻴﻪِ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥُ ﻫُﺪًﻯ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ ﻭَﺑَﻴِّﻨَﺎﺕٍ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻬُﺪَﻯ ﻭَﺍﻟْﻔُﺮْﻗَﺎﻥِ ﻓَﻤَﻦْ ﺷَﻬِﺪَ ﻣِﻨْﻜُﻢْ ﺍﻟﺸَّﻬْﺮَ ﻓَﻠْﻴَﺼُﻤْﻪُ ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﺃُﺧَﺮَ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻴُﺴْﺮَ ﻭَﻟَﺎ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻌُﺴْﺮَ [ রামাযান হচ্ছে সেই মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কুরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়াত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট পথনির্দেশ। আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ অথবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে, সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করে নিবে। আল্লাহ্ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য কঠিন কামনা করেন না।(সূরা বাক্বারাঃ ১৮৫) মানুষ যদি এমন রোগে আক্রান্ত হয় যা থেকে সুস্থ হওয়ার কোন আশা নেই। তবে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকীনকে খাদ্য খাওয়াবে। খাদ্য দেয়ার পদ্ধতি হচ্ছে, মিসকীনকে পরিমাণমত চাউল প্...

রোযা ভঙ্গের গ্রহণ যোগ্য কারণ কি কি

প্রশ্নঃ (৩৯৮) রোযা ভঙ্গের গ্রহণযোগ্য কারণ কি কি? উত্তরঃ রোযা ভঙ্গের কারণ সমূহ হচ্ছেঃ ১) অসুস্থতা, ২) সফর। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ্ বলেন, ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﺃُﺧَﺮَ আর যে ব্যক্তি অসুস্থ হবে অথবা সফরে থাকবে (সে রোযা ভঙ্গ করে) অন্য দিনে তা কাযা আদায় করে নিবে।(সূরা বাক্বারাঃ ১৮৫) ৩) গর্ভবতী নারীর নিজের বা শিশুর জীবনের আশংকা করলে রোযা ভঙ্গ করবে। ৪) সন্তানকে দুগ্ধদানকারীনী নারী যদি রোযা রাখলে নিজের বা সন্তানের জীবনের আশংকা করে তবে রোযা ভঙ্গ করবে। ৫) কোন বিপদগ্রস্ত মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে রোযা ভঙ্গ করা: যেমন পানিতে ডুবন্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার, আগুন থেকে বাঁচাতে গিয়ে দরকার হলে রোযা ভঙ্গ করা। ৬) আল্লাহ্র পথে জিহাদে থাকার সময় শরীরে শক্তি বজায় রাখার জন্য রোযা ভঙ্গ করা। কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের সময় ছাহাবীদেরকে বলেছিলেন, ﺇِﻧَّﻜُﻢْ ﻣُﺼَﺒِّﺤُﻮ ﻋَﺪُﻭِّﻛُﻢْ ﻭَﺍﻟْﻔِﻄْﺮُ ﺃَﻗْﻮَﻯ ﻟَﻜُﻢْ ﻓَﺄَﻓْﻄِﺮُﻭﺍ আগামীকাল তোমরা শত্রুর মোকাবেলা করবে, রোযা ভঙ্গ করলে তোমরা অধিক শক্তিশালী থাকবে, তাই তোমরা রোযা ভঙ্গ কর।[6] বৈধ কোন কারণে...

লেখা-পড়া শেষ করে বিয়ে করার বিষয়ে ড. বেলাল ফিলিফস্ যা বললেন।

Image
পড়াশোনা শেষ করে তবেই বিয়ে করার সংস্কৃতি। বিলাল ফিলিপস যা বলেছেন এক. "বয়সে যারা নবীন তাদেরকে তাদেরই মতন নবীনদের বিয়ে করতে উৎসাহিত করা হয়েছে।  দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বর্তমান মুসলিম বিশ্বে  সন্তানদেরকে বলা হয় তাদের পড়াশোনা আগে  শেষ করতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি, অন্যান্য ডিগ্রি  ইত্যাদি শেষ করে তারপর বিয়ে করতে। এই  কারণে অনেক সন্তানকে তাদের জীবনের  সবচাইতে কঠিন সময়টা অবিবাহিত অবস্থায় পার করতে  হয়। যখন তারা ত্রিশের কাছাকাছি পৌঁছে, তখন তারা বিয়ে  করে। তাহলে ১৩ থেকে ৩০ বছরের এই প্রায় বিশটি বছর কী ঘটে? কী হয় তাদের জীবনে?  আর এই ভুলের জন্য দায়ী কে? প্রাথমিকভাবে,  এটা বাবা-মায়ের দোষ। যখন সন্তানরা বয়ঃসন্ধিতে  পৌঁছে যায় এবং শারীরিকভাবে সাবালক হয় তখন  তাদের সকল কাজের দায়ভার অবশ্যই তারাই বহন  করে, কিন্তু বাবা-মায়েরাও তাদের এই বিশাল পাপের  ভাগীদার হয় তাদেরকে এই অবস্থাটি থেকে মুক্তি  পেতে সাহায্য না করার জন্য।" --- ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপস♠ দুই. "বর্তমান সময়ে ২০-২২ বছরের কোন যুবক যদি  বিবাহ করতে চাই তাহলে সমাজ বলবে ছেলেটার  লাজ-লজ্জা সব গেল । কিন্তু ২০-২২ বছরের কোন যুবক কে পার্কে/রিক্সায় ক...

অন্যের সাথে কথা বলার ১৬ টি শিষ্টাচার

Image
কিছু বিধিমালা প্রণয়ন করেছে যেগুলো একজন মুসলিমের মেনে চলা উচিত, সর্বদা এই দৃঢ়চিত্ত বিশ্বাস রাখা উচিত যে সে যা কিছু বলে তার জন্য জবাবদিহিতা করতে হবে এবং ভালো কথার জন্য সে পুরস্কৃত হবে ও মন্দ কথার জন্য শাস্তি পাবে। সূরা ক্বাফের ১৮ নং আয়াতে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন বলেন যার অর্থটা এরকম, “(ক্ষুদ্র) একটি শব্দও সে উচ্চারণ করেনা, যা সংরক্ষণ করার …জন্য একজন সদা সতর্ক প্রহরী তার পাশে নিয়োজিত থাকে না।” রাসূল (সাঃ) আমাদেরকে সতর্ক করেছেন এই বলে যে কথা খুবই বিপজ্জনক। তিরমিযী এবং ইবনে মাজাহর রেওয়াতে বর্ণিত একটি সহীহ্ হাদীসে রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ “একজন ব্যক্তি এমন কোন কথা বলতে পারে যা আল্লাহর নিকট পছন্দনীয়, এবং সে এই বিষয়ে খুব একটা চিন্তা করে না কিন্তু আল্লাহ্ সুবহানাওয়া তা’আলা সেটার গুরুত্ব দেন আর সেই কথার জন্য শেষ বিচারের দিনে তার ওপর সন্তুষ্ট হন। এবং একজন ব্যক্তি এমন কোন কথা বলে যে সেটা আল্লাহর নিকট অপছন্দনীয় কিন্তু সে এ বিষয়ে গুরুত্ব দেয় না কিন্তু আল্লাহ্ সুবহানাওয়া তা’আলা শেষ বিচারের দিবসে তার প্রতি ক্রোধান্বিত হবেন।” কথাবার্তা বিপজ্জনক হতে পারে। তাই আমরা সেটা ইসলামিক বিধিমালা, আল্লাহ্ ও ...

মিথ্যা কথা বলে আনন্দ করা, কৌতুক করা, কাউকে হাসানো??

Image
মিথ্যা কথা বলা ইসলামে সবচেয়ে নিকৃষ্ট হারাম গোনাহগুলির অন্যতম । মিথ্যা বলা মুনাফিকের অন্যতম চিহ্ন। মিথ্যা সর্বাবস্থায় হারাম। সবচেয়ে জঘন্যতম মিথ্যা হলো আল্লাহ বা তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামে, হাদীসের নামে বা ধর্মের নামে মিথ্যা বলা। এরপর জঘন্য মিথ্যা হলো মিথ্যার মাধ্যমে কোনো মানুষের অধিকার নষ্ট করা, সম্পদ দখল করা বা মিথ্যা কথা বলে কিছু বিক্রয় করা। বিভিন্ন হাদীসে এরূপ কর্মের জন্য কঠিন অভিশাপ ও কঠিন শাস্তির কথা বলা হয়েছে। ইসলামে হাসি-মস্করা, আনন্দ ও বিনোদনকে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। কিন্ত সে জন্য মিথ্যা বলা বৈধ করা হয় নি। রাসূলুল্লাহ  নিজে হাঁসি-মস্করা করতেন, কিন্তু মিথ্যা পরিহার করতেন। এক বৃদ্ধাকে বলেন, কোনো বুড়ো মানুষ তো জান্নাতে যাবে না। এতে বেচারী কান্নাকাটি শুরু করে। তখন তিনি বলেন, বুড়োবুড়িকে আল্লাহ জোয়ান বানিয়ে জান্নাতে দিবেন। অপর একব্যক্তি তাঁর কাছে এসে সফরের জন্য একটি উট চান। তিনি বলেন, তোমাকে আমি একটি উটনীর বাচ্চা দিব। লোকটি হতাশ হয়ে বলে, বাচ্চাতে আমার কি হবে? তিনি বলেন, সকল উটই তো উটনীর বাচ্চা। এরূপ অনেক ঘটনা হাদীসে রয়েছে। সাহাবীগণও হাসি- মস্করা করতেন, তবে মিথ্যা ব...

হস্তমৈথুন করা থেকে দুরে থাকুন, ইসলামী শরীয়তে হারাম

Image
ইসলামের দৃষ্টিতে এটা হারাম এবং কবীরা গুনাহ।শরীয়ত অনুযায়ী যারা হস্তমৈথুন করে তারা সীমালঙ্ঘনকারী। হস্তমৈথুনের কারণে দুই ধরনের সমস্যা হয় (১)মানসিক সমস্যা। (২) শারীরিক সমস্যা। পুরুষ হস্তমৈথুন করলে প্রধান যে সব সমস্যায় ভুগতে পারে তারমধ্যে একটি হল নপুংসকতা (Impotence) । অর্থাৎ ব্যক্তি যৌন সংগম স্থাপন করতে অক্ষম হয়ে যায়। আরেকটি সমস্যা হল অকাল বীর্যপাত (Premat ure Ejaculation)। অর্থাৎ খুব অল্প সময়ে বীর্যপাত ঘটে।ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয়। বৈবাহিক সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয় না। আরো একটি সমস্যা হল, বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায়। তখন বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যাহয় ২০মিলিয়নের কম। [২ কোটি]। যার ফলে সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতার দেখা দেয়। একজন পুরুষ যখন স্ত্রী গমন করেন তখন তার থেকে যে বীর্য বের হয় সে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ৪২ কোটির মত। স্বাস্থ্যবিজ্ঞান মতে কোন পুরুষের থেকে যদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু বের হয় তাহলে সে পুরুষ থেকে কোন সন্তান হয় না। অতিরিক্ত হস্তমৈথুন পুরুষের যৌনাঙ্গকে দুর্বল করে দেয়। আর শরীরের অন্যান্যযেসব ক্ষতি হয়। পুরো শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং শরীর রো...

আধুনিক যাতায়াত ব্যবস্থা মুসাফিরের রোযা রাখার বিধান

Image
আধুনিক যুগের যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত ও আরাম দায়ক হওয়ার কারণে সফর অবস্থায় রোযা রাখা মুসাফিরের জন্য কষ্টকর নয়। এ অবস্থায় রোযা রাখার বিধান কি? উত্তরঃ মুসাফির রোযা রাখা ও ভঙ্গ করার ব্যাপারে ইচ্ছাধীন। আল্লাহ্ বলেন, ] ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﺃُﺧَﺮَ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻴُﺴْﺮَ ﻭَﻟَﺎ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻌُﺴْﺮَ [ আর যে লোক অসুস্থ অথবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে, সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করে নিবে।(সূরা বাক্বারাঃ ১৮৫) ছাহাবায়ে কেরাম নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সাথে সফরে থাকলে কেউ রোযা রাখতেন কেউ রোযা ভঙ্গ করতেন। কোন রোযা ভঙ্গকারী অপর রোযাদারকে দোষারোপ করতেন না, রোযাদারও রোযা ভঙ্গকারীকে দোষারোপ করতেন না। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ও সফর অবস্থায় রোযা রেখেছেন। আবু দারদা (রাঃ) বলেন, একদা রামাযান মাসে কঠিন গরমের সময় আমরা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সাথে সফরে ছিলাম। তখন আমাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবদুল্লাহ্ বিন রাওয়াহা ছাড়া আর কেউ রোযা রাখে নি।[12] মুসাফিরের জন্য মূলনীতি হচ্ছে, সে রোয...

দুগ্ধদানকারী মহিলার রোযা রাখার হুকুম কী?

Image
সন্তানকে দুগ্ধদানকারীনী কি রোযা ভঙ্গ করতে পারবে? ভঙ্গ করলে কিভাবে কাযা আদায় করবে? নাকি রোযার বিনিময়ে খাদ্য দান করবে? উত্তরঃ দুগ্ধদানকারীনী রোযা রাখার কারণে যদি সন্তানের জীবনের আশংকা করে অর্থাৎ রোযা রাখলে স্তনে দুধ কমে যাবে ফলে শিশু ক্ষতিগ্রস্থ হবে, তবে মায়ের রোযা ভঙ্গ করা জায়েয। কিন্তু পরবর্তীতে তার কাযা আদায় করে নিবে। কেননা এ অবস্থায় সে অসুস্থ ব্যক্তির অনুরূপ। যার সম্পর্কে আল্লাহ্ বলেন, ] ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﺃُﺧَﺮَ [ আর যে লোক অসুস্থ অথবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে, সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করে নিবে।(সূরা বাক্বারাঃ ১৮৫) অতএব রোযা রাখার ব্যাপারে যখনই বাধা দূর হবে তখনই কাযা আদায় করবে। চাই তা শীতকালে অপেক্ষাকৃত ছোট দিনে হোক অথবা সম্ভব না হলে পরবর্তী বছর হোক। কিন্তু ফিদ্ইয়া স্বরপ মিসকীন খাওয়ানো জায়েয হবে না। তবে ওযর যদি চলমান থাকে অর্থাৎ সার্বক্ষণিক রোযা রাখায় বাধা দেখা যায় যা বাধা দূর হওয়ার সম্ভবনা না থাকে, তখন প্রতিটি রোযার বদলে একজন করে মিসকীনকে খাওয়াবে।

চুরি করে প্রেম করা

Image
গুপ্ত প্রেম, যিনা, পরিবারের অমতে বিয়ে… Posted by IslamQABangla আসসালামু আলাইকুম, আমি একটা মেয়েকে পছন্দ করি । তার সাথে আমার অনেক ভাল সম্পর্ক। তার সাথে আমার শারীরিক সম্পর্ক ও আছে। আমারা দুজন বিয়ে করতে চাই। সে তার বাবাকে কথাটি বলেছে। এখন সে আমাকে বলছে তার বাবার কাছে বিয়ের প্রস্তাব করার জন্য। আমি বাপারটা আমার মা এর কাছে বলেছি। আমার মা বলছে মেয়ে টাকে ভুলে যাওয়ার জন্য। মা এর জন্য অনেক গুল কারন বলেছে যা আমার কাছে অযৌক্তিক মনে হয়। মা আমাকে বলছে মেয়ে টাকে ভুলে যেতে যা আমার কাছে যুক্তিপূর্ণ মনে হয় না। আর আমাকে এমনও বলা হয়েছে যে যদি মেয়েটির ফ্যামিলি কন্ডিশন ভাল হত, তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভাল হত তাহলে আমাকে নিশেধ করত না। কিন্তু মেয়ে টির একটি ভাল গুন হল সে নামাজ পরে। আমাকে ও নামাজ পড়তে উৎসাহিত করে। আমি জানি আমি মেয়ে টার সাথে যে মেলামেশা করেছি তা ইসলাম বিরোধী। এর জন্য আমাকে আল্লাহর কাছে মাফ চাইতে হবে। কিন্তু বিয়ের সাথে তো আমাদের এই মেলামেশার কোন সম্পর্ক নেই। এখন আমার প্রশ্ন গুলো হল: ১। আমি যদি মায়ের অমতে বিয়ে করি, আর যদি তিনি কষ্ট পান, তাহলে কি আমার গুনাহ্ হবে। ২। আর যদি গুনাহ্ ...

বাবা মা'র অমতে প্রেম

Image
বাবা-মার অমতে প্রেম… Posted by IslamQABangla ভাই আমি অনেক বড় সমস্যার মধ্যে আছি, আমি এই বিষয়টা কারো সাথে বলতে পারছি না। তাই আপনাদের দ্বারস্থ হলাম। আমি বাবা io-মার একমাত্র মেয়ে, আমার বড় দুই ভাই আছেন, আমার বাবা-মা আমাকে অনেক ভালবাসেন, আমিও তাদের অনেক ভালবাসি। আমি একটা ভুল করে ফেলেছি আর তা হচ্ছে, আমি তাদের অমতে একজনকে পছন্দ করে ফেলেছি এবং তাকে আমি জীবন সঙ্গী করতে চাই। আমার বাবার আর্থিক অবস্থা তাদের আর্থিক অবস্থার তুলনায় অনেক ভাল। তাই আমার বাব তার STATUS এ মিলে এমন ছেলের সাথে বিয়ে দিতে চাচ্ছে। আমি কি করব? আমি আমার মা-বাবাকে কষ্ট দিতে চাই না, আবার তাদের যুক্তিও আমি মেনে নিতে পারছি না। আমি আমার বাবা-মাকে বুঝাতে পারছি না কারণ তাদের মধ্যে এক ধরনের অহংকার জন্ম নিয়ে ফেলেছে। Please আমাকে একটা সমাধান দেন। আমি খুব উপকৃত হব। সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্র জন্য। প্রথমত আপনার জানা উচিত, পর পুরুষের সাথে নির্জনতা অবলম্বন করে কথা বলা বা অন্য কিছু করা হারাম। তাই আপনি যদি তার সাথে প্রেম করে থাকেন, তা কোন পবিত্র সম্পর্ক নয় এবং তা ফিতনার কারন যা কবিরা গুনাহ পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে বা তারও বেশি। আর যদি ত...

হালাল প্রেম ও হারাম প্রেম : কাছে আসার গল্প

Image
হারাম প্রেম বনাম হালাল বিয়ে এবং কাছে আসার গল্প . যারা হারাম সম্পর্ক প্রেম করে, তাদের মাঝে সারাক্ষণ একটা চোর-চোর ভাব থাকে। তারা অচেনা ছেলের/মেয়ের সাথে আজেবাজে সময়ে বেড়ায়, রিকসায় চড়ে যা-তা করে, ফাস্টফুডে ঢুকে লুকিয়ে থাকে, ফোনে আরো অনেকের সাথে আলাপ করে। কেউ সন্দেহ করে কিছু বললেই তাদের টেনশন হয়। প্রেমিক বা প্রেমিকার নামে কেউ কুৎসা বললে তাদের বিশ্বাস হয়ে যায় কেননা তারা নিজেরাই তো একটা অন্যায় ও অশ্লীল আচরণ করছে। এভাবে সন্দেহ আর অশান্তি তাদের মনে গেঁড়ে যায় একদম। প্রেম যারা করে তাদের চরিত্রে তাই অস্থিরতা বেশি হয়, দৃঢ়তার অভাব হয়। যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় বিয়ে করে, তারা জানে প্রিয় মানুষটা সমস্ত দুনিয়ার ফিতনা থেকে বেঁচে থাকে, তার কাছে ফিরে তার সমস্ত আবেগ ভাগাভাগি করতে। তাদের প্রতিটি বাক্য আর খুনসুঁটি তাদের আত্মবিশ্বাস জাগায়। তাদের দু'জনার উপস্থিতিতে আনন্দ ভাগ করে নেয়ার সময়গুলোতে তারা জানে, এই মূহুর্তগুলো ইবাদাতের সমতূল্য কেননা তারা অন্যায় সমস্ত পথ থেকে দূরে থেকে আল্লাহর হালাল করে দেয়া উপায়ে আনন্দ উপভোগ করছেন... তাই, বিবাহপূর্ব প্রেমকে না বলুন। প্রেম থেকে দূরে থাকুন। নিজের চরিত্রকে সংরক্ষণ...

বিবাহ বহির্ভূত প্রেম ইসলামী শরিয়ত কী বলে?

Image
বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ইসলামী শরিয়তে জায়েজ নেই আজকাল পশ্চিমা বিশ্বের মতই আমাদের দেশেও নানাবিধ অশ্লিলতা ও চরিত্রহীনতা শিমা অতিক্রম করেছে । পশ্চিমা মিডিয়া ও পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত পার্শবর্তি দেশ গুলো মিডিয়ার (স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল,ইন্টারনেট) মাধ্যমে ব্যাপক সাংকৃতিক আগ্রাসন চালাচ্ছে । এর প্রভাব আমাদের দেশের মিড়িয়াতেও পড়েছে । আমাদের দেশের মিডিয়া (টিভি চ্যানেল) গুলোও এখন বিজাতিও ধাচে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে । নাচ-গান,সুন্দরী প্রতিযোগি,অবৈধ প্রেম-পরকিয়া ও যৌন শূড়শূড়ি সম্বলীত নাটক - সিনেমা ও বিজাতীয় রূস্মো-রেওয়াজ সম্প্রচারের মাধ্যমে শিশু-কিশোর,যুবক-যুবতি,বৌ-ঝি এমনকি বয়স্ক মানুষের মনে ধর্ম বিমূখতা ও চরম অশ্লিলতা,শিরকি,কূফরি__ ধ্যান-ধারনা ঢেলে দেওয়া হচ্ছে __________ যার বাস্তব প্রতিফলন আমরা রাস্তা-ঘাটে বের হলে দেখতে পাই । জন্তু-জানোয়ারের মত প্রকাশ্যে দিনের বেলায় যুবক-যুবতীদের অবাধ ও বাধভাঙা মেলা- মেশা এখন সবখানে দেখা যায় । হিন্দি আর কলিকাতার পরকিয়া আর বিকৃত যৌনাচার সম্বলীত নাটোক- সিরিয়াল দেখে এদেশের বৌ-ঝি'রাও যারপনাই অনুপ্রনিত ও হতবিহম্বল হয়ে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ছে । যুবকদের চরিত্র ধ্বংস করে ইভটি...

নারীর ফেতনা ভয়ঙ্কর Save your eyes

সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার জন্যে। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তাঁর পরিবারবর্গ এবং সাহাবাগণের উপর। সাধারণ ভাবে সকল মানুষ এবং বিশেষ ভাবে যুবক ও অবিবাহিতরা সবচেয়ে বড় যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, তাহলো অপরিচিতা মহিলার প্রতি দৃষ্টি প্রদান করা। তারা এই বিপদের সম্মুখীন সকল জায়গাতেই হচ্ছে। হাটে-বাজারে, হাসপাতালে, বিমানবন্দরে, এমন কি পবিত্র জায়গা গুলোতেও এ বিপদ থেকে মুক্ত নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: : ﻣَﺎ ﺗَﺮَﻛْﺖُ ﺑَﻌْﺪِﻱ ﻓِﺘْﻨَﺔً ﺃَﺿَﺮَّ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﺮِّﺟَﺎﻝِ ﻣِﻦْ ﺍﻟﻨِّﺴَﺎﺀِ “আমার পরে পুরুষের জন্যে মহিলাদের চেয়ে অধিক ক্ষতিকারক কোন ফিতনা রেখে যাই নি।” (বুখারী মুসলিম) তিনি আরও বলেছেন: ﺇِﻥَّ ﺍﻟﺪُّﻧْﻴَﺎ ﺣُﻠْﻮَﺓٌ ﺧَﻀِﺮَﺓٌ ﻭَﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣُﺴْﺘَﺨْﻠِﻔُﻜُﻢْ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻓَﻴَﻨْﻈُﺮُ ﻛَﻴْﻒَ ﺗَﻌْﻤَﻠُﻮﻥَ ﻓَﺎﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﺪُّﻧْﻴَﺎ ﻭَﺍﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻨِّﺴَﺎﺀَ ﻓَﺈِﻥَّ ﺃَﻭَّﻝَ ﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺑَﻨِﻲ ﺇِﺳْﺮَﺍﺋِﻴﻞَ ﻛَﺎﻧَﺖْ ﻓِﻲ ﺍﻟﻨِّﺴﺎﺀ “নিশ্চয়ই এই দুনিয়া হচ্ছে সবুজ-শ্যামল, সুমিষ্ট। আল্লাহ তা’আলা ইহাতে তোমাদেরকে খলীফা (প্রতিনিধি) নিযুক্ত করেছেন এই জ...

ভালোবাসার মোড়কে কামতাড়নার ও পর্ণোগ্রাফির এই শহর

ভালোবাসার মোড়কে কামতাড়নার ও পর্ণোগ্রাফির এই শহর আজকাল বাজারে ভালোবাসার ব্যাপক সংকট মনে হয়, নাকি পণ্য হিসেবে এর কাটতি বেশি কে জানে। ফেসবুকে ঢুকেই দেখি একটা স্পন্সর করা অ্যাড একটা পেইজের -- ভালোবাসি তাই ভালোবেসে যাই। নিম্নমানের গ্রাফিকসের একটা ছবি, তাতে LOVE লেখা। পেইজে ইংরেজি বাংলা নামকরণ এবং বন্ধনির ব্যবহারে ভুল দেখেও জ্ঞানের দৈন্যতা বোঝা যায় সুষ্পষ্ট। এই নিম্নরুচির বিজ্ঞাপণওয়ালাদের কথা বাদ দিলেও দীর্ঘদিন যাবত 'উচ্চমানের রুচিওয়ালাদের' টাকা দিয়ে চালানো AIRTEL কর্তৃক বিজ্ঞাপন 'আপনি কি মনে করে বন্ধু ছাড়া লাইফ ইম্পসিবল? তাহলে চলে আসুন আমাদের সাথে' টাইপের বিশ্রি বিজ্ঞাপণেও ভালোবাসা/বন্ধুত্ব সংকট প্রকৃষ্ট। শহরের সবখানেই ভালোবাসা। এই পণ্য বিক্রির চেষ্টা যাদের জন্য হয় তাতে বাচ্চারা থাকে, বৃদ্ধ- বৃদ্ধারাও। এসব ভালোবাসার নামের রং-ঢং ক্ষণিকেই কামাসক্তিতে পরিণণত হয়। একসময় সবখানে কেবল কামাসক্তি থাকে, ভালোবাসা পড়ে থাকে শব্দের খোলসে। নগ্ন বিলবোর্ডগুলো বেশ চটকদার। আগে দু'একটা ছিলো। ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড , আড়ং ইত্যাদি আগে চোখে পড়তো। নির্লজ্জ কি আর সবাই হয়। এখন ক্রেডিট কার্ডের বিজ্ঞাপনেও ...