ডাক্তার যদি রোযা রাখতে নিষেধ করে!!
প্রশ্নঃ (৪০১) জনৈক মহিলা কঠিন রোগে
আক্রান্ত হওয়ার কারণে ডাক্তারগণ তাকে
রোযা রাখতে নিষেধ করেছে। এর বিধান
কি?
উত্তরঃ আল্লাহ্ বলেন,
] ﺷَﻬْﺮُ ﺭَﻣَﻀَﺎﻥَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﻓِﻴﻪِ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥُ ﻫُﺪًﻯ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ
ﻭَﺑَﻴِّﻨَﺎﺕٍ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻬُﺪَﻯ ﻭَﺍﻟْﻔُﺮْﻗَﺎﻥِ ﻓَﻤَﻦْ ﺷَﻬِﺪَ ﻣِﻨْﻜُﻢْ ﺍﻟﺸَّﻬْﺮَ
ﻓَﻠْﻴَﺼُﻤْﻪُ ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ
ﺃُﺧَﺮَ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻴُﺴْﺮَ ﻭَﻟَﺎ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻌُﺴْﺮَ [
রামাযান হচ্ছে সেই মাস, যাতে নাযিল করা
হয়েছে কুরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়াত
এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট
পথনির্দেশ। আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে
পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের
মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ
মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ
অথবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে, সে অন্য
দিনে গণনা পূরণ করে নিবে। আল্লাহ্
তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের
জন্য কঠিন কামনা করেন না।(সূরা
বাক্বারাঃ ১৮৫)
মানুষ যদি এমন রোগে আক্রান্ত হয় যা থেকে
সুস্থ হওয়ার কোন আশা নেই। তবে
প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে
মিসকীনকে খাদ্য খাওয়াবে। খাদ্য দেয়ার
পদ্ধতি হচ্ছে, মিসকীনকে পরিমাণমত চাউল
প্রদান করা এবং সাথে মাংস ইত্যাদি
তরকারী হিসেবে দেয়া উত্তম। অথবা দুপুরে
বা রাতে তাকে একবার খেতে দিবে। এটা
হচ্ছে ঐ রুগীর ক্ষেত্রে যার সুস্থ হওয়ার
কোন সম্ভবনা নেই। আর নারী এ ধরণের
রোগে আক্রান্ত। তাই আবশ্যক হচ্ছে সে
প্রতিদিনের জন্য একজন করে মিসকীনকে
খাদ্য প্রদান করবে।
আক্রান্ত হওয়ার কারণে ডাক্তারগণ তাকে
রোযা রাখতে নিষেধ করেছে। এর বিধান
কি?
উত্তরঃ আল্লাহ্ বলেন,
] ﺷَﻬْﺮُ ﺭَﻣَﻀَﺎﻥَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﻓِﻴﻪِ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥُ ﻫُﺪًﻯ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ
ﻭَﺑَﻴِّﻨَﺎﺕٍ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻬُﺪَﻯ ﻭَﺍﻟْﻔُﺮْﻗَﺎﻥِ ﻓَﻤَﻦْ ﺷَﻬِﺪَ ﻣِﻨْﻜُﻢْ ﺍﻟﺸَّﻬْﺮَ
ﻓَﻠْﻴَﺼُﻤْﻪُ ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ
ﺃُﺧَﺮَ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻴُﺴْﺮَ ﻭَﻟَﺎ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻌُﺴْﺮَ [
রামাযান হচ্ছে সেই মাস, যাতে নাযিল করা
হয়েছে কুরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়াত
এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট
পথনির্দেশ। আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে
পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের
মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ
মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ
অথবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে, সে অন্য
দিনে গণনা পূরণ করে নিবে। আল্লাহ্
তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের
জন্য কঠিন কামনা করেন না।(সূরা
বাক্বারাঃ ১৮৫)
মানুষ যদি এমন রোগে আক্রান্ত হয় যা থেকে
সুস্থ হওয়ার কোন আশা নেই। তবে
প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে
মিসকীনকে খাদ্য খাওয়াবে। খাদ্য দেয়ার
পদ্ধতি হচ্ছে, মিসকীনকে পরিমাণমত চাউল
প্রদান করা এবং সাথে মাংস ইত্যাদি
তরকারী হিসেবে দেয়া উত্তম। অথবা দুপুরে
বা রাতে তাকে একবার খেতে দিবে। এটা
হচ্ছে ঐ রুগীর ক্ষেত্রে যার সুস্থ হওয়ার
কোন সম্ভবনা নেই। আর নারী এ ধরণের
রোগে আক্রান্ত। তাই আবশ্যক হচ্ছে সে
প্রতিদিনের জন্য একজন করে মিসকীনকে
খাদ্য প্রদান করবে।
Comments
Post a Comment