Posts

Showing posts with the label বিবাহ বিচ্ছেদ

নারীদের বিবাহের জন্যে ‘ওয়ালী’ বা অভিভাবক ও তার শর্তাবলী, অভিভাবকের বাঁধা ও করণীয়ঃ

নারীদের বিবাহের জন্যে ‘ওয়ালী’ বা অভিভাবক ও তার শর্তাবলী, অভিভাবকের বাঁধা ও করণীয়ঃ লিখেছেনঃ শায়খ আব্দুল্লাহিল আল-কাফী। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “(নারীদের জন্যে) ওয়ালী বা অভিভাবক ব্যতীত কোন বিবাহ নেই।” সুনানে তিরমিযীঃ ১১০১, সুনানে আবু দাউদঃ ২০৮৫; শায়খ আলবানী (রহঃ) হাদিসটিকে ‘সহীহ’ বলেছেন। তিনি আরো বলেন, “যে নারী নিজে নিজের বিবাহ সম্পন্ন করবে তার বিবাহ, বাতিল, বাতিল বাতিল। অভিভাবকরা যদি ঐ নারীর বিবাহে বাঁধা সৃষ্টি করে, তবে যার ওয়ালী নেই সুলতান বা শাসক তার ওলী বা অভিভাবক হবে।” মুসনাদে আহমাদ, তিরমিযীঃ ১১০২, আবু দাউদঃ ২০৮৩, ইবনে মাজাহ, মিশকাতঃ ৩১৩১। তাই কোন নারীর বিবাহের জন্য ‘ওয়ালী’ বা অভিভাবক আবশ্যক। অভিভাবক উপযুক্ত হওয়ার জন্য ৬টি শর্ত রয়েছেঃ (১) ‘আকল’ বা বিবেক সম্পন্ন হওয়া (পাগল হলে হবে না) (২) প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া (৩) স্বাধীন হওয়া (৪) পুরুষ হওয়া (বিবাহের ক্ষেত্রে কোন নারী অন্য একজন নারীর অভিভাবক হতে পারবে না) (৫) অভিভাবক ও যার অভিভাবক হচ্ছে উভয়ে একই দ্বীনের অনুসারী হওয়া। (কোন কাফের ব্যক্তি মুসলিম নারীর অভিভাবক হতে পারবে না। কোন মুসলিম কোন কাফের...

অনন্যার অরণ্যপ্রেম [ভালোবাসার অণুগল্প]।

Image
অনন্যার অরণ্যপ্রেম [ভালোবাসার অণুগল্প]। অনন্যা হঠাৎ এতটা বদলে যাবে আশা করিনি। ও সবসময়েই আমাকে পছন্দ করত, আর সেইটা বাড়াবাড়ি টাইপের পছন্দ ছিল। সেই পছন্দের সাথে মুগ্ধতা ছিল বলে মনে হত আমার। অনন্যাকে নিয়ে আমার অধিকার অনুভব করার ব্যাপার ছিল সেই স্কুলে পড়ার সময় থেকেই। আমার স্কুল ছুটি হত আগে, সে বাসায় ফেরার সময় আমি মাঝে মাঝে দরজা খুলে দাঁড়িয়ে যেতাম। সিঁড়িতে দিয়ে উঠার সময় আমার দিকে হাসি দিতো অনন্যা। ও হাসলে গালে টোল পড়ত, আমার সেইটা খুব পছন্দের ছিল। ক্লাস ফোরে উঠতেই আমাদের বাসা বদলে গেল। ওরা তখনো আগের বাসায় থাকে। অনেকদূর হেঁটে ওদের বাসায় যেতে হত। আমি যেতাম মাঝে মাঝেই। খালাম্মা আগের মতন আদর করত না টের পেতাম। আগে বাসায় গেলেই খুব আগ্রহ নিয়ে আমাকে স্কুলের প্রশ্ন করতেন, আম্মা আর ভাইয়া আপুদের কথা জিজ্ঞেস করতেন, পরে কেমন না দেখার ভান করতেন যেন। বুঝতে পারতাম তাল কেটে গেছে। বড় হতে হতে সব কিছু বুঝে যাতায়াতও কমিয়ে দিয়েছিলাম। কথাবার্তা কম হতে হতে একদিন ভুলেও গিয়েছিলাম ওর কথা। মাঝে মাঝে মনে হত, যখন কবিতা পড়তাম। রবীন্দ্রনাথের কবিতা পড়েছিলাম ক্ষণমিলন — “মূহুর্ত আলোকে কেন হে অন্তরতম, ...

চারপাশে সংসার ভাঙ্গনের জোয়ার !

Image
চারপাশে সংসার ভাঙ্গনের জোয়ার ! খুব কষ্ট ও ভয় হয় আজ চারপাশে সংসার ভাঙ্গনের জোয়ার দেখে... ইসলামকে মেনে চলেন না এমন এক পরিচিত ভাই প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন প্রায় দশ বছর আগে। সে আমলের চারপাশ কাঁপানো প্রেমিক-প্রেমিকা জুটি। আন্ডারগ্র্যাড শেষ করার আগেই তারা বিয়ে করেন, সংসারের প্যাঁচে পড়েই হয়ত, দু'জনার কেউ সেই ডিগ্রির বৈতরনী পার হতে পারেননি। স্বামী ও স্ত্রী যথাক্রমে ব্যবসায় এবং চাকুরিতে নেমে পড়েছিলেন সেই যোগ্যতা থেকেই। পরবর্তীতে দশ বছর বয়সী সন্তানটিকে বাপের কাছে রেখে মা এখন আলাদা থাকেন। মা এখন চাকুরিজীবী। ঐ ডিগ্রি নিয়ে কী চাকুরি করেন তা ঠিক জানা সম্ভব হয়নি। বাপ ছেলেকে নিয়ে নিকটাত্মীয়দেরকে যথেষ্টই যন্ত্রণায় রেখেছেন। একটি পুরুষ ও নারীর যন্ত্রণায় এখন সমগ্র দু'টি পরিবার। বিয়ে ও সম্পর্কের বিষয়গুলো কখনই সিনেমার মতন নয়। প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আপনারা কল্পনাতেও বাস্তবতাকে মুভির মতন করে যেন না ভাবেন। জীবনের বাস্তবতায় গোলাপ ফুলের সুঘ্রাণ নিয়ে সাহিত্যিক ও রোমান্টিক আলাপের সুযোগ না হলেও আদা ও রসুন-বাটার ঘ্রাণে ডুবে থাকতেই হয় একজন নারীকে। স্ত্রীকে সাথে নিয়ে পাহাড়ে-নদীতে ঘুরতে না পারলেও বাজারের ব্যাগের সা...

বিবাহ বিচ্ছেদ।

Image
বিবাহ বিচ্ছেদ। ফেসবুকে শেয়ার দেওয়া ইউ টিউবে upload করা NTV এর একটি প্রতিবেদন দেখে কিছুটা শঙ্কার জন্ম নিল মনের মাঝে। প্রতিবেদনটিতে DCC এর statistics এ দেখানো হল গত বছর প্রায় ৯০০০ শিক্ষিত বিবাহিত নারী পুরুষের বিবাহ বিচ্ছেদ আবেদন জমা পড়ে । এর মাঝে ৬০০০ - ই নারীদের করা । বাঁকি ৩০০০ বিচ্ছেদ ঘটে পুরুষদের ইচ্ছায় যেখানে ২০০৪ সালে আবেদন জমা পড়ে মোট ৩৩৩৮ টি যার ২৮১৪ টি। বিগত পাঁচ বছরে এই সংখ্যা প্রায় তিনগুনে এসে দাড়িয়েছে। আমাদের সমাজ কি পশ্চীমা সমাজের ন্যায় বন্ধনহীন হয়ে যাচ্ছে ?? এমন ভয়ই মনের ভেতর মাথা চারা দিয়ে উঠল। বিচ্ছেদের কারন হিসেবে পুরুষরা অভিযোগ করেন , ১। নারীদের ফেসবুক , টুইটার , ইয়াহু - তে আড্ডা দেয়া । ২। সামাজিক অবক্ষয় , ৩। বিয়ের আগের প্রেম এর কথা জানতে পারা , ৪। পরকিয়া প্রেম , ৫।অন্য পুরুষের সাথে বন্ধুত্ব , ইত্যাদি । আর নারীরা পুরুষদের প্রতি অভিযোগ হিসেবে বলেন , ১। নেশা করা , ২। শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন করা , ৩। ওয়াইফ এর প্রতি যত্ন না নেয়া , ৪। ওয়াইফ -কে সময় দিতে না পারা , ৫। ভালোবাসার অভাব , ৬। বন্ধুদের সাথে পার্টি করা , ৭। ফেসবুক , টুইটার , ইয়াহু - তে মেয়েদের সাথে আড্ডা দেয়া , ৮।...

ফিরতি।

ফিরতি ১/ দলিল উদ্দীন মন্ডল। বিরাট ব্যাবসায়ী। নিজের বাড়ী, একাধিক গাড়ী, চার ছেলেমেয়ে। দলিল মন্ডলের জীবনে একমাত্র অর্থবহ বস্তু টাকা। সে পাকা ব্যাবসায়ী, সে জানে টাকায় টাকা আনে। নিজে বি এ পাশ হলেও বড় ছেলেকে ডাক্তারী পড়িয়েছে, ছোট ছেলেকে ইঞ্জিনিয়ারিং। ছেলেদের মেধা নেই তো কি হয়েছে, মেধায় যা অর্জন করা যায়না টাকায় তা ছিনিয়ে আনা যায়। ছেলেদের ডিগ্রী তার জন্য বিনিয়োগ। এবার সে দুই ছেলেকে চড়া মূল্যে বিক্রি করবে। তারপর ওরা মানুষ মারে তো মারুক, ওদের তৈরী বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ে তো পড়ুক, তাতে দলিল মন্ডলের কিছু এসে যায়না। বড় ছেলেকে অলরেডি নিলামে তোলা হয়েছে। দরদাম ভালোই পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু কয়েক জায়গায় পাকা দেখে এসেও বেচারা ছেলের বিয়ে দিতে পারেনি। দলিল মন্ডলের কি দোষ? আংটি পরিয়ে বাসায় এসে যদি দেখে আরো ভাল প্রস্তাব অপেক্ষা করছে তখন বরং আংটি গচ্চা দিয়ে প্রস্তাবটা লুফে নেয়াটাই বেশি লাভজনক মনে হয়। ছেলে অবশ্য প্রথম প্রথম সামান্য কোঁ কোঁ করছিল, কিন্তু দলিল মন্ডল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ‘তোমার নামের পাশে যে ডাক্তারীর সিল সেটা আমার পয়সায় কেনা, সুতরাং বিয়ে আমার কথামত হবে’। ছেলেও বাধ্য হয়ে কোরবানীর গরুর মত সেজেগুজে বাপের ...

ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক ( শিক্ষনীয় ঘটনা)

Image
:::::একটি শিক্ষনীয় ঘটনা :::::: হযরত মূসা (আলাইহিস সালাম) একবার আল্লাহর কাছে আরয করেন- হে আল্লাহ! আমাকে আপনার ন্যায় বিচার ইনসাফের কিছু নমুনা দেখান। আল্লাহ বললেন- ঠিক আছে, অমুক দিকে যাও, সেখানে আমার ইনসাফের নমুনা দেখতে পাবে। হযরত মূসা (আলাইহিস সালাম) সেদিকে কিছু দূর যাওয়ার পর এক ঘন বৃক্ষরাজির ঝোপ দেখলেন, যার পাশে পাশ দিয়ে স্বচ্ছ ও পরিস্কার ঝর্ণার পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। তিনি সেই ঝোপের আড়ালে বসে পড়লেন। একটু পরে এক অশ্বারোহী এসে ঝর্ণা থেকে পানি পান করে চলে গেল। চলে যাওয়ার সময় ভূলে এক হাজার স্বর্ণমুদ্রার একটি থলি ফেলে গেল। একটু পরে একটি ছেলে সেই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় থলিটা দেখতে পেল এবং নিয়ে চলে গেল। ছেলেটি চলে যাওয়ার পর এক অন্ধ ব্যক্তি এসে ঝর্ণায় অযু করতে লাগলো। এদিকে অশ্বারোহী কিছু দূর যাওয়ার পর থলির কথা স্বরণ হলে সঙ্গে সঙ্গে ঝর্ণার দিকে ফিরে আসলো এবং থলি খুজে না পেয়ে অন্ধ লোকটিকে জিজ্ঞেস করলো। অন্ধ লোকটি বললো, আমি কিছু জানিনা আমি কোন থলি পাইনি। এতে অশ্বারোহী খুবই রাগান্বিত হয়ে ওকে খুন করে ফেললো। হযরত মূসা (আলাইহিস সালাম) আড়ালে বসে এ সব ঘটনা দেখছিলেন এবং মনে মনে ভাবছিলেন এটা কোন্ ধরনের বিচার? ...

একটি শিক্ষনীয় ঘটনা

Image
:::::একটি শিক্ষনীয় ঘটনা :::::: দুই বন্ধু মিলে দেশ ভ্রমণে বের হলো। এদের একজন ছিল অন্ধ। হাঁটতে হাঁটতে ওরা এমন এক জায়গায় আসলো যেখানে রাতে খুব ঠান্ডা আর দিনে প্রচণ্ড গরম। দুই বন্ধু এক গাছের নীচে ঘুমিয়ে পড়লো। সকালে যে বন্ধু চোখে দেখতে পায়, সে খাবারের খোঁজে বের হলো। অন্ধ বন্ধুটি আশপাশে যা আছে তা ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখতে লাগলো। একটি সাপ বরফে জমে অবশ হয়ে এক পাশে মরার মত শুয়ে ছিল। অন্ধ বন্ধুটি সাপটিকে ধরে ভাবলো এটি একটি লাঠি। সে খুব খুশী হয়ে সেটা হাতে নিল, ভাবলো পথ চলতে এটা তার অনেক কাজে লাগবে। মৃতপ্রায় সাপকে হাতে নিয়ে সে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করলো। অন্য বন্ধু খাবার নিয়ে ফিরে এসে সাপ দেখে ভয়ে চিৎকার করে উঠলো। বন্ধুকে বললো, তাড়াতাড়ি এটা হাত থেকে ফেলে দাও। অন্ধ বন্ধু কিছুতেই বিশ্বাস করলো না যে এটা লাঠি না; বরং সাপ। সে ভাবলো তার কুড়িয়ে পাওয়া দামী লাঠি বন্ধু মনে হয় নিয়ে নিতে চাইছে। সে কিছুতেই বন্ধুর কথায় রাজী হলো না। তাই উপায় না দেখে দৃষ্টিমান বন্ধু আবারো অন্ধ বন্ধুকে সাথে নিয়ে পথ চলা শুরু করলো। দিনের বেলা রোদ উঠে তাপ বাড়তে লাগলো, সাপটি তার চেতনা ফিরে পেতে শুরু করলো। একটু পরে সে অন্ধ বন্ধুকে ছোবল দিল। ব...

হে ভাই-বোনেরা তোমাদের দুই হাত ধরে বলি প্লিজ প্লিজ পুরো লিখাটা পড়বে।

Image
হে ভাই-বোনেরা তোমাদের দুই হাত ধরে বলি প্লিজ প্লিজ পুরো লিখাটা পড়বে ----- ___________________________ মনে করুন, আপনি লম্বা হয়ে শুয়ে আছেন । অনেক চেষ্টা করেও আপনার হাত পা নাড়াতে পারছেন না। দুই পাশে আপনার ছোট ছোট বাচ্চারা কান্না কাটি করছে। চোখ দুটি একটু উপরে করে দেখলেন শুধু বাচ্চারা নয়, আপনার সকল আত্বীয়রাও আছে এখানে। আপনার পুরানো সব বন্ধু বান্ধবরাও এসে হাজির। যাদের সাথে দেখাতো দুরের কথা, কয়েক বছোর আপনার যোগাযোগ নাই। চারদিকে সবাই কান্না করছে। এতো কান্না নয়, যেনো বুক ফাটা আওয়াজ। আপনি অবাক হয়ে তদের চেহারার দিকে দেখে আছেন, যেনো আপনার করনীয় কিছুই নাই। আপনি গলা ফাটিয়ে জোরে জোরে চিৎকার করে বলতে লাগলেন তোমারা কান্না বন্ধ করো বন্ধ করো কান্না। আমার কিছুই হয়নি । আমি ভালো আছি..। আপনার আওয়াজ তাদের কান্নার সুরে জেনো বিলিন হয়ে যাচ্ছে। কেউ আপনার আওয়াজ শুনতে পারচ্ছেনা। এক সময় বুঝতে পারলেন আপনার শরীর থেকে আপনি আলাদা হয়ে গেলেন। মেঝেতে পরে আছে আপনার শরীরটা। কষ্টকরে টাকা জমিয়ে যে বিছানা বানিয়েছেন সুখের জন্য, সেই বিছানায় এই শরীরটার জায়গা হয়নি। ঘরথেকে বেরিয়ে গেলেন। সেকি!! এখানেও মানুষ আর ...

সৌন্দর্য কতদিন থাকবে?

Image
আপনি যতই দামী শ্যাম্পু দিয়ে মাথার চুল পরিষ্কার করেন না কেনো – একদিন ঠিকই চুলগুলো খুলে যাবে । আপনি মারা গেলে আপনার মাথার চামড়া পচে যাবে, চুলগুলো খুলে যাবে – মাটিতে ছড়িয়ে পড়বে । আপনি যতই দামী কসমেটিকস দিয়ে চেহারাকে সাজান না কেনো - একদিন ঠিকই এর গোশত খুলে খুলে পড়বে । আপনি মারা গেলে আপনার চেহারাটাও পচে যাবে, গোশত খুলে হাড্ডি বের হয়ে আসবে । আপনি যতই দামী লোশান দিয়ে আপনার শরীরটাকে সুন্দর করে রাখেন না কেনো – আপনি মারা গেলে ঠিকই এই সুন্দর শরীরটা পচে যাবে । পোঁকা ও কীট পতঙ্গে খাবে । চিন্তা করে দেখুনতো – আপনার শরীরে একটা পোকা উঠে কুড়েকুড়ে খাচ্ছে – আপনি সামান্য হাত পর্যন্ত নাড়াতে পারছেন না, পোকাটাকে তাড়ানোর জন্য । অথচ দুনিয়ার জীবনে আপনি কত শক্তিশালী ছিলেন ! আপনি নামায পড়বেন সেটা আপনার কবরের জন্য আলো ও শান্তির কারণ হবে । আপনি পেশাব করে পানি নিতেন না, পেশাব লাগতো গায়ে, কবরে আজাব হবে । আপনি অন্যের গীবত করে বেড়াতেন, চোগলখুরী করে বেড়াতেন – আপনার কবরে কঠিন শাস্তি হবে । আপনি ঋণ পরিশোধ না করেই মাছ মাংস পোলাও মিষ্টি খাচ্ছেন, জালিমদের কাতারে আপনার হাশর হবে -

হে যুবক কোন দিকে যাও!! জান্নাতি হুর তোমাকে ডাকছে

Image
হে যুবক! তুমি একি করছ? টগবগে তোমার যৌববন তুমি কার পেছনে ব্যায় করছ, যাকে কিছুক্ষণ আগে ভ্রমর এসে মধু আহরন করেছে!! বরং তুমি তার দিকে যাও,,,,,,,,, নাম তার হুর। যে হবেন উঠতি বয়সের যুবতী রমণী। তাঁদের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গে প্রবাহিত থাকবে নব যৌবনের স্বর্গীয় সুধা। তাদের গাল হবে গোলাপ ও আপেলের মত লাল মিশ্রিত সাদা বর্ণের। গলায় পরানো থাকবে মণি-মুক্তার অলংকার। তাদের চেহারা সূর্যের মত উজ্জ্বল চকচকে হবে। তারা যখন হাসবে, তখন তাদের মুখমন্ডল থেকে বিজলির মত আলোর চমক বের হতে থাকবে। জান্নাতবাসী একজন পুরুষ তাঁর স্ত্রীর গালে নিজের চেহারা দেখতে পাবেন। যেমন আয়নায় নিজের ছবি দেখতে পাওয়া যায়। মাংস ও পোষাকের ভিতরে আচ্ছাদিত হাড়ের মগজ সমূহ বাহির থেকে দেখা যাবে। জান্নাতের একজন হুর যদি দুনিয়াতে একবার দৃষ্টি দিত, তাহলে আকাশ ও জমিনের মধ্যবর্তী স্থান সুভাসে ভরে যেত, সমস্ত সৃষ্টি আল্লাহর প্রশংসা ও বড়ত্ব বর্ণনা করত, পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তকে তথা সমগ্র পৃথিবীটাকে সুসজ্জিত করে দিতো, প্রতিটি চোখ সকল জিনিষ থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে তাঁর দিকে চেয়ে থাকত, সূর্যের আলোতে যেমন তারকারাজির আলো মিটে যায়, তেমনি তাঁর চেহারার আলোতে সূর্যের আলো...

বিয়ে আর ডেটিং কী একই?!

Image
বিয়ে  আর ডেটিং কি একই??? আসুন আমরা একটু চিন্তা করি, বিয়ের মাধ্যমে নিজের লজ্জাস্থান সংরক্ষিত রাখার বিষয়ে। বর্তমান সময়ে একজন যুবক বিয়ে করার পূর্বে কি করছে? ধরুন সে এদিক সেদিক কিছু মুভি দেখেছে, মানে তাওবা করে ধার্মিক হওয়ার আগে আরকি। আর এসব মুভির মাধ্যমে তার মধ্যে ভালোবাসা আর বিয়ে নিয়ে কিছু ধারণা গড়ে উঠছে। প্রায়ই ভাইয়েরা আমার কাছে এসে বলে, “ভাই, আমার বিয়ে করা খুবই জরুরি”। তাদের ভিতর এমন একটা ধারণা হয়েছে যে, একবার বিয়ে হয়ে গেলেই যাবতীয় লালসা নিমিষেই উধাও হয়ে যাবে, জীবন শান্তিতে পূর্ণ হবে, “আমরা একসাথে কুরআন পড়ব” ইত্যাদি ইত্যাদি...। এটা একটা আধ্যাত্মিক ব্যাপার হয়ে উঠবে, আর এভাবে তাদের মনে বিয়ে নিয়ে অতিরঞ্জিত একটি ধারণা গড়ে উঠে। আপনারা যারা বিবাহিত তারা খুব সম্ভবত হাসতেও ভুলে গিয়েছেন, আপনারা ভাবছেন “এইসব কি বলছে?” কারন আপনারা ভুলেই গিয়েছেন এসব অনুভুতির কথা। অবশ্যই আপনারা কখনও কখনও কঠিন বাঁধার সম্মুখীন হন, কারন আমাদের বিয়ে সম্পর্কে যা দেখানো হয়, যে ধারণা দেয়া হয়, বিশেষ করে আধুনিক সময়ে, সে মুসলিমই হোক আর অমুসলিম, আধুনিক সময়ে নারী আর পুরুষের মাঝে ভালোবাসা, নির্ভরশীল...

একজন ভালো স্ত্রী পুরুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।

Image
*একজন দ্বীনদার স্ত্রী আল্লাহর পক্ষ থেকে পাওয়া শ্রেষ্ঠ নেয়ামত সাইফুল্লাহ সাহেবকে তার স্ত্রী ডাকছেন , এই উঠো ! ফজরের আযান হচ্ছে । চোখ কচলাতে কচলাতে সাইফুল্লাহ সাহেব ঘুম থেকে উঠে বসে প্রথমে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলতেই চোখ চলে যায় ফ্লোরে । জায়নামায বিছানো দেখে আলহামদুলিল্লাহ বলে উঠেন । স্ত্রীকে বলেন , তুমি তাহাজ্জুদ পড়তে উঠে আর ঘুমাও নি? স্ত্রী বললেন, আলহামদুলিল্লাহ না । সাইফুল্লাহ সাহেব আর কিছু না বলে খাট থেকে নামতেই স্ত্রী বলে উঠেন , বাথরুমে তোমার জন্য গরম পানি রাখা আছে । উযু করে নাও এবং সুন্নাত বাসায় পড়ে ফরজটা মসজিদে । সাইফুল্লাহ সাহেব মুচকি হেঁসে জাযাকাল্লাহু খাইরান বলে দ্রুত বাথরুমে চলে গেলেন । মসজিদ থেকে এসে দেখেন স্ত্রী কুরান পড়ছে । সাইফুল্লাহ সাহেব ১০ টার দিকে অফিসে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হলেন । স্ত্রী অফিসের ব্যাগটা গুছিয়ে দিলেন । যথারীতি আজকেও বিদায় নেয়ার সময় দুজন একসাথে সালাম দিতে গিয়ে মুচকি হেসে দিলেন । অফিস পথে সাইফুল্লাহ সাহেব জ্যামে পড়লেন । ভাবছেন , একজন দ্বীনদার স্ত্রী আল্লাহর পক্ষ থেকে পাওয়া শ্রেষ্ঠ নেয়ামত । বিয়ে করার পর থেকে প্রতিদিন স্ত্রী আমাকে তাহাজ্জুদ পড়তে ডেকে...

ভালো ডিগ্রী মানে ভালো জায়গায় বিয়ে কিন্তু সুখের ডিগ্রী?

Image
"বিবাহের নিমিত্ত লিখিত বায়োডাটায় সাধারণত এমন সব তথ্য থাকে, যার প্রায় কোনটাই বৈবাহিক জীবনে কাজে আসে না। তবু এই তথ্যগুলোকে খুব গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে কার্যসমাধার আয়োজন করা হয়। অথচ আজ পর্যন্ত কোন দম্পতি পাওয়া যাবে না যাদের দাম্পত্য সমস্যাগুলো স্ত্রীর সুন্দর মুখ কিংবা স্বামীর উচ্চতার দিকে তাকিয়ে সমাধান হয়ে গেছে। মাঝে মধ্যে আমার আব্বা-আম্মার সাংসারিক জীবনে যেসব সমস্যা দেখেছি বা বুঝেছি, সেগুলোর ব্যাপারে ভাবতে চেষ্টা করি যে আব্বা অমুক ভার্সিটিতে না পড়ে যদি ঢাকা ভার্সিটি বা বুয়েটে পড়তেন, তবে কি সমস্যা সমাধান হয়ে যেত কি না। কিংবা আম্মার গায়ের রঙ আরেকটু পরিষ্কার হলে কি সমস্যা মিটে যেত কি না। উত্তর পাই- না। অথচ পাত্র-পাত্রীর সেক্যুলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ডিগ্রি, এগুলোকে বিয়ের সময় কত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়।কেন উঁচু উঁচু ডিগ্রিধারির সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে মানুষের ঘর থেকে সুখটাও উড়ে গেছে? কেন আগেরদিনের ‘পরাধীন’ গৃহিণী মায়েদের ঘরের মমতা আর শান্তি আজকের ‘স্বাধীন’ চাকরিজীবী মায়েদের ঘরে নেই? কেন আজ একটার পর একটা ডিভোর্সের সংবাদ আসে? কেন এত এত ‘উচ্চশিক্ষা’র বহর আর ‘নারীর ক্ষমতায...

ভার্সিটি- কলেজের ছাত্রদের চরিত্র ভালো রাখার সুন্দর একটি টিপস্

Image
চরিত্র নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করতে ভালোবাসার একটি টিপস ​​ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেমেয়েদের চরিত্র নষ্ট করে দিয়েছে মোবাইল ফোন। কে যে কার সাথে আলাপ করে তার হদিস নিজেরাই জানে না। ক্লাসের ফাঁকে, বাসে বসে, রিকসায় বসে ছেলেরা বা মেয়েরা ফোনে কথা বলেই যাচ্ছে পরপুরুষ বা পরনারীর সাথে। কী বিষয়ে কথা বলে, কেউ জানে না, আল্লাহ মাফ করুন। যারা কোন হারাম থেকে বিরত রাখতে নিজেকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়, চোখ সরায় হারাম থেকে, কান সরায় হারাম থেকে -- তারা অন্তরে ঈমানের মিষ্টতা অনুভব করে, অন্তর প্রশান্ত হয়, শান্তি অনুভব হয়। আখিরাতে তো আছে বিশাল পুরষ্কার। মুসলিম ভাই ও বোনরা তাই আল্লাহর জন্যও নিজেদেরকে সংযত করায় সেই পুরষ্কারের আগাম বার্তা জেনে নিন। তবে আসেন, একটা টিপস দেই। খুব যদি হবু হউ বা হবু জামাইয়ের কথা মনে পড়ে আর আলাপ করতে ইচ্ছা করে তার সাথে। তাকে চিঠি লিখুন। নিজের কাছে রেখে দিন। মনের কথাগুলো বলুন তাকে সেই চিঠিতে। একদিন যখন সে আপনার স্বামী বা স্ত্রী হয়ে হাজির হবে -- তখন আপনি তাকে উপহার হিসেবে আপনার চিঠিগুলো দিবেন। দেখবেন সে কত পছন্দ করে! কারণ আপনার এই উপহার তার কাছে অমূল্য হয়ে থাকবে। এইটা একটা পার্সোনাল টিপস, কয়েকজন ভাইকে ...

শেখার আছে অনেক কিছু জানার এখনো অনেক বাকী

Image
ভাই/আপু এই লেখাটা তোমার জন্যে............... আশা করি এই লেখাটি তোমার চোখ খুলে দিবে। সবকিছু নতুন করে ভাবতে সহায়তা করবে। লেখাটি খুব মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ার আন্তরিক অনুরোধ রইল। জাযাকাল্লাহ খাইরান। বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম তোমাকে প্রথমেই একটা কথা বলে রাখি, আমি খুব বিষণ্ণ মন নিয়ে এই লেখাটা লিখতে বসেছি। তবে এই বিষণ্ণতা তথাকথিত গার্লফ্রেন্ড চলে যাওয়ার বিষন্নতা নয় বা এই পৃথিবীতে কোনোকিছু হারানোর বিষণ্ণতা নয়। এই বিষণ্ণতা তোমাকে এই কথাগুলো আগে বলতে না পারার অযোগ্যতার বিষণ্ণতা, আমাদের চারিপাশে যা কিছু হচ্ছে তা সইতে না পারার বিষণ্ণতা। সবাই যখন পরীক্ষার পড়াশোনা নিয়ে খুব ব্যস্ত আমি তখন তোমাকে লিখতে বসেছি কারণ আমার কাছে মনে হয়েছে আমার এই পরীক্ষার চেয়ে তোমাকে এই কথাগুলো বলা বেশী প্রয়োজন, বেশী গুরুত্বপূর্ণ। হয়ত আমার এই কথাগুলো তোমার ভালো নাও লাগতে পারে তারপরেও লিখলাম শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে। প্রারম্ভিক কিছু কথাঃ- কি সুন্দর এই পৃথিবী! চোখ জুড়ানো বিস্তীর্ণ শ্যামল শস্য ক্ষেত। গাছের ডালে ডালে রঙ- বেরঙের ফুল ও ফল, তারই মাঝে রঙ-বেরঙের পাখ-পাখালি ও প্রজাপতির মনভুলানো খেলা। মন ...