হে ভাই-বোনেরা তোমাদের দুই হাত ধরে বলি প্লিজ প্লিজ পুরো লিখাটা পড়বে।

হে ভাই-বোনেরা তোমাদের দুই হাত ধরে বলি প্লিজ প্লিজ পুরো লিখাটা পড়বে -----
___________________________


image



মনে করুন, আপনি লম্বা হয়ে শুয়ে আছেন ।
অনেক চেষ্টা করেও আপনার হাত পা নাড়াতে
পারছেন না। দুই পাশে আপনার ছোট ছোট
বাচ্চারা কান্না কাটি করছে। চোখ দুটি একটু উপরে করে দেখলেন শুধু বাচ্চারা নয়, আপনার সকল আত্বীয়রাও আছে এখানে।
আপনার পুরানো সব বন্ধু বান্ধবরাও এসে
হাজির। যাদের সাথে দেখাতো দুরের কথা,
কয়েক বছোর আপনার যোগাযোগ নাই।
চারদিকে সবাই কান্না করছে। এতো কান্না
নয়, যেনো বুক ফাটা আওয়াজ।
আপনি অবাক হয়ে তদের চেহারার দিকে
দেখে আছেন, যেনো আপনার করনীয় কিছুই
নাই। আপনি গলা ফাটিয়ে জোরে জোরে
চিৎকার করে বলতে লাগলেন তোমারা
কান্না বন্ধ করো বন্ধ করো কান্না। আমার
কিছুই হয়নি । আমি ভালো আছি..।
আপনার আওয়াজ তাদের কান্নার সুরে
জেনো বিলিন হয়ে যাচ্ছে। কেউ আপনার
আওয়াজ শুনতে পারচ্ছেনা। এক সময় বুঝতে
পারলেন আপনার শরীর থেকে আপনি আলাদা হয়ে গেলেন। মেঝেতে পরে আছে
আপনার শরীরটা। কষ্টকরে টাকা জমিয়ে যে
বিছানা বানিয়েছেন সুখের জন্য, সেই
বিছানায় এই শরীরটার জায়গা হয়নি।
ঘরথেকে বেরিয়ে গেলেন। সেকি!! এখানেও মানুষ আর মানুষ। আজ আপনার বাড়িতে এতো মানুষ কেনো???? সামনে এগিয়ে গেলেন, দেখলেন মেঝেতে পড়ে থাকা শরীরটিকে ধোয়ার আয়জন করা হচ্ছে। সে কি ???
তাহলে কি আপনি..... জি ঠিক ভেবেছেন
আপনি মারা গেছেন। আপনার বাচ্ছারা বা
আত্বিয়রা আপনাকে নাম ধরে ডাকছেনা,
সবাই শুধু লাশ বলেই ডাকছে।
আপনি চিৎকার করে কান্না করতে লাগলেন
আমি লাশ না। আমি বেচে আছি । আমি
তোমাদেরকে দেখতে পারছি । আমি তোমাদের কথা শুনতে পাচ্ছি । আমি লাশনা। আমি লাশ না । আপনার এই কান্না কারো কানে যাচ্ছে না।
সবাই যেনো বয়রা হয়ে গেছে। আপনাকে
কেউ দেখছেনা। আপনার জন্য কবোর খোরার
কাজ শুরু হয়েগেছে। আপনি বাড়ি আর
কবোরস্থান, কবোরস্থান আর বাড়ির মাঝে
ছুটা ছুটি করতে লাগলেন।.আপনি আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করতে লাগলেন হে আল্লাহ আমারে আর কিছু দিন ভিক্ষা দেও, আমি সকলের পাওনাদি পরিষদ করে আসি, আমি যাদের হক খেয়েছি তাদের কাছে মাফ চেয়ে আসি। আমি হকদারের হক দিয়ে আসি, আমি যাদেরকে অত্যাচার করেছি ক্ষমা চেয়ে আসি, আমি.আরো কিছু নেক কাজ করে আসি । আল্লাহ , আল্লাহ , ইয়া আল্লাহ , তুমি আমারে ক্ষমা করে দেও, ইয়া মাবুদ , আমারে আর একটা সুজুক দেও, ইয়া আল্লাহ , ইয়া রহিম , ইয়া রহমান , ইয়া আল্লাহ , তুমি আমার দোয়া কবুল করো। কিন্তু না, সেইদিন আপনার কনো কথা শুনা হবেনা। একবার ভেবে দেখেছেন কি হবে সেই দিন আপনার অবস্থা??? আজ আপনার হাতে সময় আছে, আপনি চাইলে সেই সব ইচ্ছাগুলি পুরন করতে পারেন। আপনি চাইলে আগে থেকে পরকালের জন্য প্রস্তুত থাকতে পারেন। ভেবে দেখুন এখন আপনার কন কাজটি করা উচিৎ। কখন যে আপনার জীবনের বাতি বন্ধ হয়ে যাবে টেরই পাবেন না। আগামী কালকের সুর্য্যটি যে আপনি দেখবেন তার কনো গ্যারান্টি নাই, তাই সময় থাকতে তৈরি হোন।
(আল্লাহ আমাদের সবার জীবনের গুনাহ মাফ
করে দেন, আমিন)

Comments

Popular posts from this blog

বাংলাদেশী মেয়েদের হট ছবি

সন্তানের সাথে বন্ধুর মতো মিশুন , তাকে নিজ হাতে গড়ে তুলুন।

জীবনে ভালো থাকার জন্য যা করতে হবে