Posts

Showing posts with the label সংসার গঠন

শাশুড়ি বদ মেজাজী ( একটি শিক্ষনীয় গল্প)

Image
অনেক দিন আগের কথা। লিলি নামে এক চায়নীজ মেয়ে বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি গেল। কিছুদিনের মধ্যে সে বুঝতে পারল তার শাশুড়ি একজন বদ মেজাজী মহিলা। তিনি তাকে একদমই পছন্দ করেন না। লিলির আচার ব্যবহারে তিনি যেমন বিরক্তহন, শাশুড়ির ব্যবহারে লিলিও অতিষ্ঠ হয়। দিন যায়। লিলি আর তার শাশুড়ির ঝগড়াচলতে থাকে। সারাক্ষন ঝগড়া লেগে থাকে। স্বামী বেচারার অবস্থা খারাপ, বাড়ি এলেই মা অভিযোগ করেন বউ এর বিরুদ্ধে আর রাতে বউ এর অভিযোগ শাশুড়ির বিরুদ্ধে। লিলি চিন্তা করল সে কোন ভাবেই শাশুড়ির সংগে থাকবে না। অন্যদিকে স্বামী বৃদ্ধা মা কে ছেড়ে আলাদা ভাবে থাকবেনা। নিজের সংসারের সুখের কথা ভেবে অবশেষে লিলি একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিল। সে শরণাপন্ন হলো তার এক চাচা মিস্টার ফু- ওয়াং এর যে কিনা হার্বাল চিকিৎসা বিদ্যায় অভিজ্ঞ। লিলি চাচাকে সব খুলে বলল। সে বলল চাচা আমাকে এমন হারবাল ঔষধ দিন যা দিয়ে আমি আমার শাশুড়িকে মেরে ফেলতে পারি। কারণ এই মহিলার সাথে আমার থাকা সম্ভব নয়। মিস্টার ফু-ওয়াং ভাতিজির কথা মন দিয়ে শুনলেন। অবশেষে বললেন মা আমি তোমাকে অবশ্যই সাহায্য করব। তবে কাজটা খুব চতুরতার সাথে করতে হবে, খুব দ্রুত মারা যায় এমন বিষ দেয...

বিপদে দোয়া কবুল ঘটনা ১

একদা হযরত ওমর ফারুক (রা:) একদা হযরত ওমর ফারুক (রা:) মদীনার কোন এক গলিপথ দিয়ে হেঁটে চলছিলেন। হঠাৎ একটি যুবকের প্রতি তাঁর দৃষ্টি পড়ে গেল। সে তার পরিহিত বস্ত্রের নীচে একটি বোতল লুকিয়ে রেখেছিল। হযরত ওমর (রা:) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে যুবক! তুমি তোমার বস্ত্রের নীচে কি ঢেকে রেখেছ ? বোতলটি মদ ভর্তি ছিল; সুতরাং যুবকটি জবাব দিতে ইতস্তত: করছিল; কিন্তু সে তখন আত্ম অনুশোচনায় ও ভয়-ভীতিতে বিহবল অবস্থায় আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করল: হে মাবুদ ! আমাকে তুমি খলিফা ওমর (রা:) এর সামনে লজ্জিত করো না।তাঁর কাছ থেকে ত্রুটি ও অপরাধ গোপন রাখ। আমি তোমার নিকট খাঁটি তওবাহ করছি এবং এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, জীবনে আর কোনদিনই আমি মদ স্পর্শ করবো না। এরুপ তওবাহ করার পরক্ষণেই যুবক হযরত ওমর (রা:) এর প্রশ্নের জবাব দিল যে, হে খলিফা! আমার কাছে এটি একটি সিরকার বোতল; কিন্তু খলিফা তার কথায় পূর্ণ আস্থা না এনে বোতলটি দেখতে চাইলেন। তাঁর ইচ্ছানুযায়ী তখন বোতলটি তার সামনে পেশ করা হল।দেখা গেল যে, বোতলটি মধ্যে সত্যিই সিরকা ভর্তি রয়েছে। কেউ এভাবে ভীত মনে কোন লজ্জাজনক ও পাপকাজ থেকে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানালে এবং খাঁটি তাওবাহ করে নিলে আল্...

ডাক্তার যদি রোযা রাখতে নিষেধ করে!!

প্রশ্নঃ (৪০১) জনৈক মহিলা কঠিন রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে ডাক্তারগণ তাকে রোযা রাখতে নিষেধ করেছে। এর বিধান কি? উত্তরঃ আল্লাহ্ বলেন, ] ﺷَﻬْﺮُ ﺭَﻣَﻀَﺎﻥَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﻓِﻴﻪِ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥُ ﻫُﺪًﻯ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ ﻭَﺑَﻴِّﻨَﺎﺕٍ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻬُﺪَﻯ ﻭَﺍﻟْﻔُﺮْﻗَﺎﻥِ ﻓَﻤَﻦْ ﺷَﻬِﺪَ ﻣِﻨْﻜُﻢْ ﺍﻟﺸَّﻬْﺮَ ﻓَﻠْﻴَﺼُﻤْﻪُ ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﺃُﺧَﺮَ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻴُﺴْﺮَ ﻭَﻟَﺎ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻌُﺴْﺮَ [ রামাযান হচ্ছে সেই মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কুরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়াত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট পথনির্দেশ। আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ অথবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে, সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করে নিবে। আল্লাহ্ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য কঠিন কামনা করেন না।(সূরা বাক্বারাঃ ১৮৫) মানুষ যদি এমন রোগে আক্রান্ত হয় যা থেকে সুস্থ হওয়ার কোন আশা নেই। তবে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকীনকে খাদ্য খাওয়াবে। খাদ্য দেয়ার পদ্ধতি হচ্ছে, মিসকীনকে পরিমাণমত চাউল প্...

রোযা ভঙ্গের গ্রহণ যোগ্য কারণ কি কি

প্রশ্নঃ (৩৯৮) রোযা ভঙ্গের গ্রহণযোগ্য কারণ কি কি? উত্তরঃ রোযা ভঙ্গের কারণ সমূহ হচ্ছেঃ ১) অসুস্থতা, ২) সফর। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ্ বলেন, ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﺃُﺧَﺮَ আর যে ব্যক্তি অসুস্থ হবে অথবা সফরে থাকবে (সে রোযা ভঙ্গ করে) অন্য দিনে তা কাযা আদায় করে নিবে।(সূরা বাক্বারাঃ ১৮৫) ৩) গর্ভবতী নারীর নিজের বা শিশুর জীবনের আশংকা করলে রোযা ভঙ্গ করবে। ৪) সন্তানকে দুগ্ধদানকারীনী নারী যদি রোযা রাখলে নিজের বা সন্তানের জীবনের আশংকা করে তবে রোযা ভঙ্গ করবে। ৫) কোন বিপদগ্রস্ত মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে রোযা ভঙ্গ করা: যেমন পানিতে ডুবন্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার, আগুন থেকে বাঁচাতে গিয়ে দরকার হলে রোযা ভঙ্গ করা। ৬) আল্লাহ্র পথে জিহাদে থাকার সময় শরীরে শক্তি বজায় রাখার জন্য রোযা ভঙ্গ করা। কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের সময় ছাহাবীদেরকে বলেছিলেন, ﺇِﻧَّﻜُﻢْ ﻣُﺼَﺒِّﺤُﻮ ﻋَﺪُﻭِّﻛُﻢْ ﻭَﺍﻟْﻔِﻄْﺮُ ﺃَﻗْﻮَﻯ ﻟَﻜُﻢْ ﻓَﺄَﻓْﻄِﺮُﻭﺍ আগামীকাল তোমরা শত্রুর মোকাবেলা করবে, রোযা ভঙ্গ করলে তোমরা অধিক শক্তিশালী থাকবে, তাই তোমরা রোযা ভঙ্গ কর।[6] বৈধ কোন কারণে...

পরিবার সংরক্ষণ ও সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে সুন্দর জীবন যাপনে স্ত্রীর ভূমিকা।

Image
পরিবার সংরক্ষণ ও সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে সুন্দর জীবন যাপনে স্ত্রীর ভূমিকা। মুসলিম নারীর জেনে রাখা উচিত যে, সৌভাগ্য, ভালোবাসা ও অনুকম্পা তখনই পরিপূর্ণতা লাভ করবে, যখন সে সচ্চরিত্রবান ও দ্বীনদার হবে; সে তার নিজের জন্য উপকারী ইতিবাচক দিকগুলো জেনে নিবে; যাতে সে তার সীমা অতিক্রম ও লঙ্ঘন না করে; সে তার স্বামীর আহ্বানে সাড়া দিবে; কারণ, তাকে পরিচালনার ব্যাপারে স্বামীর উপর দায়িত্ব রয়েছে, স্বামী তাকে হেফাযত করবে, সংরক্ষণ করবে এবং তার জন্য ব্যয় করবে; সুতরাং স্ত্রীর উপর আবশ্যক হলো, স্বামীর আনুগত্য করা, স্বামীর জন্য সে তার নিজকে সংরক্ষণের নিশ্চয়তা বিধান করা এবং স্বামীর সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ করা; আর স্ত্রী তার নিজের কাজ-কর্ম সুন্দরভাবে আঞ্জাম দিবে ও তা যথাযথভাবে পালন করবে এবং সে তার নিজের ও সংসারের প্রতি যত্নবান হবে; সে হবে পবিত্রা স্ত্রী, মমতাময়ী মাতা, তার স্বামীর সংসারের রক্ষণাবেক্ষণকারিনী দায়িত্বশীলা, যে দায়িত্ব ও কর্তব্যের ব্যাপারে তাকে জবাবদিহী করতে হবে। সে তার স্বামীর ভালো ও সৌন্দর্যপূর্ণ কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি দিবে, তার অবদান ও উত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে জীবন-যাপনের বিষয়টিকে অবজ্ঞা ও অস্বীকার করবে না;...

যুদ্ধ একটি সংসার।

Image
যুদ্ধ একটি সংসার। “আপা আপনি এতদিন কোথায় ছিলেন? আমি আপনাকে পাগলের মত খুঁজছি!” পেছন ফিরে গলার অধিকারীকে দেখে চিনতে অনেক বেগ পেতে হোল। শায়লা ভাবী না? এ কি অবস্থা ওনার? বিধ্বস্ত চেহারা, উস্কোখুস্কো চুল, ওনার ট্রেডমার্ক হাসিটাও মিসিং। দুষ্টুমী করে বললাম, “কি ব্যাপার ভাবী? আপনি কি আফগানিস্তানে যুদ্ধ করতে গেছিলেন নাকি? আপনাকে তো চিনতেই পারছিনা! তা বলুন, আমি আপনার কি খেদমত করতে পারি?” শায়লা ভাবীকে আমার খুব ভালো লাগে। বিশাল বড়লোকের বৌ হয়েও ওনার মধ্যে কখনো কোন অহংকারের ছায়া পর্যন্ত দেখিনি, আমাদের চেয়েও সাধারণভাবে চলেন, নিজেই বাচ্চাদের রিক্সায় করে স্কুলে আনা নেয়া করেন। আমার হাত খুবলে ধরে বললেন, “আপা, আমাকে একটু সময় দেন, আমি আপনার বাসায় আসব”। অ্যাঁ! বলে কি? এত বড়লোক মানুষকে আমি কি দিয়ে অপ্যায়ন করব? আমার তো রান্নাঘর পর্যন্ত নেই- নিজেই খাই শ্বাশুড়ী আম্মার দয়ায়! যাই হোক। বললাম, “ভাবী, আমি বাসায় থাকার সুযোগ পাই খুব কম, আজকে তিনটা থেকে চারটা এক ঘন্টা বাসায় থাকব। আপনি আসতে পারেন কিন্তু দেরী করলে আমি সময় দিতে পারবনা”। উনি বললেন, “আমি আসব”। ওনার কথাবার্তা, চেহারায় একধরণের ফবংঢ়বৎধঃরড়...

ফিরতি।

ফিরতি ১/ দলিল উদ্দীন মন্ডল। বিরাট ব্যাবসায়ী। নিজের বাড়ী, একাধিক গাড়ী, চার ছেলেমেয়ে। দলিল মন্ডলের জীবনে একমাত্র অর্থবহ বস্তু টাকা। সে পাকা ব্যাবসায়ী, সে জানে টাকায় টাকা আনে। নিজে বি এ পাশ হলেও বড় ছেলেকে ডাক্তারী পড়িয়েছে, ছোট ছেলেকে ইঞ্জিনিয়ারিং। ছেলেদের মেধা নেই তো কি হয়েছে, মেধায় যা অর্জন করা যায়না টাকায় তা ছিনিয়ে আনা যায়। ছেলেদের ডিগ্রী তার জন্য বিনিয়োগ। এবার সে দুই ছেলেকে চড়া মূল্যে বিক্রি করবে। তারপর ওরা মানুষ মারে তো মারুক, ওদের তৈরী বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ে তো পড়ুক, তাতে দলিল মন্ডলের কিছু এসে যায়না। বড় ছেলেকে অলরেডি নিলামে তোলা হয়েছে। দরদাম ভালোই পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু কয়েক জায়গায় পাকা দেখে এসেও বেচারা ছেলের বিয়ে দিতে পারেনি। দলিল মন্ডলের কি দোষ? আংটি পরিয়ে বাসায় এসে যদি দেখে আরো ভাল প্রস্তাব অপেক্ষা করছে তখন বরং আংটি গচ্চা দিয়ে প্রস্তাবটা লুফে নেয়াটাই বেশি লাভজনক মনে হয়। ছেলে অবশ্য প্রথম প্রথম সামান্য কোঁ কোঁ করছিল, কিন্তু দলিল মন্ডল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ‘তোমার নামের পাশে যে ডাক্তারীর সিল সেটা আমার পয়সায় কেনা, সুতরাং বিয়ে আমার কথামত হবে’। ছেলেও বাধ্য হয়ে কোরবানীর গরুর মত সেজেগুজে বাপের ...

আধিপত্য বিস্তার- শাশুড়ি vs বউ।

Image
আধিপত্য বিস্তার- শাশুড়ি vs বউ। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আমাদের সমাজে ‘শাশুড়ি’ একটি নেতিবাচক শব্দে পরিণত হয়েছে কিংবা নেতিবাচক করে দেয়া হয়েছে। তাই ‘নারী অধিকার’ শব্দটি আমরা ব্যবহার করি বটে, কিন্তু সমাজে ‘শাশুড়ি’ চরিত্রে যিনি বসে থাকেন, তিনি যেন ‘অধিকারের খাতার out of the boundary. ব্যক্তিগতভাবে “অধিকার” বলতে আমি নির্দিষ্ট সেই জাতি বা সেই মানুষটিকে শুধু তার প্রাপ্যতা বুঝিয়ে দেয়াই মনে করি না, বরং সেই মানুষের সমাজের প্রতি কি দেয়ার বা তার নিজের প্রতি তার কি অধিকার সেটাকেও তাকে বুঝিয়ে দেয়া আমাদের দায়িত্ব মনে করি। তো সেই হিসাবে পরিবারে একটা শাশুড়ির কি করণীয় কিংবা শাশুড়ির প্রতি বউ এর দায়িত্ব-সর্বোপরি “শাশুড়ি অধিকার” নিয়ে কাউকে কিছু বলতে দেখা যায় না। ফলে আমাদের অসচেতনতার কারণে শাশুড়িরা কখনো আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেন, সংসারে একক কর্তৃত্ব স্থাপনের চেষ্টা করেন আবার কখনো মানসিকভাবে নির্যাতীত কিংবা অবহেলিত হয়ে পড়েন। তাই সংসারে শাশুড়ি ও বউ এর অধিকার ও আচরণ নিয়ে একতরফা নয়- বরং উভয় পাশ আলোচনার জন্য কিছু ধারাবাহিক উপস্থাপন- case no-1: আধিপত্য বিস্তারঃ অধিকাংশ শাশুড়ি মূলত এই ভুলটাই করে থাকেন। তারা বলেন- “আ...

আধিপত্য বিস্তার- শাশুড়ি vs বউ।

আধিপত্য বিস্তার- শাশুড়ি vs বউ। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আমাদের সমাজে ‘শাশুড়ি’ একটি নেতিবাচক শব্দে পরিণত হয়েছে কিংবা নেতিবাচক করে দেয়া হয়েছে। তাই ‘নারী অধিকার’ শব্দটি আমরা ব্যবহার করি বটে, কিন্তু সমাজে ‘শাশুড়ি’ চরিত্রে যিনি বসে থাকেন, তিনি যেন ‘অধিকারের খাতার out of the boundary. ব্যক্তিগতভাবে “অধিকার” বলতে আমি নির্দিষ্ট সেই জাতি বা সেই মানুষটিকে শুধু তার প্রাপ্যতা বুঝিয়ে দেয়াই মনে করি না, বরং সেই মানুষের সমাজের প্রতি কি দেয়ার বা তার নিজের প্রতি তার কি অধিকার সেটাকেও তাকে বুঝিয়ে দেয়া আমাদের দায়িত্ব মনে করি। তো সেই হিসাবে পরিবারে একটা শাশুড়ির কি করণীয় কিংবা শাশুড়ির প্রতি বউ এর দায়িত্ব-সর্বোপরি “শাশুড়ি অধিকার” নিয়ে কাউকে কিছু বলতে দেখা যায় না। ফলে আমাদের অসচেতনতার কারণে শাশুড়িরা কখনো আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেন, সংসারে একক কর্তৃত্ব স্থাপনের চেষ্টা করেন আবার কখনো মানসিকভাবে নির্যাতীত কিংবা অবহেলিত হয়ে পড়েন। তাই সংসারে শাশুড়ি ও বউ এর অধিকার ও আচরণ নিয়ে একতরফা নয়- বরং উভয় পাশ আলোচনার জন্য কিছু ধারাবাহিক উপস্থাপন- case no-1: আধিপত্য বিস্তারঃ অধিকাংশ শাশুড়ি মূলত এই ভুলটাই করে থাকেন। তারা বলেন- “আ...

বাবা হওয়া :: নুমান আলী খান।

Image
বাবা হওয়া :: নুমান আলী খান। নূমান তো নূমানই। তিনি সেইসব বিরল লোকদের একজন যার বক্তব্য শুনলে কট্টর নাস্তিকও ইসলামের প্রতি নমনীয় ধারণা পোষণ করে। লোকটার মধ্যে কোন জঙ্গীবাদ নেই,হামবড়া ভাব নেই, নারীবিদ্বেষ নেই। আধুনিক তরুণতরুণীদের ইসলামের পথে ডাকতে নূমানের বিকল্প খুঁজে পাওয়া ভার। তারি একটা লেকচার নিয়ে আমার এই পোস্ট। যারা বাবা হয়েছেন বা হবেন, তারা একটু কষ্ট করে পড়বেন কি ? তিনি কথা শুরু করলেন ভাঙা বাংলায় “কেমুন আসেন?” বলে তারপর….. ১। সন্তান দ্বীন শিখলো কীনা – এই নিয়ে উদ্বেগ খুবই স্বাভাবিক একটা বিষয় এবং এটাও দ্বীনেরই অন্তর্ভুক্ত। নুহ (আ.) থেকে মুহাম্মদ (সা.) কেউই এই উদ্বেগ থেকে মুক্ত ছিলেননা। মুহাম্মদ (সা.) তার মেয়ে ফাতিমাকে সরাসরি বলেছিলেন,” আল্লাহকে ভয় করো। তোমার কোনো উপকারে (পরকালে) আসার ক্ষমতা কিন্তু আমার নেই”। ২। সন্তানদের বিপথগামীতা একটা চ্যালেনজ, যা নুহ, ইয়াকুব (আ.) প্রমূখ প্রখ্যাত নবীকেও মোকাবেলা করতে হয়েছে; নুহের (আ.) ছেলে তো তওবা না করেই মারা গেল। সুতরাং এ চ্যালেনজ থেকে আমরা ছাড়া পাবো – এমন মনে করার কোন কারণ নেই। ৩। আমরা যারা বিশেষতঃ মেয়ের বাবা, তারা অবশ্যই গর্বিত যে স্বয়ং রাসুল (সা.)...

অন্যের সাথে কথা বলার ১৬ টি শিষ্টাচার

Image
কিছু বিধিমালা প্রণয়ন করেছে যেগুলো একজন মুসলিমের মেনে চলা উচিত, সর্বদা এই দৃঢ়চিত্ত বিশ্বাস রাখা উচিত যে সে যা কিছু বলে তার জন্য জবাবদিহিতা করতে হবে এবং ভালো কথার জন্য সে পুরস্কৃত হবে ও মন্দ কথার জন্য শাস্তি পাবে। সূরা ক্বাফের ১৮ নং আয়াতে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন বলেন যার অর্থটা এরকম, “(ক্ষুদ্র) একটি শব্দও সে উচ্চারণ করেনা, যা সংরক্ষণ করার …জন্য একজন সদা সতর্ক প্রহরী তার পাশে নিয়োজিত থাকে না।” রাসূল (সাঃ) আমাদেরকে সতর্ক করেছেন এই বলে যে কথা খুবই বিপজ্জনক। তিরমিযী এবং ইবনে মাজাহর রেওয়াতে বর্ণিত একটি সহীহ্ হাদীসে রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ “একজন ব্যক্তি এমন কোন কথা বলতে পারে যা আল্লাহর নিকট পছন্দনীয়, এবং সে এই বিষয়ে খুব একটা চিন্তা করে না কিন্তু আল্লাহ্ সুবহানাওয়া তা’আলা সেটার গুরুত্ব দেন আর সেই কথার জন্য শেষ বিচারের দিনে তার ওপর সন্তুষ্ট হন। এবং একজন ব্যক্তি এমন কোন কথা বলে যে সেটা আল্লাহর নিকট অপছন্দনীয় কিন্তু সে এ বিষয়ে গুরুত্ব দেয় না কিন্তু আল্লাহ্ সুবহানাওয়া তা’আলা শেষ বিচারের দিবসে তার প্রতি ক্রোধান্বিত হবেন।” কথাবার্তা বিপজ্জনক হতে পারে। তাই আমরা সেটা ইসলামিক বিধিমালা, আল্লাহ্ ও ...

মিথ্যা কথা বলে আনন্দ করা, কৌতুক করা, কাউকে হাসানো??

Image
মিথ্যা কথা বলা ইসলামে সবচেয়ে নিকৃষ্ট হারাম গোনাহগুলির অন্যতম । মিথ্যা বলা মুনাফিকের অন্যতম চিহ্ন। মিথ্যা সর্বাবস্থায় হারাম। সবচেয়ে জঘন্যতম মিথ্যা হলো আল্লাহ বা তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামে, হাদীসের নামে বা ধর্মের নামে মিথ্যা বলা। এরপর জঘন্য মিথ্যা হলো মিথ্যার মাধ্যমে কোনো মানুষের অধিকার নষ্ট করা, সম্পদ দখল করা বা মিথ্যা কথা বলে কিছু বিক্রয় করা। বিভিন্ন হাদীসে এরূপ কর্মের জন্য কঠিন অভিশাপ ও কঠিন শাস্তির কথা বলা হয়েছে। ইসলামে হাসি-মস্করা, আনন্দ ও বিনোদনকে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। কিন্ত সে জন্য মিথ্যা বলা বৈধ করা হয় নি। রাসূলুল্লাহ  নিজে হাঁসি-মস্করা করতেন, কিন্তু মিথ্যা পরিহার করতেন। এক বৃদ্ধাকে বলেন, কোনো বুড়ো মানুষ তো জান্নাতে যাবে না। এতে বেচারী কান্নাকাটি শুরু করে। তখন তিনি বলেন, বুড়োবুড়িকে আল্লাহ জোয়ান বানিয়ে জান্নাতে দিবেন। অপর একব্যক্তি তাঁর কাছে এসে সফরের জন্য একটি উট চান। তিনি বলেন, তোমাকে আমি একটি উটনীর বাচ্চা দিব। লোকটি হতাশ হয়ে বলে, বাচ্চাতে আমার কি হবে? তিনি বলেন, সকল উটই তো উটনীর বাচ্চা। এরূপ অনেক ঘটনা হাদীসে রয়েছে। সাহাবীগণও হাসি- মস্করা করতেন, তবে মিথ্যা ব...

হস্তমৈথুন করা থেকে দুরে থাকুন, ইসলামী শরীয়তে হারাম

Image
ইসলামের দৃষ্টিতে এটা হারাম এবং কবীরা গুনাহ।শরীয়ত অনুযায়ী যারা হস্তমৈথুন করে তারা সীমালঙ্ঘনকারী। হস্তমৈথুনের কারণে দুই ধরনের সমস্যা হয় (১)মানসিক সমস্যা। (২) শারীরিক সমস্যা। পুরুষ হস্তমৈথুন করলে প্রধান যে সব সমস্যায় ভুগতে পারে তারমধ্যে একটি হল নপুংসকতা (Impotence) । অর্থাৎ ব্যক্তি যৌন সংগম স্থাপন করতে অক্ষম হয়ে যায়। আরেকটি সমস্যা হল অকাল বীর্যপাত (Premat ure Ejaculation)। অর্থাৎ খুব অল্প সময়ে বীর্যপাত ঘটে।ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয়। বৈবাহিক সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয় না। আরো একটি সমস্যা হল, বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায়। তখন বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যাহয় ২০মিলিয়নের কম। [২ কোটি]। যার ফলে সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতার দেখা দেয়। একজন পুরুষ যখন স্ত্রী গমন করেন তখন তার থেকে যে বীর্য বের হয় সে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ৪২ কোটির মত। স্বাস্থ্যবিজ্ঞান মতে কোন পুরুষের থেকে যদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু বের হয় তাহলে সে পুরুষ থেকে কোন সন্তান হয় না। অতিরিক্ত হস্তমৈথুন পুরুষের যৌনাঙ্গকে দুর্বল করে দেয়। আর শরীরের অন্যান্যযেসব ক্ষতি হয়। পুরো শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং শরীর রো...

আধুনিক যাতায়াত ব্যবস্থা মুসাফিরের রোযা রাখার বিধান

Image
আধুনিক যুগের যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত ও আরাম দায়ক হওয়ার কারণে সফর অবস্থায় রোযা রাখা মুসাফিরের জন্য কষ্টকর নয়। এ অবস্থায় রোযা রাখার বিধান কি? উত্তরঃ মুসাফির রোযা রাখা ও ভঙ্গ করার ব্যাপারে ইচ্ছাধীন। আল্লাহ্ বলেন, ] ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﺃُﺧَﺮَ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻴُﺴْﺮَ ﻭَﻟَﺎ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻌُﺴْﺮَ [ আর যে লোক অসুস্থ অথবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে, সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করে নিবে।(সূরা বাক্বারাঃ ১৮৫) ছাহাবায়ে কেরাম নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সাথে সফরে থাকলে কেউ রোযা রাখতেন কেউ রোযা ভঙ্গ করতেন। কোন রোযা ভঙ্গকারী অপর রোযাদারকে দোষারোপ করতেন না, রোযাদারও রোযা ভঙ্গকারীকে দোষারোপ করতেন না। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ও সফর অবস্থায় রোযা রেখেছেন। আবু দারদা (রাঃ) বলেন, একদা রামাযান মাসে কঠিন গরমের সময় আমরা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সাথে সফরে ছিলাম। তখন আমাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবদুল্লাহ্ বিন রাওয়াহা ছাড়া আর কেউ রোযা রাখে নি।[12] মুসাফিরের জন্য মূলনীতি হচ্ছে, সে রোয...

দুগ্ধদানকারী মহিলার রোযা রাখার হুকুম কী?

Image
সন্তানকে দুগ্ধদানকারীনী কি রোযা ভঙ্গ করতে পারবে? ভঙ্গ করলে কিভাবে কাযা আদায় করবে? নাকি রোযার বিনিময়ে খাদ্য দান করবে? উত্তরঃ দুগ্ধদানকারীনী রোযা রাখার কারণে যদি সন্তানের জীবনের আশংকা করে অর্থাৎ রোযা রাখলে স্তনে দুধ কমে যাবে ফলে শিশু ক্ষতিগ্রস্থ হবে, তবে মায়ের রোযা ভঙ্গ করা জায়েয। কিন্তু পরবর্তীতে তার কাযা আদায় করে নিবে। কেননা এ অবস্থায় সে অসুস্থ ব্যক্তির অনুরূপ। যার সম্পর্কে আল্লাহ্ বলেন, ] ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﺃُﺧَﺮَ [ আর যে লোক অসুস্থ অথবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে, সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করে নিবে।(সূরা বাক্বারাঃ ১৮৫) অতএব রোযা রাখার ব্যাপারে যখনই বাধা দূর হবে তখনই কাযা আদায় করবে। চাই তা শীতকালে অপেক্ষাকৃত ছোট দিনে হোক অথবা সম্ভব না হলে পরবর্তী বছর হোক। কিন্তু ফিদ্ইয়া স্বরপ মিসকীন খাওয়ানো জায়েয হবে না। তবে ওযর যদি চলমান থাকে অর্থাৎ সার্বক্ষণিক রোযা রাখায় বাধা দেখা যায় যা বাধা দূর হওয়ার সম্ভবনা না থাকে, তখন প্রতিটি রোযার বদলে একজন করে মিসকীনকে খাওয়াবে।

এই দেখুন সতী নারী.

Image
সতী নারীরা এমনই হয় সতীসাধ্বী নারীর সম্ভ্রম খোয়ানো যায় না। নষ্ট করা যায় না তার ইজ্জত সম্মান। সতীত্ব ও সম্ভ্রম রক্ষার প্রশ্নে প্রয়োজনে সে অকাতরে জীবনটা পর্যন্ত বিলিয়ে দেয়। বিলিয়ে দেয় সব কিছু। এ চির সত্যটিই প্রমাণ করার জন্য ইমাম খাত্তাবী ( রহঃ ) তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'আদালাতুস সামা'য় একটি চমৎকার ঘটনা উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন আজ থেকে চল্লিশ বছর আগে বাগদাদ শহরে এক কসাই ছিল। ফজরের অনেক আগেই সে দোকানে চলে যেত। সেখানে ছাগল জবাই করত এবং রাত থাকতেই বাড়ি ফিরে আসত। অতঃপর কিছু বেলা উঠলে সবকিছু ঠিকঠাক করে গোশত বিক্রির জন্য দোকান খুলে বসত। একদিন সে ছাগল জবাই করে বাড়ি ফিরছিল। তখনো রাতের আঁধার কাটেনি। আজ অনেক রক্ত লেগেছে তার জামা-কাপড়ে। পথিমধ্যে সে গলির মধ্যে একটা কাতর আর্তনাদ শুনতে পায়। আর্তনাদের আওয়াজ লক্ষ্য করে সে দ্রুত সামনে অগ্রসর হয়। কিন্তু কিছুদূর যাওয়ার পরই হঠাৎ একটা মানব দেহের সাথে ধাক্কা লেগে পড়ে যায়। কসাই বেচারা সোজা হয়ে দাঁড়ালো। সে দেখল একটা লোক মটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। ছুরির আঘাতে মারাত্মকভাবে আহত। জখম গুরুতর। ওকে বাঁচাতে হলে দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন। তখনও দরদর করে রক্ত বেরুচ্ছে। ছুরুটা...

ইসলামের দৃষ্টিতে যৌন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও শক্তি বৃদ্ধিকারী খাদ্য-পানীয়

Image
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। মানুষের এমন কোনো সমস্যা বা এমন কোনো দিক ও বিষয় নেই ইসলাম যে ব্যাপারে সমাধান বা পথ-নির্দেশনা প্রদান করেনি। একজন পুরুষ এবং একজন নারীর বৈধ সম্পর্ক-বিবাহের মাধ্যেম একটি পবিত্র সংসার রচিত হয়। একটি দাম্পত্য জীবনের সূচনা এবং যাপন নিশ্চত হয়। একটি সংসার বা একটি দাম্পত্য জীবনের নানান মৌলিক উপাদান-বিষয়ের মাঝে স্বামী-স্ত্রী যৌন জীবন অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। একজন স্বামী বা একজন স্ত্রী দাম্পত্য জীবনের এই যৌন আয়োজনে সুখি না হলে কোনো ভাবেই সুখি হয় না তাদের দাম্পত্য জীবন। যদিও একটি বিবাহ বা একটি সংসার-দাম্পত্য জীবনের মূল উদ্দেশ্য যৌনতা নয় তবুও মৌলিক এই উপাদানের অভাবে অনেক সময়ই ভেঙ্গে যায় অনেক সংসার। অথচ যৌন শক্তিকেন্দ্রিক এই অভাব-অক্ষমতা কিন্তু চিরস্থায়ী কোনো সমস্যা নয়। অনেক পুরুষ বা নারী নিজের অশুভ কর্মফলের কারণে এমন সমস্যায় ভোগেন আবার অনেকে এমন অভাব- অক্ষমতার শিকার হন বিভিন্ন পারিপার্শিক কারণে। কারণ যাই হোক সমস্যার সমাধান রয়েছে এবং ইসলাম এই প্রকারের সমস্যার সমাধানে বেশ গুরুত্ব প্রদান করেছে। আল্লাহ মহানের সৃষ্টি অপার। মানুষের খাদ্য- পানীয় হিসেবে অসংখ্য...

বেশী দিন বাচঁতে বিয়ে করুন তারাতারি

Image
বেশিদিন বাঁচতে বিয়ে করুণ দ্রুত! বিয়ে করলে নাকি দীর্ঘ জীবন বেঁচে থাকা যায়। মৃত্যু ঝুঁকিও অনেকাংশে কমে যায়। অবশ্যই বিবাহিত জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সুসম্পর্ক থাকতে হবে। সম্প্রতি মার্কিন গবেষকরা নতুন এক গবেষণার পর এমন তথ্যই জানালেন। নতুন এই গবেষণাটি সেরেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার ডিউক ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও গবেষক ইলিন সিয়েগলার ও তার সহযোগী গবেষকরা। ইলিন বলছেন, মাঝবয়সে একজন সঙ্গী বা সঙ্গিনী থাকলে সুরক্ষিত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। এ বয়সে একাকিত্ব মানুষকে ক্রমেই আশা ও ভবিষ্যতের প্রতি আস্থাহীন করে তোলে। একজন মানুষের সার্বিক জীবনধারণ প্রক্রিয়ার ওপর বিয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিবাহিত জীবনে যাঁরা সুখী তারা স্বাভাবিকভাবেই স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন। ৪০ বছর বয়সের পর একাকী থাকা, সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে হারিয়ে নতুন করে বিয়ে না করা অসময়ে মৃত্যুর ঝুঁকিকে বাড়িয়ে দেয়। এমনকি ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত পৌঁছানোটাও দুষ্কর হয়ে যায়। বিবাহিত যে ব্যক্তিদের ধূমপান বা অ্যালকোহলের বদভ্যাস রয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও অবিবাহিতদের তুলনায় মাঝবয়সে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ২ দশমিক ৩ গুণ বেশ...

প্রেম নয় বিয়ে করুনঃ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করুন

আলহামদুলিল্লাহ। প্রথমত, একজন নারী ও একজন পুরুষের মধ্যে গড়ে ওঠা সম্পর্ক, যাকে লোকে “প্রেম” বলে থাকে সেটা কতগুলো হারাম জিনিসের সংমিশ্রণমাত্র যা শারীয়াহ এর সাথে সাংঘর্ষিক। কোন বিবেকসম্পন্ন লোকেরই সন্দেহ থাকতে পারে না যে বিষয়টি হারাম কেননা এতে একজন পুরুষকে তার মাহরাম নন এমন মহিলার সাথে একাকী কাটানো, তার দিকে তাকানো, স্পর্শ করা, চুমো খাওয়া কিংবা প্রেমালাপ ইত্যাদি করতে হয় যাতে প্রবৃত্তি জড়িত থাকে। এ ধরনের সম্পর্ক এর চাইতেও মারাত্নক দিকে গড়াতে পারে, যেমনটি বর্তমানে ঘটছে। দ্বিতীয়ত, গবেষনায় দেখা গেছে, একজন পুরুষ ও একজন মহিলার মধ্যকার বিবাহপূর্ব প্রেমের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা বৈবাহিক সম্পর্ক ব্যর্থ হয়, অন্য দিকে যে সকল বিয়ে এ ধরনের হারাম সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে নি যেগুলোকে লোকেরা “প্রথাগত বিয়ে” বলে থাকেন সেগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সফল হয়। একজন ফ্রেঞ্চ সমাজবিজ্ঞানী কর্তৃক মাঠপর্যায়ে চালানো এক গবেষনায় উঠে এসেছে, “যখন দুই পক্ষ বিবাহ পূর্ব প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত হয় না তখন সে বিয়ের সফলতার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়” প্রফেসর ইসমাঈল আবদ’ আল বারি’ কর্তৃক প্রায় ১৫০০ পরিবারের ওপর চাল...

প্রেম করার গুরুত্ব পূর্ণ টিপস

Image
আমার দূর আত্মীয়ের মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক ছিল। মেয়ের মা মেয়েকে বলেছে সে যেন আমাকে ছেড়ে দেয়, কারন আমি তার মায়ের কাছে খারাপ চরিত্রের মানুষ। আমি তার মায়ের সাথে খারাপ আচরণ করেছি, তার জন্য আমার অনুশোচনা হয় এবং তার কাছে ক্ষমা চেয়েছি। আমি তার মায়ের পা ধরে ক্ষমা ভিক্ষা চেয়েছি। মেয়ের মা বলেছেন, তিনি আমাকে ক্ষমা করেছেন, কিন্তু তার মেয়ের সাথে আমার বিয়ে দেবেন না। তার মেয়ে আমার সাথে ছিল ৫ বছর ধরে এবং আমরা যিনা করেছি অগণিত বার, যার জন্য আমরা অনুশোচনা করি এবং আল্লাহ্র কাছে ক্ষমা চাই। মেয়েটি আমার সাথে সৎ ছিল এবং আমিও তার সাথে সৎ ছিলাম, সে বলেছিল আমরা দুজন বিয়ে করব কারন আমরা যিনা করেছি। তার পর আমি তার মায়ের সাথে খারাপ আচরণ করি এবং তার পা ধরে ক্ষমা চাই, তার পর তাঁর মেয়ে আমার সাথে ছিল প্রায় ১ বছর ৬ মাস। তার মা তাকে প্রতিনিয়ত বলতে থাকে আমাকে ত্যাগ করার জন্য, কিন্তু সে আমাকে ত্যাগ করেনা কারন সে আমার সাথে সৎ ছিল এবং যেহেতু আমরা যিনা করেছি এবং যেহেতু আমরা একে অপরকে বিয়ে করতে চাই। কিন্তু হঠাৎ করে সে বলল, সে আমার সাথে থাকতে পারবে না এবং আমাকে ছেড়ে চলে যায়। এক বছর ধরে আমি খুব চেষ্টা ...