ইসলামী শরিয়তে যৌতুক নেয়া ও দেয়া হারাম
ইসলামী শরিয়তে যৌতুক নেয়া ও দেয়া
হারাম

হযরত উমর রা: বলেন, 'হে মুসলমান সম্প্রদায়! তোমরা বিয়ে-শাদিতে মোটা অঙ্কের মোহর,
জাঁকজমক এবং যৌতুক দাবি করো না,
কেননা আল্লাহর কাছে এটার কোনো
মর্যাদা তথা মূল্য নেই, যদি থাকত তাহলে
রাসূল সা: তাঁর মেয়ে ফাতেমা রা:-এর
বিয়েতে করতেন' (তিরমিজি শরিফ)।
ইসলামী শরিয়তে যৌতুক নেয়া ও দেয়া
হারাম। যৌতুকের কারণেই অনেক সোনার
সংসার ভেঙে যায়, সংসারে আশান্তির
আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে।
বিয়েতে যদি আপন পিতা নিজ মেয়ের
সাথে স্বেচ্ছায় বরের চাওয়া তথা দাবি
ছাড়া সাংসারিক প্রয়োজনীয় কোনো
জিনিস দিয়ে থাকেন তাহলে সেটা
যৌতুক হবে না; বরং এটা জেহেজ
(উপঢৌকন বা হাদিয়া) হবে। কিন্তু
নিজের ওপর বোঝা হয় কিংবা বরের
চাহিদা বা দাবি মেটাতে যা দেয়া হয়
এটা হবে যৌতুক। সমাজে প্রচলিত
যৌতুকের কোনোরূপ বৈধতা শরিয়তে
নেই। তার কোনো অস্তিত্ব মহানবী সা:,
খোলাফায়ে রাশেদিন, সাহাবায়ে
কেরামদের যুগে ছিল না। যার কারণে
এটা হচ্ছে নাজায়েজ (হারাম)। যৌতুকের
নেশা সমাজে মহামারী আকারে প্রকাশ
পাচ্ছে। সমাজের জন্য এক মহাবিপদ ও
সামাজিক ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে
যৌতুক। কন্যার পিতা কারো কাছ থেকে
টাকা হাওলাত বা কর্জ করে, কিংবা
সুদের ওপর নিয়ে যৌতুকের (বরের)
চাহিদা মেটায়। বর্তমান সমাজে
বিয়েতে যৌতুক না দেয়াকে অপমান মনে
করা হয়। অথচ রাসূল সা: ইরশাদ করেন, 'যে
ব্যক্তি সম্মান অর্জনের জন্য বিয়ে করবে
আল্লাহ তাকে অপমানিত করবেন, আর যে
ব্যক্তি বিয়েতে যৌতুক দাবি করবে সে
ব্যক্তিকে আল্লাহ তায়ালা দরিদ্রতা ও
কঠিন আজাব ছাড়া আর কিছুই দেবেন
না।' আমাদের সমাজ আজ যৌতুকের জন্য
পাগল, অথচ রাসূল সা: তাঁর মেয়ে হজরত
ফাতেমা রা:-এর বিয়েতে কোনো যৌতুক
দেননি বা সাহাবায়ে কেরামরাও
বিয়েতে কোনো যৌতুক দাবি করেননি।
নবী-রাসূল ও সাহাবায়ে কেরামদের
আদর্শই হচ্ছে আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ।
প্রিয় নবী সা: তাঁর নিজের মেয়ের
বিয়েতে কোনো যৌতুক দেননি, তবে
জেহেজ (উপঢৌকন) হিসেবে যা যা
দিয়েছিলেন নিম্নে তা উল্লেখ করা
হলো : ১. দু'টি ইয়ামানি চাদর, ২. একটি
বিছানা, ৩. দু'টি খেজুরের ছাল ভর্তি
বালিশ, ৪. একটি পেয়ালা, ৫. দু'টি আটা
পেষার চাক্কি, ৬. একটি পানি রাখার
মাটির পাত্র, ৭. একটি চৌকি ও ৮. একটি
কম্বল। এগুলোই ছিল ফাতেমা রা:-এর
বিয়ের উপঢৌকন (সুবহানাল্লাহ)। আসুন,
আমরা এ সমাজ থেকে যৌতুকপ্রথা
প্রতিরোধ করি এবং শরিয়তের আলোকে
বিয়ে-শাদি সম্পন্ন করি। আল্লাাহ
আমাদের সবাইকে তাওফিক দিন। আমিন।
হারাম

হযরত উমর রা: বলেন, 'হে মুসলমান সম্প্রদায়! তোমরা বিয়ে-শাদিতে মোটা অঙ্কের মোহর,
জাঁকজমক এবং যৌতুক দাবি করো না,
কেননা আল্লাহর কাছে এটার কোনো
মর্যাদা তথা মূল্য নেই, যদি থাকত তাহলে
রাসূল সা: তাঁর মেয়ে ফাতেমা রা:-এর
বিয়েতে করতেন' (তিরমিজি শরিফ)।
ইসলামী শরিয়তে যৌতুক নেয়া ও দেয়া
হারাম। যৌতুকের কারণেই অনেক সোনার
সংসার ভেঙে যায়, সংসারে আশান্তির
আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে।
বিয়েতে যদি আপন পিতা নিজ মেয়ের
সাথে স্বেচ্ছায় বরের চাওয়া তথা দাবি
ছাড়া সাংসারিক প্রয়োজনীয় কোনো
জিনিস দিয়ে থাকেন তাহলে সেটা
যৌতুক হবে না; বরং এটা জেহেজ
(উপঢৌকন বা হাদিয়া) হবে। কিন্তু
নিজের ওপর বোঝা হয় কিংবা বরের
চাহিদা বা দাবি মেটাতে যা দেয়া হয়
এটা হবে যৌতুক। সমাজে প্রচলিত
যৌতুকের কোনোরূপ বৈধতা শরিয়তে
নেই। তার কোনো অস্তিত্ব মহানবী সা:,
খোলাফায়ে রাশেদিন, সাহাবায়ে
কেরামদের যুগে ছিল না। যার কারণে
এটা হচ্ছে নাজায়েজ (হারাম)। যৌতুকের
নেশা সমাজে মহামারী আকারে প্রকাশ
পাচ্ছে। সমাজের জন্য এক মহাবিপদ ও
সামাজিক ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে
যৌতুক। কন্যার পিতা কারো কাছ থেকে
টাকা হাওলাত বা কর্জ করে, কিংবা
সুদের ওপর নিয়ে যৌতুকের (বরের)
চাহিদা মেটায়। বর্তমান সমাজে
বিয়েতে যৌতুক না দেয়াকে অপমান মনে
করা হয়। অথচ রাসূল সা: ইরশাদ করেন, 'যে
ব্যক্তি সম্মান অর্জনের জন্য বিয়ে করবে
আল্লাহ তাকে অপমানিত করবেন, আর যে
ব্যক্তি বিয়েতে যৌতুক দাবি করবে সে
ব্যক্তিকে আল্লাহ তায়ালা দরিদ্রতা ও
কঠিন আজাব ছাড়া আর কিছুই দেবেন
না।' আমাদের সমাজ আজ যৌতুকের জন্য
পাগল, অথচ রাসূল সা: তাঁর মেয়ে হজরত
ফাতেমা রা:-এর বিয়েতে কোনো যৌতুক
দেননি বা সাহাবায়ে কেরামরাও
বিয়েতে কোনো যৌতুক দাবি করেননি।
নবী-রাসূল ও সাহাবায়ে কেরামদের
আদর্শই হচ্ছে আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ।
প্রিয় নবী সা: তাঁর নিজের মেয়ের
বিয়েতে কোনো যৌতুক দেননি, তবে
জেহেজ (উপঢৌকন) হিসেবে যা যা
দিয়েছিলেন নিম্নে তা উল্লেখ করা
হলো : ১. দু'টি ইয়ামানি চাদর, ২. একটি
বিছানা, ৩. দু'টি খেজুরের ছাল ভর্তি
বালিশ, ৪. একটি পেয়ালা, ৫. দু'টি আটা
পেষার চাক্কি, ৬. একটি পানি রাখার
মাটির পাত্র, ৭. একটি চৌকি ও ৮. একটি
কম্বল। এগুলোই ছিল ফাতেমা রা:-এর
বিয়ের উপঢৌকন (সুবহানাল্লাহ)। আসুন,
আমরা এ সমাজ থেকে যৌতুকপ্রথা
প্রতিরোধ করি এবং শরিয়তের আলোকে
বিয়ে-শাদি সম্পন্ন করি। আল্লাাহ
আমাদের সবাইকে তাওফিক দিন। আমিন।
Comments
Post a Comment