Posts

Showing posts with the label জীবন সঙ্গী

আমি কি সঠিক মানুষ কে বিয়ে করেছি?

Image
আমি কি সঠিক মানুষ কে বিয়ে করেছি? Posted by  QuranerAlo Desk Download article as PDF   রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে- লিখেছেন :  মুনিরা লেকোভিচ এযেলডিন |  ভাষান্তর : জহিরুল কাইয়ূম |   সম্পাদনা :  আব্‌দ আল-আহাদ কাউকে বিয়ে করার আগে অবশ্যই নিজেকে এ প্রশ্নটি করবেন। জেনে বিস্মিত হবেন যে, উপযুক্ত মানুষটি বেঁচে নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকগুলো বিষয় কাজ করলেও, বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এই প্রশ্নটির উত্তর হয়ে থাকে আবেগ এবং অনুভূতি নির্ভর। হরেক রকম মানুষ সম্পর্কে জানার মধ্য দিয়ে আপনি বিচিত্র ধরনের ব্যক্তিত্বের সন্ধান পাবেন। মানুষ সম্পর্কে জানার গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হলো এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনি যে ধরণের মানুষের সান্নিধ্যে সবচেয়ে বেশি স্বস্তি এবং আরামবোধ করেন, সেইসব মানুষদের খুঁজে পাবেন। আর বয়স এবং মানসিক পরিপক্কতা বাড়ার সাথে সাথে নিজের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কেও আপনার ভেতর গভীরতর উপলব্ধির বিকাশ ঘটবে। এক পর্যায়ে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন এমন একজনের দেখা পেয়ে যাবেন এবং তাকে বিয়ে করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারবেন। অনিবার্যভাবেই আপনার মনে প্রশ্ন আসবে, “তিনি কি আমার জন্য সঠিক মানুষটি?” সূরা আন-নূরে আল্লাহ্‌ তা‘আলা ...

বিপদে দোয়া কবুল ঘটনা ১

একদা হযরত ওমর ফারুক (রা:) একদা হযরত ওমর ফারুক (রা:) মদীনার কোন এক গলিপথ দিয়ে হেঁটে চলছিলেন। হঠাৎ একটি যুবকের প্রতি তাঁর দৃষ্টি পড়ে গেল। সে তার পরিহিত বস্ত্রের নীচে একটি বোতল লুকিয়ে রেখেছিল। হযরত ওমর (রা:) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে যুবক! তুমি তোমার বস্ত্রের নীচে কি ঢেকে রেখেছ ? বোতলটি মদ ভর্তি ছিল; সুতরাং যুবকটি জবাব দিতে ইতস্তত: করছিল; কিন্তু সে তখন আত্ম অনুশোচনায় ও ভয়-ভীতিতে বিহবল অবস্থায় আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করল: হে মাবুদ ! আমাকে তুমি খলিফা ওমর (রা:) এর সামনে লজ্জিত করো না।তাঁর কাছ থেকে ত্রুটি ও অপরাধ গোপন রাখ। আমি তোমার নিকট খাঁটি তওবাহ করছি এবং এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, জীবনে আর কোনদিনই আমি মদ স্পর্শ করবো না। এরুপ তওবাহ করার পরক্ষণেই যুবক হযরত ওমর (রা:) এর প্রশ্নের জবাব দিল যে, হে খলিফা! আমার কাছে এটি একটি সিরকার বোতল; কিন্তু খলিফা তার কথায় পূর্ণ আস্থা না এনে বোতলটি দেখতে চাইলেন। তাঁর ইচ্ছানুযায়ী তখন বোতলটি তার সামনে পেশ করা হল।দেখা গেল যে, বোতলটি মধ্যে সত্যিই সিরকা ভর্তি রয়েছে। কেউ এভাবে ভীত মনে কোন লজ্জাজনক ও পাপকাজ থেকে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানালে এবং খাঁটি তাওবাহ করে নিলে আল্...

ডাক্তার যদি রোযা রাখতে নিষেধ করে!!

প্রশ্নঃ (৪০১) জনৈক মহিলা কঠিন রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে ডাক্তারগণ তাকে রোযা রাখতে নিষেধ করেছে। এর বিধান কি? উত্তরঃ আল্লাহ্ বলেন, ] ﺷَﻬْﺮُ ﺭَﻣَﻀَﺎﻥَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﻓِﻴﻪِ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥُ ﻫُﺪًﻯ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ ﻭَﺑَﻴِّﻨَﺎﺕٍ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻬُﺪَﻯ ﻭَﺍﻟْﻔُﺮْﻗَﺎﻥِ ﻓَﻤَﻦْ ﺷَﻬِﺪَ ﻣِﻨْﻜُﻢْ ﺍﻟﺸَّﻬْﺮَ ﻓَﻠْﻴَﺼُﻤْﻪُ ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﺃُﺧَﺮَ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻴُﺴْﺮَ ﻭَﻟَﺎ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻌُﺴْﺮَ [ রামাযান হচ্ছে সেই মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কুরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়াত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট পথনির্দেশ। আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ অথবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে, সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করে নিবে। আল্লাহ্ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য কঠিন কামনা করেন না।(সূরা বাক্বারাঃ ১৮৫) মানুষ যদি এমন রোগে আক্রান্ত হয় যা থেকে সুস্থ হওয়ার কোন আশা নেই। তবে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকীনকে খাদ্য খাওয়াবে। খাদ্য দেয়ার পদ্ধতি হচ্ছে, মিসকীনকে পরিমাণমত চাউল প্...

রোযা ভঙ্গের গ্রহণ যোগ্য কারণ কি কি

প্রশ্নঃ (৩৯৮) রোযা ভঙ্গের গ্রহণযোগ্য কারণ কি কি? উত্তরঃ রোযা ভঙ্গের কারণ সমূহ হচ্ছেঃ ১) অসুস্থতা, ২) সফর। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ্ বলেন, ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﺃُﺧَﺮَ আর যে ব্যক্তি অসুস্থ হবে অথবা সফরে থাকবে (সে রোযা ভঙ্গ করে) অন্য দিনে তা কাযা আদায় করে নিবে।(সূরা বাক্বারাঃ ১৮৫) ৩) গর্ভবতী নারীর নিজের বা শিশুর জীবনের আশংকা করলে রোযা ভঙ্গ করবে। ৪) সন্তানকে দুগ্ধদানকারীনী নারী যদি রোযা রাখলে নিজের বা সন্তানের জীবনের আশংকা করে তবে রোযা ভঙ্গ করবে। ৫) কোন বিপদগ্রস্ত মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে রোযা ভঙ্গ করা: যেমন পানিতে ডুবন্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার, আগুন থেকে বাঁচাতে গিয়ে দরকার হলে রোযা ভঙ্গ করা। ৬) আল্লাহ্র পথে জিহাদে থাকার সময় শরীরে শক্তি বজায় রাখার জন্য রোযা ভঙ্গ করা। কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের সময় ছাহাবীদেরকে বলেছিলেন, ﺇِﻧَّﻜُﻢْ ﻣُﺼَﺒِّﺤُﻮ ﻋَﺪُﻭِّﻛُﻢْ ﻭَﺍﻟْﻔِﻄْﺮُ ﺃَﻗْﻮَﻯ ﻟَﻜُﻢْ ﻓَﺄَﻓْﻄِﺮُﻭﺍ আগামীকাল তোমরা শত্রুর মোকাবেলা করবে, রোযা ভঙ্গ করলে তোমরা অধিক শক্তিশালী থাকবে, তাই তোমরা রোযা ভঙ্গ কর।[6] বৈধ কোন কারণে...

ইসলামে নারীর অবদান

সলামে নারীর অবদান * সর্বপ্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন খাদিজা (রাযিঃ)। * সর্বপ্রথম নারী শহীদ সুমাইয়া (রাযিঃ)। * দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সর্বপ্রথম বেশি ধন-সম্পদ দান করেন খাদিজা (রাযিঃ)। * সবচেয়ে বড় মুহাদ্দিস আয়শা সিদ্দীকা (রাযিঃ)। । * দ্বীনের জন্য সিমাহীন কষ্ট সহ্য করেন ফেরাউনের স্ত্রী। পুরুষ্কারঃ * এক জন নেককার নারী ৭০ জন ওলীর চেয়ে উত্তম। * এক জন বদকার নারী ১০০০ জন বদকার পুরুষের চেয়েও নিকৃষ্ট। * এক জন গর্ভবতী মহিলার ২ রাকাত নামাজ একজন গর্ভহীন মহিলার ৮০ রাকাত নামাজের চেয়েও উত্তম। * যখন স্বামী বাইরে থেকে পেরেসান হয়ে বাড়ী ফিরে তখন যদি তারা স্ত্রী স্বামীকে সান্তনা দেয়,ঐ স্ত্রীকে জিহাদের অর্ধেক নেকী দান করা হয়। * যে মহিলার সন্তানের কারনে রাতে ঘুমাতে পারেনা,তাকে ২০টি গোলাম আজাদ করার নেকি দানকরা হয়। * যে মহিলা যিকিরের সাথে ঘর ঝাড়ু দেয়,আল্লাহ তার আমল নামায় খানায়ে কাবা ঝাড়ু দেওয়ার ছোয়াব দান করেন। * যে মহিলা নামাজ রোজার পাবন্দী করে,পবিত্রতা রক্খা করে চলে,স্বামীর তাবেদারী করে চলে তাকে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। * ২ব্যক্তির নামাজ মাথার উপর উঠেনা,১_যে গোলাম মালিক থেকে প...

একজন মুসলিম বোনের প্রশ্ন এবং তার উত্তর!! আমার মুসলিম ভাই বোনদের ভেবে দেখার অনুরোধ রইল ...

Image
একজন মুসলিম বোনের প্রশ্ন এবং তার উত্তর!! আমার মুসলিম ভাই বোনদের ভেবে দেখার অনুরোধ রইল ... হঠাৎ করে কয়েকটা পেজের এডমিন হয়ে গেছি। যখন পেজগুলোতে ঢুকি মেসেজগুলো দেখে খুবই interesting লাগে। কইদিন আগে মেসেজে এক মেয়ে একটা প্রশ্ন করেছে। আমার কাছে মনে হয়েছে এই প্রশ্নগুলো আমাদের অনেকের মনেই আছে যারা ইসলাম নিয়ে খুব একটা জানেনা! তাই আমি প্রশ্নটার উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছি আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব হয়েছে!! প্রশ্নঃ আমার একটি প্রশ্ন আছে --ইসলাম এ তো প্রতিটি মানুষ এর জোড়া আল্লাহ আগে থেকে বানিয়েছে ...।আয়াতটা কি সত্যি ???? তাহলে যে আজকাল অনেক ধার্মিক ছেলে মেয়ে ও প্রেম এর সম্পর্কে আছে ।। তাহলে কি আয়াতটা ভুল।??? আমি যদি আল্লাহ র কাছে আমার ভালবাসার মানুস এর জন্য দুয়া করি তাহলে।।??? আমি কি ভাবে আল্লাহ র কাছে দুয়া করব।।??? এই সম্পর্কে ইসলাম কি বলে।।??? প্রেম ভালবাসা কি খারাপ।।??? প্লিজ আমাকে জানাবেন। উত্তরঃ আসসালামু আলাইকুম আপনার প্রশ্ন পড়ে মনে হচ্ছে ইসলাম নিয়ে আপনি খুবই ভয়ংকর ধারণা পোষণ করছেন। আপনার মন সন্দেহবাতিকগ্রস্থ। আমি আপনাকে স্পষ্ট করে কিছু কথা বললাম। আশা করি আপনি বুঝতে পারবেন। যদিও আপনার প্রশ্নটি নারী...

'হাশরের ময়দানে দেখা হবে' বলে বাসর রাতে স্ত্রী থেকে বিদায় নেবার গল্প।

Image
'হাশরের ময়দানে দেখা হবে' বলে বাসর রাতে স্ত্রী থেকে বিদায় নেবার গল্প। সাহাবাদের (রা) কাহিনী পড়ে অঝোরে কাঁদতে থাকি... কী ছিল তাদের ভালোবাসা আল্লাহর রাসূল (সা) আর ইসলামের জন্যে! আর কোথায় আমরা? নিজের শরীরটাকে দুঃখে ছিন্নভিন্ন করে ফেলতে ইচ্ছা করে! ইয়া আল্লাহ, আমাদেরকে তাদের মত করে আত্মত্যাগ করার তওফিক দাও, আমীন! সা'দ আল আসওয়াদ আস-সুলুমী (রা)-এর কথা কি আপনারা জানেন? নামটাও হয়তো অনেকে শুনে নি কোনদিন। তাঁর সমাজে হাই-স্ট্যাটাস ছিল না, তিনি ছিলেন গরীব, গায়ের রঙ কালো। কেউ তাঁর কাছে নিজের মেয়েও বিয়ে দিতে চাইতো না। সা'দ (রা) একদিন আল্লাহর রাসূল (সা) এর কাছে দুঃখ করে বলেছিলেন, "ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমিও কি জান্নাতে যাবো?" "আমি তো নীচু মাপের ঈমানদার হিসেবে বিবেচিত হই" "কেউ আমাকে নিজের মেয়ে দিতে রাজি হয় না" রাসূলুল্লাহ (সা) সাহাবীদের দুঃখ বুঝতেন নিজের আপন ভাইয়ের মত করে, নিজের সন্তানের মত করে। তিনি তাদেরকে অনুভব করতেন অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে। তিনি এই সা'দকে পাঠিয়েছিলেন ইবন আল-ওয়াহহাবের কাছে। সাধারণ কোন ব্যক্তি ছিলেন না ইবন ওয়াহহাব। তিনি হলেন মদীনার নেতাদের এ...

হায়রে বিয়ে! হায়রে লজ্জা! (পর্ব - ১)

Image
হায়রে বিয়ে! হায়রে লজ্জা! (পর্ব - ১) ক্লাসে একদিন মুদ্রাস্ফীতি পড়াতে পড়াতে কাগুজে টাকা ও স্বর্ণের প্রসঙ্গ আসলো । ম্যাম মজা করে ছেলেদের জিজ্ঞেস করলেন বলতো – স্বর্ণের দাম বাঁড়ায় তোমাদের কি ক্ষতি হয়েছে। ছেলেরা কেউ মুচকি মুচকি হাসছিল, কেউ বা বুঝতে না পেরে এদিক ওদিক মাথা নাড়ছিল । ম্যাম বললেন- স্বর্ণের দাম বেড়ে গেলে তোমাদের বিয়ে শাদী করতে দেরী হবে। তখন মেয়েরা হি হি করে হাঁসা শুরু করলো । ক্লাসে হাসির রোল পড়ে গেলো। ম্যাম এবার মেয়েদের দিকে ফিরে বললেন- তোমরা হাসছ কেন? ছেলেদের বিয়ে করতে দেরী হলে তোমাদের বিয়ের বয়স ও গড়ে ২ বছর বাড়ল এটা বুঝনা?মেয়েদের হাসি থেমে গেলো। ম্যাম এরপর ছেলেদের বললেন- তোমরা যারা তাড়াতাড়ি বিয়ে করতে চাও তাদের একটা সিক্রেট বুদ্ধি শিখিয়ে দিচ্ছি। তোমরা আফ্রিকার জোহানেসবারগ এ চলে যাবে। ওখানে ১০ ক্যরেট এর স্বর্ণ পাওয়া যায় , একদম কম দাম। ২০ ভরি স্বর্ণ দিবে বউকে একটু ও কষ্ট হবেনা। উপরের গল্পটা নিছক মজার একটা ঘটনা হলেও এখান থেকে আমাদের সমাজের আসল চিত্র টা ফুটে ওঠে । এই সমাজে বিয়ের মতো হালাল সম্পর্কে জড়াতে বুড়া কাল পর্যন্ত নিশ্চিন্তে থাকা যায় , অন্তত টাকা পয়সার ব্যাপারে এমন বরের চাহিদা ই...

লেখা-পড়া শেষ করে বিয়ে করার বিষয়ে ড. বেলাল ফিলিফস্ যা বললেন।

Image
পড়াশোনা শেষ করে তবেই বিয়ে করার সংস্কৃতি। বিলাল ফিলিপস যা বলেছেন এক. "বয়সে যারা নবীন তাদেরকে তাদেরই মতন নবীনদের বিয়ে করতে উৎসাহিত করা হয়েছে।  দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বর্তমান মুসলিম বিশ্বে  সন্তানদেরকে বলা হয় তাদের পড়াশোনা আগে  শেষ করতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি, অন্যান্য ডিগ্রি  ইত্যাদি শেষ করে তারপর বিয়ে করতে। এই  কারণে অনেক সন্তানকে তাদের জীবনের  সবচাইতে কঠিন সময়টা অবিবাহিত অবস্থায় পার করতে  হয়। যখন তারা ত্রিশের কাছাকাছি পৌঁছে, তখন তারা বিয়ে  করে। তাহলে ১৩ থেকে ৩০ বছরের এই প্রায় বিশটি বছর কী ঘটে? কী হয় তাদের জীবনে?  আর এই ভুলের জন্য দায়ী কে? প্রাথমিকভাবে,  এটা বাবা-মায়ের দোষ। যখন সন্তানরা বয়ঃসন্ধিতে  পৌঁছে যায় এবং শারীরিকভাবে সাবালক হয় তখন  তাদের সকল কাজের দায়ভার অবশ্যই তারাই বহন  করে, কিন্তু বাবা-মায়েরাও তাদের এই বিশাল পাপের  ভাগীদার হয় তাদেরকে এই অবস্থাটি থেকে মুক্তি  পেতে সাহায্য না করার জন্য।" --- ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপস♠ দুই. "বর্তমান সময়ে ২০-২২ বছরের কোন যুবক যদি  বিবাহ করতে চাই তাহলে সমাজ বলবে ছেলেটার  লাজ-লজ্জা সব গেল । কিন্তু ২০-২২ বছরের কোন যুবক কে পার্কে/রিক্সায় ক...

বিয়ের আগে প্রেম করা আর বিয়ের পরে সংসার করা দুটো আলাদা জিনিস।

Image
বিয়ের আগে প্রেম করা আর বিয়ের পরে সংসার করা-দুটো ভিন্ন জিনিস।

ব্যর্থ বিয়েঃ একটি বিশ্লেষন।

Image
একবার এক তরুণ আমাকে অসন্তোষের সুরে বলেছিল, “আমার বিয়েটা ব্যর্থ হয়েছে”। আমি সান্তনা দিয়ে উত্তরে বলেছিলাম, “যদি তোমার তালাক হয়ে থাকে তাহলে আল্লাহ্‘তালা তোমাকে আরেকজন স্ত্রী দেবেন, ইনশা’আল্লাহ্”। সে উত্তরে বলেছিল, “না , না, আমাদের তালাক হয় নি। কিন্তু আমাদের বিয়েটা ব্যর্থ হয়েছে, তবে আমরা এখনো একই সাথে থাকি”। আমাদের সমাজের ব্যর্থ বিয়েগুলোর একটি উল্লেখযোগ্য ক্যাটাগরি হচ্ছে এই ধরনের বিয়েগুলো। “আমরা সুখী নই, কিন্তু আমরা একই সাথে বসবাস করি”---আমাদের আশেপাশের অধিকাংশ ‘ব্যর্থ বিয়ে’ এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। বিভিন্ন কারণে অনেক দম্পতি হতাশার সাথে তাদের দুর্বিষহ বিবাহিত জীবনকে টেনে বেড়ায়। তাদের ভেতরে কেউ কেউ সমাজ- লোক লজ্জা- পারিবারিক মর্যাদার কথা ভাবেন। কেউ আবার অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা [নিজের ও সন্তানের] চিন্তা করেন, একবার বিয়ে ভেঙে গেলে আবার কে বিয়ে করবে (বিশেষ করে মেয়েরা), বাবা-ভাই যদি না দেখে তাহলে কোথায় যাবে --- এইসব ভেবে শোচনীয় দাম্পত্য জীবন কাটায়। “আমি জানি আমার মেয়ে খুব কষ্টের ভেতর আছে। তার স্বামী তার ভরণপোষণ করতে চায় না, তাই পেট চালানোর জন্য তাকে কাজ করতে হয়। শাশুড়িসহ শ্বশুরবাড়ির অনেকেই তার সা...

বিয়ের আগে প্রেম নয়, বিয়ের পরে পরকীয়া নয়। (তিনটি ঘটনা)

Image
                     ।  এক। ‘মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভালো লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায়সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না, তবে, একটিই।’ (সূরা নিসা-৩) ‘মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভালো লাগে’ আয়াতের এই অংশটুকু খুব গুরুত্বপূর্ণ। মুসলমান ছেলে-মেয়েরা বিয়ের জন্য পছন্দ করতে, ভালোবাসতে পারবে কিনা- তা এই আয়াত থেকে চিন্তা করার বিষয়। কিছুদিন আগে একটা লেখা পড়েছিলাম, ‘আমি কি ভালোবেসে বিয়ে করতে পারবো?’ ওই লেখায় বলা হয়েছে, পারিবারিক পছন্দে বিয়ে হওয়াই একমাত্র ইসলামসম্মত পন্থা নয়। মুসলিম ছেলে-মেয়েদের নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে বিয়ে করার পূর্ণ অধিকার আছে। সূরা নিসার ওই আয়াতের অনুবাদে মারীফুল কুরআনে বলা হয়েছে, ‘যাদের তোমরা পছন্দ করো’ আর আল কুরআন একাডেমির হাফেজ মুনির আহমেদ অনুবাদ করেছেন, ‘যাদেরকে তোমরা ভালোবাসো’। তবে ভালো লাগা, পছন্দ করা, আর প্রেম এক কথা নয়। প্রেম হচ্ছে সম্পর্ক (রিলেশনশিপ)। ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী প্রেম হতে পারে একমাত্র ব...

যে মেয়েটিকে আশা করছেন তার জন্য নিজেকে পিউর করেছেন কি??

Image
                            । এক। প্লেট থেকে চানাচুর খেতে গেলে দেখবেন সবাই বেঁছে বেঁছে বাদাম খাওয়া শুরু করে। এটা একটা সহজাত প্রবৃত্তি। আপনি আমি সবাই একই___ বেঁছেবেঁছে বাদাম খাওয়া শুরু করি! আমার এক বন্ধু একবার ঢাকায় আসলো। আমার হলে এসে আমার সাথে দেখা করল। জানালো তার এক আত্মীয় ঢাকা ভার্সিটির টিচার। আমাদের হলের পাশে টিচার্স কোয়ার্টারে থাকে। এই সেই কথা বলতে বলতে বলল, তার ঐ আত্মীয়ের নাকি একটা মেয়ে আছে খুব ভালো। বেশ ইসলামী মাইন্ডের, পর্দা করে। তার নাকি ওকে বিয়ে করার ইচ্ছে। মেয়ে পর্দা করে, ইসলামী মাইন্ডের, মেয়ে এই, মেয়ে সেই...... জিজ্ঞেস করলাম, what about you??আজ নামাজ পরেছিস? না! তুই তো জীবনটাই কাটিয়ে দিলি মেয়েদের পেছনে ঘুরে ঘুরে! এখন ফোন চেক করলে গোটা পঞ্চাশেক মেয়ের ফোন নাম্বার পাওয়াযাবে। ইসলাম তো প্র্যাকটিস করিস না! আমি তো জানি তুই কেমন। আর সেই তুই বিয়ের জন্য খুঁজছিস একটি সতী, ভালো, পর্দাশীল, ইসলামী মাইন্ডের মেয়ে...... রাস্তার ফকির থেকে কোট টাই এর সাহেব সবারই...

ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক ( শিক্ষনীয় ঘটনা)

Image
:::::একটি শিক্ষনীয় ঘটনা :::::: হযরত মূসা (আলাইহিস সালাম) একবার আল্লাহর কাছে আরয করেন- হে আল্লাহ! আমাকে আপনার ন্যায় বিচার ইনসাফের কিছু নমুনা দেখান। আল্লাহ বললেন- ঠিক আছে, অমুক দিকে যাও, সেখানে আমার ইনসাফের নমুনা দেখতে পাবে। হযরত মূসা (আলাইহিস সালাম) সেদিকে কিছু দূর যাওয়ার পর এক ঘন বৃক্ষরাজির ঝোপ দেখলেন, যার পাশে পাশ দিয়ে স্বচ্ছ ও পরিস্কার ঝর্ণার পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। তিনি সেই ঝোপের আড়ালে বসে পড়লেন। একটু পরে এক অশ্বারোহী এসে ঝর্ণা থেকে পানি পান করে চলে গেল। চলে যাওয়ার সময় ভূলে এক হাজার স্বর্ণমুদ্রার একটি থলি ফেলে গেল। একটু পরে একটি ছেলে সেই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় থলিটা দেখতে পেল এবং নিয়ে চলে গেল। ছেলেটি চলে যাওয়ার পর এক অন্ধ ব্যক্তি এসে ঝর্ণায় অযু করতে লাগলো। এদিকে অশ্বারোহী কিছু দূর যাওয়ার পর থলির কথা স্বরণ হলে সঙ্গে সঙ্গে ঝর্ণার দিকে ফিরে আসলো এবং থলি খুজে না পেয়ে অন্ধ লোকটিকে জিজ্ঞেস করলো। অন্ধ লোকটি বললো, আমি কিছু জানিনা আমি কোন থলি পাইনি। এতে অশ্বারোহী খুবই রাগান্বিত হয়ে ওকে খুন করে ফেললো। হযরত মূসা (আলাইহিস সালাম) আড়ালে বসে এ সব ঘটনা দেখছিলেন এবং মনে মনে ভাবছিলেন এটা কোন্ ধরনের বিচার? ...

একটি শিক্ষনীয় ঘটনা

Image
:::::একটি শিক্ষনীয় ঘটনা :::::: দুই বন্ধু মিলে দেশ ভ্রমণে বের হলো। এদের একজন ছিল অন্ধ। হাঁটতে হাঁটতে ওরা এমন এক জায়গায় আসলো যেখানে রাতে খুব ঠান্ডা আর দিনে প্রচণ্ড গরম। দুই বন্ধু এক গাছের নীচে ঘুমিয়ে পড়লো। সকালে যে বন্ধু চোখে দেখতে পায়, সে খাবারের খোঁজে বের হলো। অন্ধ বন্ধুটি আশপাশে যা আছে তা ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখতে লাগলো। একটি সাপ বরফে জমে অবশ হয়ে এক পাশে মরার মত শুয়ে ছিল। অন্ধ বন্ধুটি সাপটিকে ধরে ভাবলো এটি একটি লাঠি। সে খুব খুশী হয়ে সেটা হাতে নিল, ভাবলো পথ চলতে এটা তার অনেক কাজে লাগবে। মৃতপ্রায় সাপকে হাতে নিয়ে সে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করলো। অন্য বন্ধু খাবার নিয়ে ফিরে এসে সাপ দেখে ভয়ে চিৎকার করে উঠলো। বন্ধুকে বললো, তাড়াতাড়ি এটা হাত থেকে ফেলে দাও। অন্ধ বন্ধু কিছুতেই বিশ্বাস করলো না যে এটা লাঠি না; বরং সাপ। সে ভাবলো তার কুড়িয়ে পাওয়া দামী লাঠি বন্ধু মনে হয় নিয়ে নিতে চাইছে। সে কিছুতেই বন্ধুর কথায় রাজী হলো না। তাই উপায় না দেখে দৃষ্টিমান বন্ধু আবারো অন্ধ বন্ধুকে সাথে নিয়ে পথ চলা শুরু করলো। দিনের বেলা রোদ উঠে তাপ বাড়তে লাগলো, সাপটি তার চেতনা ফিরে পেতে শুরু করলো। একটু পরে সে অন্ধ বন্ধুকে ছোবল দিল। ব...

হে ভাই-বোনেরা তোমাদের দুই হাত ধরে বলি প্লিজ প্লিজ পুরো লিখাটা পড়বে।

Image
হে ভাই-বোনেরা তোমাদের দুই হাত ধরে বলি প্লিজ প্লিজ পুরো লিখাটা পড়বে ----- ___________________________ মনে করুন, আপনি লম্বা হয়ে শুয়ে আছেন । অনেক চেষ্টা করেও আপনার হাত পা নাড়াতে পারছেন না। দুই পাশে আপনার ছোট ছোট বাচ্চারা কান্না কাটি করছে। চোখ দুটি একটু উপরে করে দেখলেন শুধু বাচ্চারা নয়, আপনার সকল আত্বীয়রাও আছে এখানে। আপনার পুরানো সব বন্ধু বান্ধবরাও এসে হাজির। যাদের সাথে দেখাতো দুরের কথা, কয়েক বছোর আপনার যোগাযোগ নাই। চারদিকে সবাই কান্না করছে। এতো কান্না নয়, যেনো বুক ফাটা আওয়াজ। আপনি অবাক হয়ে তদের চেহারার দিকে দেখে আছেন, যেনো আপনার করনীয় কিছুই নাই। আপনি গলা ফাটিয়ে জোরে জোরে চিৎকার করে বলতে লাগলেন তোমারা কান্না বন্ধ করো বন্ধ করো কান্না। আমার কিছুই হয়নি । আমি ভালো আছি..। আপনার আওয়াজ তাদের কান্নার সুরে জেনো বিলিন হয়ে যাচ্ছে। কেউ আপনার আওয়াজ শুনতে পারচ্ছেনা। এক সময় বুঝতে পারলেন আপনার শরীর থেকে আপনি আলাদা হয়ে গেলেন। মেঝেতে পরে আছে আপনার শরীরটা। কষ্টকরে টাকা জমিয়ে যে বিছানা বানিয়েছেন সুখের জন্য, সেই বিছানায় এই শরীরটার জায়গা হয়নি। ঘরথেকে বেরিয়ে গেলেন। সেকি!! এখানেও মানুষ আর ...

সৌন্দর্য কতদিন থাকবে?

Image
আপনি যতই দামী শ্যাম্পু দিয়ে মাথার চুল পরিষ্কার করেন না কেনো – একদিন ঠিকই চুলগুলো খুলে যাবে । আপনি মারা গেলে আপনার মাথার চামড়া পচে যাবে, চুলগুলো খুলে যাবে – মাটিতে ছড়িয়ে পড়বে । আপনি যতই দামী কসমেটিকস দিয়ে চেহারাকে সাজান না কেনো - একদিন ঠিকই এর গোশত খুলে খুলে পড়বে । আপনি মারা গেলে আপনার চেহারাটাও পচে যাবে, গোশত খুলে হাড্ডি বের হয়ে আসবে । আপনি যতই দামী লোশান দিয়ে আপনার শরীরটাকে সুন্দর করে রাখেন না কেনো – আপনি মারা গেলে ঠিকই এই সুন্দর শরীরটা পচে যাবে । পোঁকা ও কীট পতঙ্গে খাবে । চিন্তা করে দেখুনতো – আপনার শরীরে একটা পোকা উঠে কুড়েকুড়ে খাচ্ছে – আপনি সামান্য হাত পর্যন্ত নাড়াতে পারছেন না, পোকাটাকে তাড়ানোর জন্য । অথচ দুনিয়ার জীবনে আপনি কত শক্তিশালী ছিলেন ! আপনি নামায পড়বেন সেটা আপনার কবরের জন্য আলো ও শান্তির কারণ হবে । আপনি পেশাব করে পানি নিতেন না, পেশাব লাগতো গায়ে, কবরে আজাব হবে । আপনি অন্যের গীবত করে বেড়াতেন, চোগলখুরী করে বেড়াতেন – আপনার কবরে কঠিন শাস্তি হবে । আপনি ঋণ পরিশোধ না করেই মাছ মাংস পোলাও মিষ্টি খাচ্ছেন, জালিমদের কাতারে আপনার হাশর হবে -

হে যুবক কোন দিকে যাও!! জান্নাতি হুর তোমাকে ডাকছে

Image
হে যুবক! তুমি একি করছ? টগবগে তোমার যৌববন তুমি কার পেছনে ব্যায় করছ, যাকে কিছুক্ষণ আগে ভ্রমর এসে মধু আহরন করেছে!! বরং তুমি তার দিকে যাও,,,,,,,,, নাম তার হুর। যে হবেন উঠতি বয়সের যুবতী রমণী। তাঁদের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গে প্রবাহিত থাকবে নব যৌবনের স্বর্গীয় সুধা। তাদের গাল হবে গোলাপ ও আপেলের মত লাল মিশ্রিত সাদা বর্ণের। গলায় পরানো থাকবে মণি-মুক্তার অলংকার। তাদের চেহারা সূর্যের মত উজ্জ্বল চকচকে হবে। তারা যখন হাসবে, তখন তাদের মুখমন্ডল থেকে বিজলির মত আলোর চমক বের হতে থাকবে। জান্নাতবাসী একজন পুরুষ তাঁর স্ত্রীর গালে নিজের চেহারা দেখতে পাবেন। যেমন আয়নায় নিজের ছবি দেখতে পাওয়া যায়। মাংস ও পোষাকের ভিতরে আচ্ছাদিত হাড়ের মগজ সমূহ বাহির থেকে দেখা যাবে। জান্নাতের একজন হুর যদি দুনিয়াতে একবার দৃষ্টি দিত, তাহলে আকাশ ও জমিনের মধ্যবর্তী স্থান সুভাসে ভরে যেত, সমস্ত সৃষ্টি আল্লাহর প্রশংসা ও বড়ত্ব বর্ণনা করত, পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তকে তথা সমগ্র পৃথিবীটাকে সুসজ্জিত করে দিতো, প্রতিটি চোখ সকল জিনিষ থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে তাঁর দিকে চেয়ে থাকত, সূর্যের আলোতে যেমন তারকারাজির আলো মিটে যায়, তেমনি তাঁর চেহারার আলোতে সূর্যের আলো...

বিয়ে আর ডেটিং কী একই?!

Image
বিয়ে  আর ডেটিং কি একই??? আসুন আমরা একটু চিন্তা করি, বিয়ের মাধ্যমে নিজের লজ্জাস্থান সংরক্ষিত রাখার বিষয়ে। বর্তমান সময়ে একজন যুবক বিয়ে করার পূর্বে কি করছে? ধরুন সে এদিক সেদিক কিছু মুভি দেখেছে, মানে তাওবা করে ধার্মিক হওয়ার আগে আরকি। আর এসব মুভির মাধ্যমে তার মধ্যে ভালোবাসা আর বিয়ে নিয়ে কিছু ধারণা গড়ে উঠছে। প্রায়ই ভাইয়েরা আমার কাছে এসে বলে, “ভাই, আমার বিয়ে করা খুবই জরুরি”। তাদের ভিতর এমন একটা ধারণা হয়েছে যে, একবার বিয়ে হয়ে গেলেই যাবতীয় লালসা নিমিষেই উধাও হয়ে যাবে, জীবন শান্তিতে পূর্ণ হবে, “আমরা একসাথে কুরআন পড়ব” ইত্যাদি ইত্যাদি...। এটা একটা আধ্যাত্মিক ব্যাপার হয়ে উঠবে, আর এভাবে তাদের মনে বিয়ে নিয়ে অতিরঞ্জিত একটি ধারণা গড়ে উঠে। আপনারা যারা বিবাহিত তারা খুব সম্ভবত হাসতেও ভুলে গিয়েছেন, আপনারা ভাবছেন “এইসব কি বলছে?” কারন আপনারা ভুলেই গিয়েছেন এসব অনুভুতির কথা। অবশ্যই আপনারা কখনও কখনও কঠিন বাঁধার সম্মুখীন হন, কারন আমাদের বিয়ে সম্পর্কে যা দেখানো হয়, যে ধারণা দেয়া হয়, বিশেষ করে আধুনিক সময়ে, সে মুসলিমই হোক আর অমুসলিম, আধুনিক সময়ে নারী আর পুরুষের মাঝে ভালোবাসা, নির্ভরশীল...

একজন ভালো স্ত্রী পুরুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।

Image
*একজন দ্বীনদার স্ত্রী আল্লাহর পক্ষ থেকে পাওয়া শ্রেষ্ঠ নেয়ামত সাইফুল্লাহ সাহেবকে তার স্ত্রী ডাকছেন , এই উঠো ! ফজরের আযান হচ্ছে । চোখ কচলাতে কচলাতে সাইফুল্লাহ সাহেব ঘুম থেকে উঠে বসে প্রথমে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলতেই চোখ চলে যায় ফ্লোরে । জায়নামায বিছানো দেখে আলহামদুলিল্লাহ বলে উঠেন । স্ত্রীকে বলেন , তুমি তাহাজ্জুদ পড়তে উঠে আর ঘুমাও নি? স্ত্রী বললেন, আলহামদুলিল্লাহ না । সাইফুল্লাহ সাহেব আর কিছু না বলে খাট থেকে নামতেই স্ত্রী বলে উঠেন , বাথরুমে তোমার জন্য গরম পানি রাখা আছে । উযু করে নাও এবং সুন্নাত বাসায় পড়ে ফরজটা মসজিদে । সাইফুল্লাহ সাহেব মুচকি হেঁসে জাযাকাল্লাহু খাইরান বলে দ্রুত বাথরুমে চলে গেলেন । মসজিদ থেকে এসে দেখেন স্ত্রী কুরান পড়ছে । সাইফুল্লাহ সাহেব ১০ টার দিকে অফিসে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হলেন । স্ত্রী অফিসের ব্যাগটা গুছিয়ে দিলেন । যথারীতি আজকেও বিদায় নেয়ার সময় দুজন একসাথে সালাম দিতে গিয়ে মুচকি হেসে দিলেন । অফিস পথে সাইফুল্লাহ সাহেব জ্যামে পড়লেন । ভাবছেন , একজন দ্বীনদার স্ত্রী আল্লাহর পক্ষ থেকে পাওয়া শ্রেষ্ঠ নেয়ামত । বিয়ে করার পর থেকে প্রতিদিন স্ত্রী আমাকে তাহাজ্জুদ পড়তে ডেকে...