Posts

Showing posts with the label রাসূলুল্লাহ সাঃ এর আদর্শ

বিপদে দোয়া কবুল ঘটনা ১

একদা হযরত ওমর ফারুক (রা:) একদা হযরত ওমর ফারুক (রা:) মদীনার কোন এক গলিপথ দিয়ে হেঁটে চলছিলেন। হঠাৎ একটি যুবকের প্রতি তাঁর দৃষ্টি পড়ে গেল। সে তার পরিহিত বস্ত্রের নীচে একটি বোতল লুকিয়ে রেখেছিল। হযরত ওমর (রা:) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে যুবক! তুমি তোমার বস্ত্রের নীচে কি ঢেকে রেখেছ ? বোতলটি মদ ভর্তি ছিল; সুতরাং যুবকটি জবাব দিতে ইতস্তত: করছিল; কিন্তু সে তখন আত্ম অনুশোচনায় ও ভয়-ভীতিতে বিহবল অবস্থায় আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করল: হে মাবুদ ! আমাকে তুমি খলিফা ওমর (রা:) এর সামনে লজ্জিত করো না।তাঁর কাছ থেকে ত্রুটি ও অপরাধ গোপন রাখ। আমি তোমার নিকট খাঁটি তওবাহ করছি এবং এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, জীবনে আর কোনদিনই আমি মদ স্পর্শ করবো না। এরুপ তওবাহ করার পরক্ষণেই যুবক হযরত ওমর (রা:) এর প্রশ্নের জবাব দিল যে, হে খলিফা! আমার কাছে এটি একটি সিরকার বোতল; কিন্তু খলিফা তার কথায় পূর্ণ আস্থা না এনে বোতলটি দেখতে চাইলেন। তাঁর ইচ্ছানুযায়ী তখন বোতলটি তার সামনে পেশ করা হল।দেখা গেল যে, বোতলটি মধ্যে সত্যিই সিরকা ভর্তি রয়েছে। কেউ এভাবে ভীত মনে কোন লজ্জাজনক ও পাপকাজ থেকে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানালে এবং খাঁটি তাওবাহ করে নিলে আল্...

ডাক্তার যদি রোযা রাখতে নিষেধ করে!!

প্রশ্নঃ (৪০১) জনৈক মহিলা কঠিন রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে ডাক্তারগণ তাকে রোযা রাখতে নিষেধ করেছে। এর বিধান কি? উত্তরঃ আল্লাহ্ বলেন, ] ﺷَﻬْﺮُ ﺭَﻣَﻀَﺎﻥَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﻓِﻴﻪِ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥُ ﻫُﺪًﻯ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ ﻭَﺑَﻴِّﻨَﺎﺕٍ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻬُﺪَﻯ ﻭَﺍﻟْﻔُﺮْﻗَﺎﻥِ ﻓَﻤَﻦْ ﺷَﻬِﺪَ ﻣِﻨْﻜُﻢْ ﺍﻟﺸَّﻬْﺮَ ﻓَﻠْﻴَﺼُﻤْﻪُ ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﺃُﺧَﺮَ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻴُﺴْﺮَ ﻭَﻟَﺎ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺑِﻜُﻢْ ﺍﻟْﻌُﺴْﺮَ [ রামাযান হচ্ছে সেই মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কুরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়াত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট পথনির্দেশ। আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ অথবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে, সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করে নিবে। আল্লাহ্ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য কঠিন কামনা করেন না।(সূরা বাক্বারাঃ ১৮৫) মানুষ যদি এমন রোগে আক্রান্ত হয় যা থেকে সুস্থ হওয়ার কোন আশা নেই। তবে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকীনকে খাদ্য খাওয়াবে। খাদ্য দেয়ার পদ্ধতি হচ্ছে, মিসকীনকে পরিমাণমত চাউল প্...

রোযা ভঙ্গের গ্রহণ যোগ্য কারণ কি কি

প্রশ্নঃ (৩৯৮) রোযা ভঙ্গের গ্রহণযোগ্য কারণ কি কি? উত্তরঃ রোযা ভঙ্গের কারণ সমূহ হচ্ছেঃ ১) অসুস্থতা, ২) সফর। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ্ বলেন, ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﺃُﺧَﺮَ আর যে ব্যক্তি অসুস্থ হবে অথবা সফরে থাকবে (সে রোযা ভঙ্গ করে) অন্য দিনে তা কাযা আদায় করে নিবে।(সূরা বাক্বারাঃ ১৮৫) ৩) গর্ভবতী নারীর নিজের বা শিশুর জীবনের আশংকা করলে রোযা ভঙ্গ করবে। ৪) সন্তানকে দুগ্ধদানকারীনী নারী যদি রোযা রাখলে নিজের বা সন্তানের জীবনের আশংকা করে তবে রোযা ভঙ্গ করবে। ৫) কোন বিপদগ্রস্ত মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে রোযা ভঙ্গ করা: যেমন পানিতে ডুবন্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার, আগুন থেকে বাঁচাতে গিয়ে দরকার হলে রোযা ভঙ্গ করা। ৬) আল্লাহ্র পথে জিহাদে থাকার সময় শরীরে শক্তি বজায় রাখার জন্য রোযা ভঙ্গ করা। কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের সময় ছাহাবীদেরকে বলেছিলেন, ﺇِﻧَّﻜُﻢْ ﻣُﺼَﺒِّﺤُﻮ ﻋَﺪُﻭِّﻛُﻢْ ﻭَﺍﻟْﻔِﻄْﺮُ ﺃَﻗْﻮَﻯ ﻟَﻜُﻢْ ﻓَﺄَﻓْﻄِﺮُﻭﺍ আগামীকাল তোমরা শত্রুর মোকাবেলা করবে, রোযা ভঙ্গ করলে তোমরা অধিক শক্তিশালী থাকবে, তাই তোমরা রোযা ভঙ্গ কর।[6] বৈধ কোন কারণে...

We Love Muhammad (s) - রেহনুমা বিনত আনিস।

Image
We Love Muhammad (S) লিখেছেন  রেহনুমা বিনত আনিস  ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১২, বিকেল ০৪:৪৮ আমার পাঁচ বছর বয়সী পুত্র কিছুদিন যাবত নিজ থেকেই চলতে ফিরতে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে। ওর সাথে কথা বলে নিশ্চিত হলাম আল্লাহর সম্পর্কে ওর ধারণা এখন যথেষ্ট স্বচ্ছ। এই ব্যাপারে সন্তুষ্ট হবার পর ওকে শেখালাম, ‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’। এখন চলছে মুহাম্মাদ (সা) সম্পর্কে জানার পর্ব। তিনি কে ছিলেন, দেখতে কেমন ছিলেন, মানুষ হিসেবে কেমন ছিলেন, কিভাবে চলতেন, কি খেতে ভালবাসতেন, মানুষের সাথে কেমন ব্যাবহার করতেন, আল্লাহর সাথে তাঁর সম্পর্ক কেমন ছিল, আমরা তাঁর কাছ থেকে কি শিখব ইত্যাদি। ঠিক এ’সময় এক ইহুদীর বানানো ছবি নিয়ে পৃথিবীব্যাপী তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। তখন আমার পুত্রকন্যার পাশাপাশি আমার ছাত্রছাত্রীরাও জানতে চায় রাসূ্ল (সা) কে ছিলেন, কেমন ছিলেন, তাঁর শিক্ষা কি, তাঁর প্রতি আমাদের অনুভূতি কেমন হওয়া উচিত – ক্ষুদে অনুসন্ধিৎসুদের প্রশ্নের শেষ নেই।  তাদের তাই বলি যা আল্লাহ বলেছেন, ‘তোমাদের কাছে এসেছে তোমাদের মধ্য থেকেই একজন রাসূল। তোমাদের দুঃখ-কষ্ট তাঁর পক্ষে দুঃসহ। তিনি তোমাদের মঙ্গলকামী, মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল, দয়াময়। এ সত্...

We Love Muhammad (s)

Image
We Love Muhammad (S) লিখেছেন  রেহনুমা বিনত আনিস  ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১২, বিকেল ০৪:৪৮ আমার পাঁচ বছর বয়সী পুত্র কিছুদিন যাবত নিজ থেকেই চলতে ফিরতে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে। ওর সাথে কথা বলে নিশ্চিত হলাম আল্লাহর সম্পর্কে ওর ধারণা এখন যথেষ্ট স্বচ্ছ। এই ব্যাপারে সন্তুষ্ট হবার পর ওকে শেখালাম, ‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’। এখন চলছে মুহাম্মাদ (সা) সম্পর্কে জানার পর্ব। তিনি কে ছিলেন, দেখতে কেমন ছিলেন, মানুষ হিসেবে কেমন ছিলেন, কিভাবে চলতেন, কি খেতে ভালবাসতেন, মানুষের সাথে কেমন ব্যাবহার করতেন, আল্লাহর সাথে তাঁর সম্পর্ক কেমন ছিল, আমরা তাঁর কাছ থেকে কি শিখব ইত্যাদি। ঠিক এ’সময় এক ইহুদীর বানানো ছবি নিয়ে পৃথিবীব্যাপী তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। তখন আমার পুত্রকন্যার পাশাপাশি আমার ছাত্রছাত্রীরাও জানতে চায় রাসূ্ল (সা) কে ছিলেন, কেমন ছিলেন, তাঁর শিক্ষা কি, তাঁর প্রতি আমাদের অনুভূতি কেমন হওয়া উচিত – ক্ষুদে অনুসন্ধিৎসুদের প্রশ্নের শেষ নেই।  তাদের তাই বলি যা আল্লাহ বলেছেন, ‘তোমাদের কাছে এসেছে তোমাদের মধ্য থেকেই একজন রাসূল। তোমাদের দুঃখ-কষ্ট তাঁর পক্ষে দুঃসহ। তিনি তোমাদের মঙ্গলকামী, মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল, দয়াময়। এ সত্...

যুবক, যিনা, যৌনতা : একটি শিক্ষণীয় ঘটনা ও ব্যভিচার হতে তওবা

Image
যুবক, যিনা, যৌনতা : একটি শিক্ষণীয় ঘটনা ও ব্যভিচার হতে তওবা একদা এক মজলিসে এক যুবক এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলল, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ,আমাকে যিনা করার অনুমতি দিন।’একথা শুনে উপস্থিত সবাই চমকে উঠলেন এবং তাকে তিরস্কার করতে লাগলেন, কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (আদরের সহিত) আমার কাছে এসো, সে কাছে এল। বললেন, বসো, সে বসলো। এরপর (তার ঊরুতে হাত রেখে) বললেন, ‘তুমি কি তোমার মায়ের জন্য এটা পছন্দ করবে?’ সে বলল, না ইয়া রাসূলুল্লাহ। আল্লাহ আমাকে আপনার প্রতি উৎসর্গিত করুন। কোনো মানুষই তার মায়ের জন্য এটা পছন্দ করবে না।’ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘তাহলে তোমার মেয়ের জন্য?’ যুবকটি বলল, না, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি আপনার প্রতি উৎসর্গিত। কোনো মানুষই তার মেয়ের জন্য এটা পছন্দ করবে না।’ নবীজী (সা) জিজ্ঞাসা করলেন, তাহলে তোমার বোনের জন্য?’ যুবক বলল, ‘না ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি আপনার প্রতি উৎসর্গিত। কোনো মানুষই তার বোনের জন্য এটা পছন্দ করবে না।’ নবীজী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তাহলে তোমার ফুফুর জন্য?’ যুবক বলল,‘না ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি আপনার প্রতি উৎসর্গিত। কোনো মানুষই তা...

ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক ( শিক্ষনীয় ঘটনা)

Image
:::::একটি শিক্ষনীয় ঘটনা :::::: হযরত মূসা (আলাইহিস সালাম) একবার আল্লাহর কাছে আরয করেন- হে আল্লাহ! আমাকে আপনার ন্যায় বিচার ইনসাফের কিছু নমুনা দেখান। আল্লাহ বললেন- ঠিক আছে, অমুক দিকে যাও, সেখানে আমার ইনসাফের নমুনা দেখতে পাবে। হযরত মূসা (আলাইহিস সালাম) সেদিকে কিছু দূর যাওয়ার পর এক ঘন বৃক্ষরাজির ঝোপ দেখলেন, যার পাশে পাশ দিয়ে স্বচ্ছ ও পরিস্কার ঝর্ণার পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। তিনি সেই ঝোপের আড়ালে বসে পড়লেন। একটু পরে এক অশ্বারোহী এসে ঝর্ণা থেকে পানি পান করে চলে গেল। চলে যাওয়ার সময় ভূলে এক হাজার স্বর্ণমুদ্রার একটি থলি ফেলে গেল। একটু পরে একটি ছেলে সেই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় থলিটা দেখতে পেল এবং নিয়ে চলে গেল। ছেলেটি চলে যাওয়ার পর এক অন্ধ ব্যক্তি এসে ঝর্ণায় অযু করতে লাগলো। এদিকে অশ্বারোহী কিছু দূর যাওয়ার পর থলির কথা স্বরণ হলে সঙ্গে সঙ্গে ঝর্ণার দিকে ফিরে আসলো এবং থলি খুজে না পেয়ে অন্ধ লোকটিকে জিজ্ঞেস করলো। অন্ধ লোকটি বললো, আমি কিছু জানিনা আমি কোন থলি পাইনি। এতে অশ্বারোহী খুবই রাগান্বিত হয়ে ওকে খুন করে ফেললো। হযরত মূসা (আলাইহিস সালাম) আড়ালে বসে এ সব ঘটনা দেখছিলেন এবং মনে মনে ভাবছিলেন এটা কোন্ ধরনের বিচার? ...

একটি শিক্ষনীয় ঘটনা

Image
:::::একটি শিক্ষনীয় ঘটনা :::::: দুই বন্ধু মিলে দেশ ভ্রমণে বের হলো। এদের একজন ছিল অন্ধ। হাঁটতে হাঁটতে ওরা এমন এক জায়গায় আসলো যেখানে রাতে খুব ঠান্ডা আর দিনে প্রচণ্ড গরম। দুই বন্ধু এক গাছের নীচে ঘুমিয়ে পড়লো। সকালে যে বন্ধু চোখে দেখতে পায়, সে খাবারের খোঁজে বের হলো। অন্ধ বন্ধুটি আশপাশে যা আছে তা ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখতে লাগলো। একটি সাপ বরফে জমে অবশ হয়ে এক পাশে মরার মত শুয়ে ছিল। অন্ধ বন্ধুটি সাপটিকে ধরে ভাবলো এটি একটি লাঠি। সে খুব খুশী হয়ে সেটা হাতে নিল, ভাবলো পথ চলতে এটা তার অনেক কাজে লাগবে। মৃতপ্রায় সাপকে হাতে নিয়ে সে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করলো। অন্য বন্ধু খাবার নিয়ে ফিরে এসে সাপ দেখে ভয়ে চিৎকার করে উঠলো। বন্ধুকে বললো, তাড়াতাড়ি এটা হাত থেকে ফেলে দাও। অন্ধ বন্ধু কিছুতেই বিশ্বাস করলো না যে এটা লাঠি না; বরং সাপ। সে ভাবলো তার কুড়িয়ে পাওয়া দামী লাঠি বন্ধু মনে হয় নিয়ে নিতে চাইছে। সে কিছুতেই বন্ধুর কথায় রাজী হলো না। তাই উপায় না দেখে দৃষ্টিমান বন্ধু আবারো অন্ধ বন্ধুকে সাথে নিয়ে পথ চলা শুরু করলো। দিনের বেলা রোদ উঠে তাপ বাড়তে লাগলো, সাপটি তার চেতনা ফিরে পেতে শুরু করলো। একটু পরে সে অন্ধ বন্ধুকে ছোবল দিল। ব...

হে ভাই-বোনেরা তোমাদের দুই হাত ধরে বলি প্লিজ প্লিজ পুরো লিখাটা পড়বে।

Image
হে ভাই-বোনেরা তোমাদের দুই হাত ধরে বলি প্লিজ প্লিজ পুরো লিখাটা পড়বে ----- ___________________________ মনে করুন, আপনি লম্বা হয়ে শুয়ে আছেন । অনেক চেষ্টা করেও আপনার হাত পা নাড়াতে পারছেন না। দুই পাশে আপনার ছোট ছোট বাচ্চারা কান্না কাটি করছে। চোখ দুটি একটু উপরে করে দেখলেন শুধু বাচ্চারা নয়, আপনার সকল আত্বীয়রাও আছে এখানে। আপনার পুরানো সব বন্ধু বান্ধবরাও এসে হাজির। যাদের সাথে দেখাতো দুরের কথা, কয়েক বছোর আপনার যোগাযোগ নাই। চারদিকে সবাই কান্না করছে। এতো কান্না নয়, যেনো বুক ফাটা আওয়াজ। আপনি অবাক হয়ে তদের চেহারার দিকে দেখে আছেন, যেনো আপনার করনীয় কিছুই নাই। আপনি গলা ফাটিয়ে জোরে জোরে চিৎকার করে বলতে লাগলেন তোমারা কান্না বন্ধ করো বন্ধ করো কান্না। আমার কিছুই হয়নি । আমি ভালো আছি..। আপনার আওয়াজ তাদের কান্নার সুরে জেনো বিলিন হয়ে যাচ্ছে। কেউ আপনার আওয়াজ শুনতে পারচ্ছেনা। এক সময় বুঝতে পারলেন আপনার শরীর থেকে আপনি আলাদা হয়ে গেলেন। মেঝেতে পরে আছে আপনার শরীরটা। কষ্টকরে টাকা জমিয়ে যে বিছানা বানিয়েছেন সুখের জন্য, সেই বিছানায় এই শরীরটার জায়গা হয়নি। ঘরথেকে বেরিয়ে গেলেন। সেকি!! এখানেও মানুষ আর ...

সৌন্দর্য কতদিন থাকবে?

Image
আপনি যতই দামী শ্যাম্পু দিয়ে মাথার চুল পরিষ্কার করেন না কেনো – একদিন ঠিকই চুলগুলো খুলে যাবে । আপনি মারা গেলে আপনার মাথার চামড়া পচে যাবে, চুলগুলো খুলে যাবে – মাটিতে ছড়িয়ে পড়বে । আপনি যতই দামী কসমেটিকস দিয়ে চেহারাকে সাজান না কেনো - একদিন ঠিকই এর গোশত খুলে খুলে পড়বে । আপনি মারা গেলে আপনার চেহারাটাও পচে যাবে, গোশত খুলে হাড্ডি বের হয়ে আসবে । আপনি যতই দামী লোশান দিয়ে আপনার শরীরটাকে সুন্দর করে রাখেন না কেনো – আপনি মারা গেলে ঠিকই এই সুন্দর শরীরটা পচে যাবে । পোঁকা ও কীট পতঙ্গে খাবে । চিন্তা করে দেখুনতো – আপনার শরীরে একটা পোকা উঠে কুড়েকুড়ে খাচ্ছে – আপনি সামান্য হাত পর্যন্ত নাড়াতে পারছেন না, পোকাটাকে তাড়ানোর জন্য । অথচ দুনিয়ার জীবনে আপনি কত শক্তিশালী ছিলেন ! আপনি নামায পড়বেন সেটা আপনার কবরের জন্য আলো ও শান্তির কারণ হবে । আপনি পেশাব করে পানি নিতেন না, পেশাব লাগতো গায়ে, কবরে আজাব হবে । আপনি অন্যের গীবত করে বেড়াতেন, চোগলখুরী করে বেড়াতেন – আপনার কবরে কঠিন শাস্তি হবে । আপনি ঋণ পরিশোধ না করেই মাছ মাংস পোলাও মিষ্টি খাচ্ছেন, জালিমদের কাতারে আপনার হাশর হবে -

হে যুবক কোন দিকে যাও!! জান্নাতি হুর তোমাকে ডাকছে

Image
হে যুবক! তুমি একি করছ? টগবগে তোমার যৌববন তুমি কার পেছনে ব্যায় করছ, যাকে কিছুক্ষণ আগে ভ্রমর এসে মধু আহরন করেছে!! বরং তুমি তার দিকে যাও,,,,,,,,, নাম তার হুর। যে হবেন উঠতি বয়সের যুবতী রমণী। তাঁদের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গে প্রবাহিত থাকবে নব যৌবনের স্বর্গীয় সুধা। তাদের গাল হবে গোলাপ ও আপেলের মত লাল মিশ্রিত সাদা বর্ণের। গলায় পরানো থাকবে মণি-মুক্তার অলংকার। তাদের চেহারা সূর্যের মত উজ্জ্বল চকচকে হবে। তারা যখন হাসবে, তখন তাদের মুখমন্ডল থেকে বিজলির মত আলোর চমক বের হতে থাকবে। জান্নাতবাসী একজন পুরুষ তাঁর স্ত্রীর গালে নিজের চেহারা দেখতে পাবেন। যেমন আয়নায় নিজের ছবি দেখতে পাওয়া যায়। মাংস ও পোষাকের ভিতরে আচ্ছাদিত হাড়ের মগজ সমূহ বাহির থেকে দেখা যাবে। জান্নাতের একজন হুর যদি দুনিয়াতে একবার দৃষ্টি দিত, তাহলে আকাশ ও জমিনের মধ্যবর্তী স্থান সুভাসে ভরে যেত, সমস্ত সৃষ্টি আল্লাহর প্রশংসা ও বড়ত্ব বর্ণনা করত, পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তকে তথা সমগ্র পৃথিবীটাকে সুসজ্জিত করে দিতো, প্রতিটি চোখ সকল জিনিষ থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে তাঁর দিকে চেয়ে থাকত, সূর্যের আলোতে যেমন তারকারাজির আলো মিটে যায়, তেমনি তাঁর চেহারার আলোতে সূর্যের আলো...

বিয়ে আর ডেটিং কী একই?!

Image
বিয়ে  আর ডেটিং কি একই??? আসুন আমরা একটু চিন্তা করি, বিয়ের মাধ্যমে নিজের লজ্জাস্থান সংরক্ষিত রাখার বিষয়ে। বর্তমান সময়ে একজন যুবক বিয়ে করার পূর্বে কি করছে? ধরুন সে এদিক সেদিক কিছু মুভি দেখেছে, মানে তাওবা করে ধার্মিক হওয়ার আগে আরকি। আর এসব মুভির মাধ্যমে তার মধ্যে ভালোবাসা আর বিয়ে নিয়ে কিছু ধারণা গড়ে উঠছে। প্রায়ই ভাইয়েরা আমার কাছে এসে বলে, “ভাই, আমার বিয়ে করা খুবই জরুরি”। তাদের ভিতর এমন একটা ধারণা হয়েছে যে, একবার বিয়ে হয়ে গেলেই যাবতীয় লালসা নিমিষেই উধাও হয়ে যাবে, জীবন শান্তিতে পূর্ণ হবে, “আমরা একসাথে কুরআন পড়ব” ইত্যাদি ইত্যাদি...। এটা একটা আধ্যাত্মিক ব্যাপার হয়ে উঠবে, আর এভাবে তাদের মনে বিয়ে নিয়ে অতিরঞ্জিত একটি ধারণা গড়ে উঠে। আপনারা যারা বিবাহিত তারা খুব সম্ভবত হাসতেও ভুলে গিয়েছেন, আপনারা ভাবছেন “এইসব কি বলছে?” কারন আপনারা ভুলেই গিয়েছেন এসব অনুভুতির কথা। অবশ্যই আপনারা কখনও কখনও কঠিন বাঁধার সম্মুখীন হন, কারন আমাদের বিয়ে সম্পর্কে যা দেখানো হয়, যে ধারণা দেয়া হয়, বিশেষ করে আধুনিক সময়ে, সে মুসলিমই হোক আর অমুসলিম, আধুনিক সময়ে নারী আর পুরুষের মাঝে ভালোবাসা, নির্ভরশীল...

একজন ভালো স্ত্রী পুরুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।

Image
*একজন দ্বীনদার স্ত্রী আল্লাহর পক্ষ থেকে পাওয়া শ্রেষ্ঠ নেয়ামত সাইফুল্লাহ সাহেবকে তার স্ত্রী ডাকছেন , এই উঠো ! ফজরের আযান হচ্ছে । চোখ কচলাতে কচলাতে সাইফুল্লাহ সাহেব ঘুম থেকে উঠে বসে প্রথমে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলতেই চোখ চলে যায় ফ্লোরে । জায়নামায বিছানো দেখে আলহামদুলিল্লাহ বলে উঠেন । স্ত্রীকে বলেন , তুমি তাহাজ্জুদ পড়তে উঠে আর ঘুমাও নি? স্ত্রী বললেন, আলহামদুলিল্লাহ না । সাইফুল্লাহ সাহেব আর কিছু না বলে খাট থেকে নামতেই স্ত্রী বলে উঠেন , বাথরুমে তোমার জন্য গরম পানি রাখা আছে । উযু করে নাও এবং সুন্নাত বাসায় পড়ে ফরজটা মসজিদে । সাইফুল্লাহ সাহেব মুচকি হেঁসে জাযাকাল্লাহু খাইরান বলে দ্রুত বাথরুমে চলে গেলেন । মসজিদ থেকে এসে দেখেন স্ত্রী কুরান পড়ছে । সাইফুল্লাহ সাহেব ১০ টার দিকে অফিসে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হলেন । স্ত্রী অফিসের ব্যাগটা গুছিয়ে দিলেন । যথারীতি আজকেও বিদায় নেয়ার সময় দুজন একসাথে সালাম দিতে গিয়ে মুচকি হেসে দিলেন । অফিস পথে সাইফুল্লাহ সাহেব জ্যামে পড়লেন । ভাবছেন , একজন দ্বীনদার স্ত্রী আল্লাহর পক্ষ থেকে পাওয়া শ্রেষ্ঠ নেয়ামত । বিয়ে করার পর থেকে প্রতিদিন স্ত্রী আমাকে তাহাজ্জুদ পড়তে ডেকে...

ভালো ডিগ্রী মানে ভালো জায়গায় বিয়ে কিন্তু সুখের ডিগ্রী?

Image
"বিবাহের নিমিত্ত লিখিত বায়োডাটায় সাধারণত এমন সব তথ্য থাকে, যার প্রায় কোনটাই বৈবাহিক জীবনে কাজে আসে না। তবু এই তথ্যগুলোকে খুব গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে কার্যসমাধার আয়োজন করা হয়। অথচ আজ পর্যন্ত কোন দম্পতি পাওয়া যাবে না যাদের দাম্পত্য সমস্যাগুলো স্ত্রীর সুন্দর মুখ কিংবা স্বামীর উচ্চতার দিকে তাকিয়ে সমাধান হয়ে গেছে। মাঝে মধ্যে আমার আব্বা-আম্মার সাংসারিক জীবনে যেসব সমস্যা দেখেছি বা বুঝেছি, সেগুলোর ব্যাপারে ভাবতে চেষ্টা করি যে আব্বা অমুক ভার্সিটিতে না পড়ে যদি ঢাকা ভার্সিটি বা বুয়েটে পড়তেন, তবে কি সমস্যা সমাধান হয়ে যেত কি না। কিংবা আম্মার গায়ের রঙ আরেকটু পরিষ্কার হলে কি সমস্যা মিটে যেত কি না। উত্তর পাই- না। অথচ পাত্র-পাত্রীর সেক্যুলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ডিগ্রি, এগুলোকে বিয়ের সময় কত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়।কেন উঁচু উঁচু ডিগ্রিধারির সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে মানুষের ঘর থেকে সুখটাও উড়ে গেছে? কেন আগেরদিনের ‘পরাধীন’ গৃহিণী মায়েদের ঘরের মমতা আর শান্তি আজকের ‘স্বাধীন’ চাকরিজীবী মায়েদের ঘরে নেই? কেন আজ একটার পর একটা ডিভোর্সের সংবাদ আসে? কেন এত এত ‘উচ্চশিক্ষা’র বহর আর ‘নারীর ক্ষমতায...

ভার্সিটি- কলেজের ছাত্রদের চরিত্র ভালো রাখার সুন্দর একটি টিপস্

Image
চরিত্র নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করতে ভালোবাসার একটি টিপস ​​ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেমেয়েদের চরিত্র নষ্ট করে দিয়েছে মোবাইল ফোন। কে যে কার সাথে আলাপ করে তার হদিস নিজেরাই জানে না। ক্লাসের ফাঁকে, বাসে বসে, রিকসায় বসে ছেলেরা বা মেয়েরা ফোনে কথা বলেই যাচ্ছে পরপুরুষ বা পরনারীর সাথে। কী বিষয়ে কথা বলে, কেউ জানে না, আল্লাহ মাফ করুন। যারা কোন হারাম থেকে বিরত রাখতে নিজেকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়, চোখ সরায় হারাম থেকে, কান সরায় হারাম থেকে -- তারা অন্তরে ঈমানের মিষ্টতা অনুভব করে, অন্তর প্রশান্ত হয়, শান্তি অনুভব হয়। আখিরাতে তো আছে বিশাল পুরষ্কার। মুসলিম ভাই ও বোনরা তাই আল্লাহর জন্যও নিজেদেরকে সংযত করায় সেই পুরষ্কারের আগাম বার্তা জেনে নিন। তবে আসেন, একটা টিপস দেই। খুব যদি হবু হউ বা হবু জামাইয়ের কথা মনে পড়ে আর আলাপ করতে ইচ্ছা করে তার সাথে। তাকে চিঠি লিখুন। নিজের কাছে রেখে দিন। মনের কথাগুলো বলুন তাকে সেই চিঠিতে। একদিন যখন সে আপনার স্বামী বা স্ত্রী হয়ে হাজির হবে -- তখন আপনি তাকে উপহার হিসেবে আপনার চিঠিগুলো দিবেন। দেখবেন সে কত পছন্দ করে! কারণ আপনার এই উপহার তার কাছে অমূল্য হয়ে থাকবে। এইটা একটা পার্সোনাল টিপস, কয়েকজন ভাইকে ...

শেখার আছে অনেক কিছু জানার এখনো অনেক বাকী

Image
ভাই/আপু এই লেখাটা তোমার জন্যে............... আশা করি এই লেখাটি তোমার চোখ খুলে দিবে। সবকিছু নতুন করে ভাবতে সহায়তা করবে। লেখাটি খুব মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ার আন্তরিক অনুরোধ রইল। জাযাকাল্লাহ খাইরান। বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম তোমাকে প্রথমেই একটা কথা বলে রাখি, আমি খুব বিষণ্ণ মন নিয়ে এই লেখাটা লিখতে বসেছি। তবে এই বিষণ্ণতা তথাকথিত গার্লফ্রেন্ড চলে যাওয়ার বিষন্নতা নয় বা এই পৃথিবীতে কোনোকিছু হারানোর বিষণ্ণতা নয়। এই বিষণ্ণতা তোমাকে এই কথাগুলো আগে বলতে না পারার অযোগ্যতার বিষণ্ণতা, আমাদের চারিপাশে যা কিছু হচ্ছে তা সইতে না পারার বিষণ্ণতা। সবাই যখন পরীক্ষার পড়াশোনা নিয়ে খুব ব্যস্ত আমি তখন তোমাকে লিখতে বসেছি কারণ আমার কাছে মনে হয়েছে আমার এই পরীক্ষার চেয়ে তোমাকে এই কথাগুলো বলা বেশী প্রয়োজন, বেশী গুরুত্বপূর্ণ। হয়ত আমার এই কথাগুলো তোমার ভালো নাও লাগতে পারে তারপরেও লিখলাম শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে। প্রারম্ভিক কিছু কথাঃ- কি সুন্দর এই পৃথিবী! চোখ জুড়ানো বিস্তীর্ণ শ্যামল শস্য ক্ষেত। গাছের ডালে ডালে রঙ- বেরঙের ফুল ও ফল, তারই মাঝে রঙ-বেরঙের পাখ-পাখালি ও প্রজাপতির মনভুলানো খেলা। মন ...

প্রেম করে বিয়ে করার ব্যাপারে ইসলামের দৃষ্টি ভঙ্গি কী?

Image
  প্রশ্নঃ প্রকৃত ইসলাম প্রেম করে বিয়ে করার ব্যাপারে কি দৃস্টিভংগী পোষন করে? উত্তরঃ কথায় বলে প্রেম স্বরগীয়, একজন নর এবং একজন নারীর মধ্যে প্রকৃত ভালবাসার চেয়ে ভাল কি আর কিছু হয়! ১৫০০ শত বছর আগের কুরআন নাজিলের  সময়, স্থান ও সামাজিক অবস্থা  এবং বর্তমানের আধুনিক  অবস্থা এবং উপায় উপকরনের বিস্তর ফারাক কাজেই আমাদের পবিত্র কুরান  অনুসরনের সাথে সাথে এটাও মনে রাখতে হবে এই  আধুনিক যুগে পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন আদেশ-  নিষেধ কিভাবে প্রয়োগ করা যাবে। ১৫০০ শত বছর আগে  ছেলে এবং মেয়েরা একসাথে কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ত না বা একসাথে একই কর্মস্থলে চাকুরী করত না। সামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রেম করে বিয়ে একটা অনিবার্য বাস্তব অবস্থা হয়ে  দাড়িয়েছে তবে আমরা এটাও বলছি না যে প্রেম করে  বিয়েই হল আদর্শস্থানীয়। প্রেম, বিয়ে, ভালবাসার ক্ষেত্রে সবার জন্য একই নিয়ম খাটে না। তবে প্রেম-ভালবাসার নামে  আমাদের সমাজে অনেক  দুঃখজনক ঘটনাও ঘটছে, কিছু নারী হয়রানীর শিকার হচ্ছে, কেওবা ধর্ষনের শিকারও হয়,  কেও বা প্রেমে ব্যার্থ হয়ে "দেবদাস" হয়, গাজা- হেরোইনে আসক্ত হয়, আত্বহত্যার পথও কেও  কেও বেছে নেয় ইত্যাদ...